১২ আষাঢ় ১৪২৪, মঙ্গলবার ২৭ জুন ২০১৭ , ৪:১৫ পূর্বাহ্ণ

diamond world

বেদনাদায়ক বিয়োগান্ত নাগিনা জোহা


|| নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:১১ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ শনিবার


বেদনাদায়ক বিয়োগান্ত নাগিনা জোহা

২০১৬ সালে নারাযণগঞ্জে যে কয়টি বিয়োগান্তের ঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে বেদনাদায়ক হলো নারায়ণগঞ্জের ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহার (৮১) ইন্তেকাল। ঐতিহাসিক ৭মার্চ দুপুর ১টা ১০ মিনিটে ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে তিনি শেষ ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুর পূর্বে নাগিনা জোহা দুই ছেলে, ও দুই মেয়ে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। নাগিনা জোহা নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান ও নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের মা। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের পূত্রবধূ এবং একজন ভাষা সৈনিক।
 
উল্লেখ্য নাগিনা জোহা ১৯৩৫ সালে অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার কাশেম নগরে জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের পরিবারের পূর্বপুরুষদের নামানুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয়। বাবা আবুল হাসনাত ছিলেন সমাজ হিতৈষী ও কাশেম নগরের জমিদার। তিনি শিল্প-সংস্কৃতির পৃষ্ঠ পোষকতায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেন। নাগিনা জোহার বড় চাচা আবুল কাশেমের ছেলে আবুল হাশিম ছিলেন অবিভক্ত ভারতবর্ষের মুসলীম লীগের সেক্রেটারি ও এমএলএ। চাচাতো ভাই মাহবুব জাহেদী ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের সদস্য ছিলেন। ভাগ্নে পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট নেতা সৈয়দ মনসুর হাবিবুল্লাহ রাজ্য সভার স্পিকার ছিলেন। নাগিনা জোহা ১৯৫০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদালয়ের অধীনে মেট্টিক পাস করেন। ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের সন্তান রাজনীতিবিদ এ কে এম শামছুজ্জোহার সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। স্বামীর বাড়িতে নতুন বউ হিসেবে এসেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। তাঁর শ্বশুর তৎকালীন এমএলএ খান সাহেব ওসমান আলীর চাষাঢ়ার বাড়ি ‘বায়তুল আমান’ ছিল আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

সাহিত্য-সংস্কৃতি -এর সর্বশেষ