৫ আশ্বিন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ , ২:১৩ পূর্বাহ্ণ

‘লাঙ্গলবন্দে মেগা প্রজেক্ট ও নীটপল্লী বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি’


প্রেস বিজ্ঞপ্তি || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ১০:০৪ পিএম, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ শনিবার


‘লাঙ্গলবন্দে মেগা প্রজেক্ট ও নীটপল্লী বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি’

বন্দরের মদনগঞ্জে অবস্থিত শান্তিরচরে প্রস্তাবিত নীটপল্লী নির্মাণে অনিশ্চয়তা ও নীটপল্লীর ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত হওয়া জেলা প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে শীতলক্ষ্যা সেতু, শান্তিরচরে নীটপল্লী, মহাতীর্থ লাঙ্গলবন্দে মেগা প্রজেক্ট, সহ নারায়ণগঞ্জে উন্নয়নের মহাপরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ ও বাংলাদেশ ইকোনমিক জোন অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। সেই সাথে শান্তিরচরে নীটপল্লী নির্মাণের জন্য দ্রুততার সাথে কঠোর পরিশ্রম করতে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞাকে অনুরোধ জানিয়েছেন বেইজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

শনিবার ৯ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাতীর্থস্থান লাঙ্গলবন্দ পরিদর্শন শেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দ সহ এলাকাবাসীর সাথে মত বিনিময় কালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শীর্ষস্থানীয় ওই কর্মকর্তা এসব কথা বলেন।

এর আগে ১৫ আগস্ট জেলা প্রশাসনের সার্কিট হাউজে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধা সংসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার নেতৃবৃন্দদের সাথে এক আলোচনা সভায় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞা শান্তিরচরে নীটপল্লীর ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলে ছিলেন, আমার আগের ডিসি সাহেব বন্দরের যে জায়গাটি বাংলাদেশ ইকনোমিক জোন অথরিটিকে দিয়ে ছিলেন সেই জমিটি এখন বেইজা ফিরিয়ে দিতে চায়না। তারা বলছেন বিকেএমইএকে জমিটি কিনতে। বিকেএমইএ এর বর্তমানে এটি কেনার মত ক্ষমতা নেই। তাহলে এ নীটপল্লীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা অনিশ্চিত।

এদিকে শনিবার মতবিনিময় সভায় বেইজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী শান্তিরচরে নীটপল্লীর ব্যাপারে বক্তব্যে রাখতে গিয়ে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, নীটপল্লীর জন্য আগের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান মিঞা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি ৭৩ একর জমি ছাড় করে দিয়ে গিয়ে ছিলেন। কিন্তু গত এক বছরে আপনি এটা বাস্তবায়নে দিকে কতটুকু অগ্রসর করতে পেরেছেন? আপনাকে আরো অনেক বেশি কঠোর পরিশ্রম করতে এবং অনেক দ্রুততার সাথেই সেটা করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জায়গাটির নাম শান্তিরচর হলেও সেখানে গিয়ে আমরা বেশ অশান্তিতে পড়ে ছিলাম। প্রথমবার যখন সেখানে গিয়ে ছিলাম তখন স্থানীয়রা টেটা বল্লম নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালিয়ে ছিল। পরবর্তীতে আরো ৩ বার সেখানে গিয়েছি এবং ২ বার আমরা সেখানে নেমে ছিলাম। একবার আমাদের সাথে পর্যটন মন্ত্রী এবং জাপানী প্রতিনিধিরাও ছিল। যদি বেইজা শান্তিরচরে নীটপল্লী নির্মানের ব্যাপারে আন্তরিক না হতো তাহলে এমন ঝুঁকি নিয়ে আমরা কখনই সেখানে যেতাম না। আমি আশা করছি নীটপল্লী নির্মানে বেইজা যেমন আন্তরিকতার সাথে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একই সাথে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসনের সকল কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় সকল সহযোগীতা করবেন। পাশাপাশি লাঙ্গলবন্দের মেগা প্রজেক্টের ব্যাপারে তিনি বলেন, এই স্থানটির পাশেই রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ। এই ব্রহ্মপুত্রের অপার সৌন্দর্য্যকে কাজে লাগিয়ে বছর জুড়ে এলাকা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালু রাখার ব্যবস্থা করতে পারলে অব্যশই মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আমরা এখানে শুধুমাত্র হিন্দুদের তীর্থ স্থানই নয় মুসলিম, বৌদ্ধ, খিষ্ট্রান সকল ধর্মের অনুসারীরা যাতে এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বিশ্বকে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যের জানান দিতে চাই। এ ব্যাপারে বেইজা সব সময় সার্বিক সহযোগীতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, এই নারায়ণগঞ্জ থেকে শুধু আওয়ামীলীগের জন্মই হয়নি, নারায়ণগঞ্জ হচ্ছে সকল উন্নয়নের সূতিকাঘার। সারাদেশের মধ্যে এই নারায়ণগঞ্জেই সব থেকে বেশি বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। সব থেকে বেশি বিদ্যুৎ এই নারায়ণগঞ্জ থেকেই উৎপাদন হয়। নারায়ণগঞ্জ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নিজেদের চাহিদা পূরণ করে সারাদেশের জন্য জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। এখান থেকেই নীটওয়্যার রপ্তানি করে সব থেকে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। লাঙ্গলবন্দের উন্নয়নে মোট ৩টি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে রুটস ও হাইওয়ে এবং পিডিবি থেকে ১২০ কোটি টাকা করে মোট ২৪০ কোটি টাকা এবং এলজিইডি থেকে ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মাস্টার প্ল্যনের মাধ্যমে মেগা প্রজেক্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেহেতু দুটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে তাই আমি নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করবো চলমান কাজ গুলো বন্ধ না করে ওই কাজের সাথে মাস্টার প্ল্যানের সমন্বয় করে মেগা প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করতে। এতে অর্থ অপচয় হবে না। আর লাঙ্গলবন্দকে শুধুমাত্র একটি তীর্থস্থান নয় বিশ্বের কাছে আর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরতে যা যা করনীয় তার সবকিছু করা হবে। এতে যত টাকার প্রয়োজন হয় তার সবটাই প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দ দিবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, আজকে এখানে আসার বিষয়টি আমার সফরসূচীতে ছিল না। আমার আড়াইহাজারে অর্থনৈতিক অঞ্চল গুলো পরিদর্শনে আসার কথা ছিল। গতকাল রাতেই আমার স্মরণ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী লাঙ্গলবন্দের উন্নয়নে বেশ কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তাই আমি লাঙ্গলবন্দ পরিদর্শন করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই এবং সাথে সাথে আমার কার্যালয় থেকে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অবগত করা হয়। কিন্তু আমার আসার কথা শুনে একজন সংসদ সদস্য হয়েও পরিবারের সকল সদস্যদের বিদেশে হাসপাতালে রেখে এমপি সেলিম ওসমান এখানে এসে অপেক্ষা করেছেন। একজন সরকারী কর্মচারীর জন্য একজন সংসদ সদস্য অপেক্ষা করবে বিষয়টি কেমন যেন বেমানান। কিন্তু উনি এটা করেছেন। যা আমার কাছে বিরল সম্মান প্রাপ্তি এবং স্মরণী। উনার এমন কাজেই বুঝা যায় উনি উন্নয়নের ব্যাপারে কতটা আন্তরিক এবং দায়িত্বশীল। এর জন্য আমি সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথেষ্ট আন্তরিক। সেই সাথে সেলিম ওসমানের মত একজন সংসদ সদস্য সহ আপনাদের সহযোগীতা পেলে তা আরো ভাল ভাবে এগিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই নারায়ণগঞ্জে বেশ কিছু ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন নির্মাণ করা হচ্ছে। তাই নারায়ণগঞ্জের অভিভাবকদের প্রতি আমার অনুরোধ আপনাদের সন্তানদের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অর্নাস, মাস্টার্স করালে খুব ভাল ফলাফল আসবে না। আপনাদের সন্তানদের প্রযুক্তির উপর উচ্চতর কারিগরি দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত করবেন।

নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে সৃষ্ট জটিলতা গুলো সমাধানে করনীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহনের সুবিধার্থে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদের কাছে নারায়ণগঞ্জবাসীকে ১ দিন সময় দিয়ে সমস্যা গুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখার দাবী রাখেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আবুল কালাম আজাদ ১দিন পুরো সময় নিয়ে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানকে সাথে নিয়ে সমস্যা গুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখার প্রতিশ্রুতি দেন। এর পূর্বে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আমার বন্দরের মানুষ দীর্ঘ সময় অবহেলিত ছিল। তাদেরকে টোল দিয়ে নদী পারাপার হতে হতো আমি সেই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে নিজ উদ্যোগে টোল ছাড়া নদী পারাপারের ব্যবস্থা করেছি। এখন আমাদের বন্দর ও ৫নং খেয়াঘাট দিয়ে ফেরী সার্ভিস এবং নবীগঞ্জ ঘাট দিয়ে আরো একটি সেতুর প্রয়োজন। নীটপল্লী নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো ২ বছর আগে অনুমোদন দিয়েছেন, লাঙ্গলবন্দের উন্নয়নে জন্য আরো ২ বছর আগে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় একটি মেগা প্রজেক্ট দেওয়া হয়ে ছিল। পরবর্তীতে সেটিতে কিছুটা সংশোধনের পরামর্শ দেওয়া হয়ে ছিল। কিন্তু ২ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। কেন এই সময় নষ্ট হলো আমার জানা নাই। হয়তো আমাদের কাজে কোন ভুল ছিল নয়তো আমরা কাজটা সঠিক ভাবে বুঝতে পারি নাই। এখন প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত কাছের আপনাদের দুইজনের মত কর্মকর্তার নারায়ণগঞ্জে আগমনের মধ্য দিয়ে সেই সকল ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়ে নারায়ণগঞ্জ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে বলে আমি আশাবাদী।

প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে সেলিম ওসমান বলেন, একটি বিশেষ সরকার নারায়ণগঞ্জকে ধ্বংস করে দিতে আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দিয়ে নারায়ণগঞ্জের ২৫ হাজার শ্রমিক বেকার করে তাদের পরিবারকে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে আমি শ্রমিক এবং মালিক হয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পঞ্চবটিকে বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তুলেছি। যেখানে বর্তমানে সাড়ে ৩ লাখ শ্রমিক কর্মরত রয়েছে। কিন্তু দু:খের বিষয় সেখানে একটি ফায়ার স্টেশন রয়েছে কিন্তু সেটি চালু হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নিজে ফায়ার সার্ভিসটি চালু করার নির্দেশ দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৪ জন জেলা প্রশাসক বদলী হয়েছেন কিন্তু ফায়ার স্টেশন চালু হয়নি। এর কারণ আমার জানা নেই।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আবুল কালাম আজাদ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিঞাকে দ্রুত বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় ফায়ার স্টেশনটি চালু করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। প্রয়োজনে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে তড়িৎ যোগাযোগ করতে বলেন।

মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআই এর পরিচালক প্রবীর কুমার সাহা, নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আকরাম আলী শাহীন, বিকেএমইএ এর পরিচালক ফারুক বিন ইউসুফ পাপ্পু, বন্দর উপজেলার নির্বার্হী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মুন্না, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শংকর কুমার সাহা, লাঙ্গলবন্দ ¯œান উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুজিত সাহা, সাবেক সভাপতি বাসুদেব চক্রবর্তী, পরিতোষ কান্তি সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিপন সরকার, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিলিপ কুমার মন্ডল, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসনে, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ধর্ম -এর সর্বশেষ