৫ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ২:১৪ পূর্বাহ্ণ

কামালের সঙ্গে কোলাকুলিতে অনীহা তৈমূরের!


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৭:৫৫ পিএম, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বুধবার | আপডেট: ০৭:৩০ পিএম, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শুক্রবার


কামালের সঙ্গে কোলাকুলিতে অনীহা তৈমূরের!

দীর্ঘদিন এক সঙ্গে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন একই সঙ্গে। কিন্তু তাদের মধ্যে একমাত্র এটিএম কামালকে মহানগর বিএনপির সেক্রেটারি পদে রেখে বাকিদের করা হয়েছে পদবঞ্চিত। পদবঞ্চিতরা আজ বিদ্রোহীদের কাতারে। অন্যদিকে এটিএম কামাল রয়ে গেলেন মূলধারায়। একই মামলায় আদালতে হাজিরা দিলেও এটিএম কামালের সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ন সম্পর্ক দেখা যাচ্ছেনা তাদের মধ্যে। এমনকি জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তৈমূর আলমের সঙ্গে ঈদ উপলক্ষ্যে কোলাকুলি করতেও পারলেন না এটিএম কামাল! এমন ঘটনা ঘটেছে বুধবার ৬ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়ায়।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার একটি নাশকতার মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সেক্রেটারি এটিএম কামাল, শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সহ-সভাপতি সুরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল হক  চৌধুরী দিপু, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রানা মুজিব,মাসুদ রানা, যুবদল নেতা আল আমিন খান, মাহাবুবুল হাসান জুলহাস, মহানগর ছাত্রদল নেতা রাফিউদ্দীন রিয়াদ সহ বেশকজন নেতা। এছাড়াও এ মামলায় কারাগারে থাকে মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়ক রাশিদা জামাল জামিন লাভ করেছেন। এসব নেতাদের বিগত সময়ে রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে দেখা গেছে। যারা এটিএম কামালের সঙ্গেই রাজপথে আন্দোলন করতে গিয়ে হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে নতুন কমিটি হওয়ার আগে এসব নেতারা ছিলেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের নেতৃত্বে। যদিও বুধবার আদালতে আসামীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন তৈমূর আলম খন্দকার।

একই আদালতে এক সময়কার রাজপথের নেতারা হাজিরা দিলেও এটিএম কামালের সঙ্গে কাউকে তেমন হৃদ্যতাপূর্নভাবে কথা বলতে দেখা যায়নি। কেউ এগিয়ে না আসলেও এটিএম কামাল সকলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। দু’ একজন এটিএম কামালের আলাপচারিতার সাড়া দিলেও তেমন একটা দেখা যায়নি।

হাজিরা শেষে এটিএম কামাল এগিয়ে আসেন তৈমূর আলমের দিকে। তখন এটিএম কামাল তৈমূরকে বলেন, আমাদের মধ্যে মান অভিমান যাই থাকুক আমরা মুসলমান হিসেবে ঈদ উপলক্ষ্যে আসেন কোলাকুলিটা করি। এই বলে কামাল তৈমূরকে জড়িয়ে ধরতে চান। তখন তৈমূর আলম সাড়া দেয়নি।

তৈমূর আলম এটিএম কামালকে ছেড়ে দিয়ে বলেন, তোমার সাথে কোলাকুলি করলে সাংবাদিকদের লিখবে আমি মূলধারায় চলে গেছি। তাই তোমার সাথে কোলাকুলি করা সম্ভব না। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে তৈমূর আলমকে দেখে এটিএম কামাল এগিয়ে এসে হাত বাড়িয়ে দিলেও অনেকটা অনিচ্ছকৃতভাবেই হাত মিলান তৈমূর। তবে এ মামলায় হাজিরার সময় ও রাশিদা জামালের জামিন আবেদনের সময় তৈমূর আলমের সঙ্গে ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু সহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

রাজনীতি -এর সর্বশেষ