৮ আশ্বিন ১৪২৪, রবিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ

খানপুর ৩০০ শয্যায় ডাক্তারদের ‘অনিয়মই নিয়ম’


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৭:২৭ পিএম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার


খানপুর ৩০০ শয্যায় ডাক্তারদের ‘অনিয়মই নিয়ম’

নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের বর্হিবিভাগে নাক-কান-গলা, চক্ষু সহ মহিলা মেডিসিন বিভাগে চলছে চিকিৎসার নানা অনিয়ম। বিভিন্ন এলাকা হতে আগত রোগীরা উল্লেখিত বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে নানা হয়রানী সহ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাক-কান-গলা বিভাগের মেডিকেল অফিসার ও সিনিয়র কনসালটেন্ট মো: খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রোগীরা। মেডিকেল অফিসার মো: আমিনুল ইসলাম শিশু চিকিৎসক হলেও হাসপাতালে রোগীদেরকে নাক-কান-গলার চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে।

শহরের নগর খানপুর এলাকার মো: শফিক মিয়া বলেন, গত বুধবার সকালে বাম কানের পাশে টিউমারের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসা নিতে যাই হাসপাতালে। পরবর্তীতে উক্ত বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা: মো: খোরশেদ আলম একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা লিখে তার নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার চাষাঢ়ায় পপুলার ডায়াগণস্টিক সেন্টারে প্রেরণ করেন। তিনি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা না করে একই এলাকায় অবস্থিত আলফা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরিপ্রেক্ষিতে ডা: খোরশেদ আলম রোগী মো. শফিক মিয়ার সাথে অমানবিক আচরন সহ তাকে গত বৃহস্পতিবার কোন চিকিৎসা না দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

মহিলা মেডিসিন বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অমল কুমার সাহা প্রতিনিয়ত তার মনগড়া সময় অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছেন। আর চিকিৎসা পাওয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষামান বসে থাকতে হয় রোগীদেরকে। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালে ৯ টার মধ্যে থাকার কথা থাকলেও ডা: অলক কুমার সাহা প্রতিদিন হাসপাতালে প্রবেশ করেন বেলা ১১ টায়।

এছাড়া চক্ষু বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা: মো: আতিকুল বারী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাসপাতালে না আসার কারণে রোগীদেরকে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাছাড়া হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ সহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার ব্যবস্থা থাকলেও ডা. আতিকুল বারী রোগীদেরকে বাইরের ফার্মেসী থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করছেন এবং তার নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদেরকে ভিজিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরদিকে ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী মো: মনির হোসেন ভর্তিকৃত রোগীদেরকে কাছ থেকে ভর্তির দোহাই দিয়ে ২শ টাকা করে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাছাড়া চক্ষু অপারেশন করার সময় বিভিন্ন ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে কমিশন বাণিজ্যে করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চক্ষু অপারেশনের জন্য হাসপাতালের একমাত্র ভাই ভাই ফার্মেসিতে সকল ওষুধ পাওয়া যায়। ওই সুবাধে ফার্মেসীর মালিকের সাথে যোগসাজসে মো. মনির হোসেন রোগীদের কাছ থেকে ফায়দা লুটছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Loading...
Shirt Piece

স্বাস্থ্য -এর সর্বশেষ