১১ বৈশাখ ১৪২৪, মঙ্গলবার ২৫ এপ্রিল ২০১৭ , ১:০৮ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Laisfita

কোম্পানী মালিকদের নিয়ন্ত্রনে বিলুপ্তির পথে ক্ষুদ্র মিল মালিকেরা


১০ জানুয়ারি ২০১৭ মঙ্গলবার, ০৮:২১  পিএম

নিউজ নারায়ণগঞ্জ


কোম্পানী মালিকদের নিয়ন্ত্রনে বিলুপ্তির পথে ক্ষুদ্র মিল মালিকেরা

নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জ বাণিজ্যিক এলাকাতে আটা ময়দার বাজার বিভিন্ন কোম্পানী ও ব্যবসায়ী গ্রুপের মালিকদের নিয়ন্ত্রনে থাকায় দিনে দিনে বিলুপ্তির পথে যাচ্ছে ক্ষুদ্র মিল মালিকেরা। অন্যদিকে নরসিংদি সহ অন্য জেলাগুলোতে নতুন করে মিল গড়ে ওঠায় ক্রমশ কমতে শুরু করেছে বিক্রয়ের পরিমাণ।

প্রকাশ না করার শর্তে একজন ক্ষুদ্র মিল মালিক বলেন, গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিগুলোর মালিকেরা আটার বাজারকে কুক্ষিগত করার নেপথ্যে ব্যবসায়ীক নানা পরিকল্পনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই ইন্ডাস্ট্রি মালিকেরা গম আমদানি করায় তারা গমের দাম বাড়িয়ে দিয়ে তারা কম দামে আটা বাজারজাত করছেন। এতে বাজারের সাথে তাল মিলাতে আমাদেরকে ভর্তুকী দিতে হচ্ছে। অন্যথায় তাদের বিক্রিকৃত আটা ক্রয় করে ব্যবসা করতে হচ্ছে। ক্ষুদ্র মিল মালিকের গম ক্রয় করে তা তাদের মিলে ভাঙিয়ে আটা উৎপন্ন করে তা বিক্রয় করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিগুলোর মালিদের বাজার নিয়ন্ত্রনের এরূপ কারণে দিনে দিনে ক্ষুদ্র মিল মালিকদের ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে গেছে। অনেকটা মনে হচ্ছে সরিষা তেলের ব্যবসায়ের মত আটা-ময়দার ব্যবসাও বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এক সময় নিতাইগঞ্জে সরিষার তেলের ব্যবসাতেও তদ্রুপ একই কৌশল অবলম্বন করেছেন ইন্ডাস্ট্রি মালিকেরা। তারা সরিষা আমদানি করে সরিষার দাম বাড়িয়ে দেয় অন্যদিকে তেলের দাম কমিয়ে বাজারজাত করায় সরিষার তেলের ক্ষুদ্র মিল মালিকের একই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে ভর্তুকি দিতে দিতে এক পর্যায়ে বিলুপ্ত হয়ে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারের পদক্ষেপ দাবি করে বলেন, আগে এক সময় সরকার গম আমদানি করে একটা মূল্য নির্ধারন করে দেয়া হত যদি এই রকম কোন পদক্ষেপ পুনরায় নেয় হয় অথবা এই সমস্যার বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় তাহলেই এ ব্যবসায়ে ক্ষুদ্র মিল মালিকদের টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

নিতাইগঞ্জে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পাইকারী আটা-ময়দা ব্যাবসায়ী বলেন, মার্ক ও লগো বিহীন আকিজ গ্রুপের বাজারকৃত করা কমদামের আটা পানি ছেড়ে দিত বলে আটার দাম আরো কমে গেছে। এর ফলে অন্য কোম্পানির আটার দাম কমাতে বাধ্য হয়। বাজারে যখন অন্য কোম্পানির আটা বস্তা প্রতি ৯শ ৫০ টাকা করে রাখা হত তখন আকিজের বস্তা ৯ শত টাকা করে বিক্রি হত। এখন আরো কমে গেছে।


নিউজ নারায়াণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

Shirt Piece
অর্থনীতি -এর সর্বশেষ