১৫ চৈত্র ১৪২৩, বুধবার ২৯ মার্চ ২০১৭ , ১:১২ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss

১৭৪ কেন্দ্রে সাখাওয়াত ও আইভীর ভোটের সংখ্যা

১৭৪ কেন্দ্রে সাখাওয়াত ও আইভীর ভোটের সংখ্যা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৭৯ হাজার ৫৬৭ হাজার ভোটে বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খানকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত মেয়র নির্বাচিত আর তৃতীয়বারের মত জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী। নুরুজ্জামান তালুকদার জানান, নির্বাচনে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৩৬ ভোট গৃহীত হয়। প্রদত্ত ভোটের হার হলো ৬২ দশমিক ৩৩ ভাগ। নির্বাচনে ১৭৪ কেন্দ্রে সেলিনা হায়াৎ আইভী (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) প্রতীক : নৌকা পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬১১ ভোট। সাখাওয়াত হোসেন খান (জাতীয়তবাদী দল বিএনপি) প্রতীক : ধানের শীষ   পেয়েছেন ৯৬ হাজার ০৪৪ ভোট। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল পেয়েছেন ৬৭৪ ভোট, মিনার প্রতীকে ইসলামী

নাসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে জয় পেলেন যারা

নাসিক নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে জয় পেলেন যারা

বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোটগণনার পর থেকে রাতে নারায়ণগঞ্জ ক্লাব লিমিটেডের শীতলক্ষ্যা কমিউনিটি সেন্টারের দ্বিতীয় তলায় ফলাফল ঘোষণা করতে থাকেন রিটার্নিং অফিসার নুরুজ্জামান তালুকদার। বেসরকারী ফলাফলে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১নং ওয়ার্ডে ফুলের ঝুড়ি প্রতীকের হাজী মোঃ ওমর ফারুক, ২নং ওয়ার্ডে আলোচিত লাটিম প্রতীকে ৭ খুন মামলায় অব্যাহতি প্রাপ্ত বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ডে ঠেলাগাড়ি প্রতীকে কাউন্সিলর শাহজালাল বাদল, ৪ নং ওয়ার্ডে লাটিম প্রতীকে আওয়ামীলীগের আরিফুল হক

বাবার কবর জিয়ারত করে আইভী, নফল নামাজ পড়ে ভোট দিলেন সাখাওয়াত

বাবার কবর জিয়ারত করে আইভী, নফল নামাজ পড়ে ভোট দিলেন সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই দলের মেয়র প্রার্থী আওয়ামীলীগের সেলিনা হায়াত আইভী ও বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন খান তাদের ভোট দিয়েছেন। সাখাওয়াত সকাল সোয়া ৮টায় এবং আইভী সকাল সাড়ে ৯ টায় ভোট দেন। এ সময় দুজনই নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফলাফল যাই হোক মেনে নেবেন বলে জানান।

আইভী ও সাখাওয়াতের মিল ও পার্থক্যের বিশালতা

আইভী ও সাখাওয়াতের মিল ও পার্থক্যের বিশালতা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রধান আলোচনায় এখন আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী ও বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন খান। তাদের নীতিগত আদর্শের মধ্যে কিছুটা মিল থাকলেও নানা কারণেও রয়েছে আবার পার্থক্যের বিশালতা রয়েছে। ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য আলোচিত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুইজনই চাচ্ছেন বৈতরণী পার হতে। তাদের মধ্যে সেলিনা হায়াৎ আইভী অনেক আত্মবিশ্বাসী। আর এখনো সামলাতে পারছেন না সাখাওয়াত। নগরবাসী বলছেন, সন্ত্রাস নিয়ে দুইজনই সোচ্চার ছিলেন। দুইজনের যুদ্ধ ছিল অপশক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু ভোটের রাজনীতিতে অনেকটাই এগিয়ে আইভী। রাজনীতি ছাড়াও তাঁর রয়েছে বিশাল জনপ্রিয়তা। নগরের প্রত্যেকটি মানুষ তাকে চিনে নানা কারণে। বিভিন্ন সময়ে খুন, অপহরণ আর শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে আইভীর শিউরে উঠা বক্তব্যই তাকে নিয়ে গেছে অনেক উচুতে। অপরদিকে সাত খুনের ঘটনায় আলোচনায় আসেন সাখাওয়াত। কিন্তু সেটা ভোটের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারছেন না। গত কয়েকদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠ দাবড়ে বেড়াচ্ছেন সাখাওয়াত। তবে কোথাও মিলছে না কোন সাড়া। নতুন করে তিনি নিজেকে পরিচিত করার চেষ্টা করছেন।

আইভী যা পেরেছেন আর যা পারেননি

আইভী যা পেরেছেন আর যা পারেননি

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক) ৫ বছরে মেয়র পদে দায়িত্ব পালনের পরে আবারো ভোটযুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। গেলবারে তিনি দোয়াতকলম প্রতীক নিয়ে ভোটযুদ্ধে অংশ নিলেও এবার অংশ নিচ্ছেন আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে। গেল ৫ বছরে আইভী কি করতে পেরেছেন আর কি পারেননি তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষন। আইভীর অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান আইভীর দুর্বলতাকে ইস্যু করে ভোটযুদ্ধে জয়ী হতে চাইছেন। তিনি গণসংযোগকালে বলছেন গেল ১৩ বছরে মেয়র পদে থাকাকালে আইভী উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণসহ নানাবিধ ব্যর্থতার কথা তুলে ধরছেন। এজন্য এবার ভোটাররা আইভীকে ভোট দিবেনা বলেও দাবি করছেন সাখাওয়াত। অপরদিকে আইভী বলছেন, তিনি গত ৫ বছর ও এর আগে পৌরসভার ৮ বছর এ ১৩ বছরে আমি এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকেননি। বিগত দিনে চেষ্টা করেছেন সাধ্যমত উন্নয়ন করতে। প্রতিশ্রুতির ৭০ ভাগই তিনি সম্পন্ন করতে পেরেছেন। উন্নয়নে কখনোই রাজনীতিকে প্রাধান্য দেননি। তাই দলমত নির্বিশেষ সাধারণ মানুষ তাকে ভোট দিবে বলেও তিনি মনে করছেন।

‘ব্যক্তিস্বার্থে’ নারায়ণগঞ্জে নৌকা ডুবেছে বারবার!

‘ব্যক্তিস্বার্থে’ নারায়ণগঞ্জে নৌকা ডুবেছে বারবার!

রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচন। মঙ্গলাবার রাত ১২টা থেকেই নির্বাচনি প্রচারও শেষ হয়ে গেছে। প্রার্থীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কুশল বিনিময় করে। এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে নাসিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সে কারণে সবার দৃষ্টি এ জেলার দিকেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই মেয়র প্রার্থীকে নিয়েই রয়েছে দলের ভেতর ও বাইরে নানা সমীকরণ। বাহ্যিকভাবে দুই প্রার্থীকে নিয়ে দল দৃঢ় ও ঐক্যবদ্ধ। তবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল-বিভক্তি কম নয়।

মামার বাড়ীতে নানীর দোয়া নিলেন আইভী

মামার বাড়ীতে নানীর দোয়া নিলেন আইভী

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী শেষ দিনের প্রচারণা নিজ বাড়ীর গেট থেকে শুরু করেন। ছোট থেকে বড় হওয়া যাদের সামনে তাদের কাছে ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন আইভী। এছাড়াও প্রচারণার এক পর্যায়ে মামার বাড়ীতে গিয়ে নানীর কাছে দোয়া চাইতে গেলে ফুলের নৌকা দিয়ে বরণ করেন নানী সখিনা বেগম (৬৫)। এসময় সখিন বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান হওয়ার সময় অনেক করছি। ও আর ওর মাই কইতে পারবো। এখন নৌকা নিয়ে নির্বাচন করতাছে। নৌকা যেন আল্লাহ পার করে নেয়।’

কাউন্সিলর পদে হত্যা, মাদক, দুদক ও বিদ্যুৎ চুরির মামলার আসামিরা

কাউন্সিলর পদে হত্যা, মাদক, দুদক ও বিদ্যুৎ চুরির মামলার আসামিরা

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছেন হত্যা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, জমি দখল, মাদক ব্যবসা, প্রতারণা এমনকি বিদ্যুৎ চুরির আসামিরাও। প্রার্থীদের মধ্যে কয়েজন জেলা পুলিশ ও র‌্যাবের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। কাউন্সিলর পদে দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন না হওয়ায় প্রার্থীদের কোনো দলীয় পরিচয় থাকছে না। তবে অভিযুক্ত প্রার্থীদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় রাজনীতিতে পদধারী নেতা বা এ দুই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ২২ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট প্রহণ হবে। ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অভিযোগ মূলত সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে একজন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের বিরুদ্ধেও মাদকের মামলা রয়েছে।

সিটি নির্বাচনে প্রয়োজনে গুলির নির্দেশ পুলিশের

সিটি নির্বাচনে প্রয়োজনে গুলির নির্দেশ পুলিশের

সিটি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতার লক্ষ্যে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর অবস্থান থাকবেন। নির্বাচন সুষ্ঠুর লক্ষ্যে সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী মালামালগুলো নিরাপদে রাখতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদেরকে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এতে ভোট কেন্দ্রে কোন ধরনের সহিংশতার চেষ্টা করার হলে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা যেন গুলি করতে যাতে আপোষ না করেন। আর আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা গাফলতি করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জ আসছেন না খালেদা জিয়া

নারায়ণগঞ্জ আসছেন না খালেদা জিয়া

নারায়ণগঞ্জের আসছেন না বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ২০ ডিসেম্বর তিনি নারায়ণগঞ্জে আসবেন এমন ঘোষণা দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকে রোববার রাতে জানা গেলেও নির্বাচনী বিধি নিষেধের কারণে তিনি আসতে পারছেন না কারণ বিধি অনুযায়ী সোমবার রাত ১২টার পর থেকে সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের লোকজন নারায়ণগঞ্জ অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন জেলা প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন ২০১৬ -এর সর্বশেষ