৫ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, সোমবার ১৯ নভেম্বর ২০১৮ , ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

বিদেশী নাগরিক হত্যা এবং জঙ্গিবাদের জুজুর ভয়!

বিদেশী নাগরিক হত্যা এবং জঙ্গিবাদের জুজুর ভয়!

রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ইতালির নাগরিক তাভেলা সিজারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। খোদ রাজধানী ঢাকার কূটনীতিকপাড়া হিসেবে পরিচিত গুলশানে মিসরীয় দূতাবাসের কাছে খুন করা হয় তাকে। ঠিক ৫ দিন বাদে ৩ অক্টোবর ইতালির নাগরিকের পর এ দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হলেন জাপানের এক নাগরিক। তার নাম কুনিও হোশি। রংপুর শহর থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মাহীগঞ্জের পাশে আলুটারি গ্রামে দিনদুপুরে তাকে হত্যা করা হয়। এ দুই বিদেশি নাগরিক খুনের ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার উদ্বিগ্ন। বিরোধী দলও এ ব্যাপারে তাদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছে। এ ধরনের উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক। কারণ ঘটনা দুটি বিদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তেমনটি ঘটলে বাংলাদেশকে বড়মাপের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে। তাই ঘটনার জন্য দায়ীদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি যথার্থ কূটনৈতিক উদ্যোগ চালিয়ে যেতে হবে। দু দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের স্বার্থে তাভেল¬া সিজার ও কুনিও হোশির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা জরুরি।

স্মরণ : ত্বকীর ২০ বছর!

স্মরণ : ত্বকীর ২০ বছর!

সোমবার ৫ অক্টোবর আজ তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর ২০ বছর পূর্ণ হলো । কিন্তু না, কালের চক্রপ্রবাহে বয়স বেড়ে চললেও ত্বকীর বয়স বাড়েনি। ১৭ বছর ৫ মাসে আটকে আছে তার বয়স। পিটার প্যানের মতো ত্বকীর বয়স আর বাড়বে না কোনো দিন। তবে পিটার প্যান চিরদিন কিশোর হয়ে থাকবে বলে পণ করেছিল; কিন্তু ত্বকী তা করেনি, আর তা চায়ওনি। বরং ত্বকী সবকিছু ছাড়িয়ে যেতে চেয়েছিল। বড় হতে চেয়েছিল। মহাবিশ্বকে অতিক্রম করে মহাকাশকে লক্ষ্য করেছিল।

আপা ও ভাই - ওভার ব্রীজ চাই

আপা ও ভাই - ওভার ব্রীজ চাই

নানা কারণে দিনে দিনে জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক। বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজন হুমড়ে পড়ছে এতে। কেউ সেলফি তুলে পেস্ট করছে। কেউ স্ট্যাটাস দিচ্ছে, কেউ আবার সামাজিক অসঙ্গতি তুলে ধরছে। কারো কারো মতে, সামাজিক সমস্যা তুলে ধরতে ফেসবুক একটা দারুন মাধ্যম। আমারও তাই মনে হয়। যদি জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা এতে জড়িত থাকেন। সামাজিক এই মাধ্যমে তারা নিজেদের করণীয় কাজ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এতে সাধারনে যেমন লাভ তেমনি তাদেরও।

রম্য রচনা : নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে গরু না এবার বাছুর কোরবানী!

রম্য রচনা : নারায়ণগঞ্জ বিএনপিতে গরু না এবার বাছুর কোরবানী!

২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়া নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটের মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন মেয়র প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। ভোটের ক দিন পরেই অনুষ্ঠিত হয় ঈদ উল আজহা। তখন তৈমূর বলেছিলেন, ‘কোরবানীর আগেই দল আমাকে কোরবানী দিয়ে দিয়েছে।’ তবে এবার কোরবানী দেওয়া হচ্ছে তৈমূর অনুগামীদের। আর সে কোরবানী দিচ্ছে খোদ বিএনপির নেতাকর্মীরাই। ইতোমধ্যে এ কোরবানীর শিকার হয়েছেন একজন অখ্যাত নেতা। তাঁর নাম আবদুল হামিদ খান ভাষানী। অনেকেই তাকে তৈমূরের অনুগামী বলেন। রম্য ভাষায় গরুর বাছুর।

রক্তমাখা বীভৎস ছবি শিশুদের ভয় পাইয়ে দেয়

রক্তমাখা বীভৎস ছবি শিশুদের ভয় পাইয়ে দেয়

‘আমার মেয়ের বয়স ৭ বছর। প্রতিদিন সকালে আমলাপাড়া আদর্শ শিশু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়ে যেতে হয়। সকালে যাওয়ার পথে রিকশায় নানান প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। আমি আমার মেয়েকে যাওয়ার পথে বিভিন্ন সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, ডিজিটাল ব্যানারের বড় বড় লেখা পড়তে বলি। প্রথম প্রথম পড়তে একটু সমস্যা হত এখন দ্রুত পড়তে পারে।

নারায়ণগঞ্জে দুস্থ সাংবাদিকদের অনুদান,গাছেরটা তলারটা উভয়ই নাকি খায়

নারায়ণগঞ্জে দুস্থ সাংবাদিকদের অনুদান,গাছেরটা তলারটা উভয়ই নাকি খায়

সরকার তথ্য প্রযুক্তি আইন পাশ করেছে। বর্তমানে আধুনিক বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও গ্রামগঞ্জ পর্যন্ত আধুনিক ডিজিটাল সেবা পৌছে গেছে। এ পদ্ধতির যেন অপব্যবহার না হয় মূলত: এই লক্ষ্যে এই আইন প্রনয়ন করা হয়েছে। যদিও আইনটিতে অনেক ফাঁক ফোকর রয়েছে। দেশে এখন পেশাদার সাংবাদিকরা অনেকটা ধান্দাবাজ নামধারী সাংবাদিকদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে। সামান্য কম্পিউটার শিখেই একেক জন বিভিন্ন নাম দিয়ে অনলাইন পোর্টাল খুলে এর সম্পাদক বনে রঙ বে রঙের কার্ড ছাপিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ি থেকে শুরু করে সাধারন মানুষকে পর্যন্ত নাজেহাল করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ক্ষমতায় থাকলে ডেক বাড়ে!
মন্তব্য কলাম : আনোয়ার হাসান

ক্ষমতায় থাকলে ডেক বাড়ে!

‘৯০ এ স্বৈরাচার পতনের পর থেকে এ দেশে অর্থনৈতিক বিপ্লব ঘটছে। দিন দিন বহুতল ভবন, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে। কৃষি বিপ্লবের কারণে খাদ্যে আমরা স্বয়ং সম্পূর্ণ। আমরা এখন স্বপ্ন দেখছি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হওয়ার। রাজনৈতিক হানাহানি না থাকলে তা সম্ভব বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। সরকারি দল থেকেও এমনটা বলা হচ্ছে। তারা বিএনপি জামায়াত জোটকে দোষী করে বলছে জ্বালাও পোড়াও না করলে দেশ আরো এগিয়ে যেত। প্রবৃদ্ধি আরো বাড়ত। তাদের কথায় বুঝা যায় - দেশ পিছিয়ে নেয়ার জন্য শুধুমাত্র বিএপি-জামায়াতই দায়ী।

মোস্তাকের মত চাটুকাররা নারায়ণগঞ্জেও তৎপর

মোস্তাকের মত চাটুকাররা নারায়ণগঞ্জেও তৎপর

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৪০তম শাহাদাৎ র্বাষিকী শনিবার। আজ থেকে ৪০বছর আগে একদল বিপদগামী সেনা সদস্য আওয়ামীলীগেরই কিছু ষড়যন্ত্রকারীর মদদে বিদেশী প্রভুদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল। কী বীভৎসতা! রক্ত, মগজ ও হাড়ের গুঁড়ো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল বাড়িটির প্রতিটি তলার দেয়াল, জানালার কাঁচ, মেঝে ও ছাদে। রীতিমতো রক্তগঙ্গা বয়ে যায় বাড়িটিতে। গুলির আঘাতে দেয়ালগুলোও ঝাঁঝরা হয়ে গেছে। চারপাশে রক্তের সাগরের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঘরের জিনিসপত্র।

উপজেলা চেয়ারম্যানদের একজন নাখে খত, অপরজন চেয়ার টিকিয়ে রেখেছে

উপজেলা চেয়ারম্যানদের একজন নাখে খত, অপরজন চেয়ার টিকিয়ে রেখেছে

বহু রক্তের বিনিময়ে কষ্ঠার্জিত এই স্বাধীনতা যা ফলশ্রুতিতে এই সংবিধান। সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদের ১ম দফায় বলা হয়েছে যে- “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতায় প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।” সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে যে- “একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা সমূহ হইতে প্রতক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিনশত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতীকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।”

আমাদের অভুক্ত রেখে মুরগী ভক্ষণে তৈমূর, সেমাইয়ে তিরস্কার

আমাদের অভুক্ত রেখে মুরগী ভক্ষণে তৈমূর, সেমাইয়ে তিরস্কার

নারায়ণগঞ্জের অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ ১৫ জুলাই একটি সংবাদ পড়ে কিছুক্ষণ থ মেরে ছিলাম। নেতাকর্মীদের বাসায় জেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার সেমাইয়ের প্যাকেট পাঠিয়েছে। সুগন্ধার ৪শ গ্রাম সেমাইয়ের প্যাকেট পেয়ে খুশী অনেক নেতাকর্মী। যদিও গত পহেলা বৈশাখে এসব নির্যাতিত নেতাকর্মীদের বাসায় পৌছানো হয়েছে স্বাদহীন তরমুজ। তৈমূর আলম খন্দকারের সেমাই বিতরণের সংবাদটির শিরোনামে কটাক্ষ করা হয়েছে রীতিমত। তবে নিউজ নারায়ণগঞ্জ প্রায় সময়েই তৈমূর ও তাদের লোকজন সহ বিএনপির প্রতি একটু বিষোদগার করেই লেখে সেটাও প্রতীয়মান।

এমপি সেলিম ওসমানকে খোলা চিঠি

এমপি সেলিম ওসমানকে খোলা চিঠি

উন্নয়নের আকাশচুম্বী প্রত্যাশায় এমপি নির্বাচনের এক বছর ইতোমধ্যে পার করেছেন সেলিম ওসমান। ব্যবসায়ী এ নেতা জনপ্রতিনিধি হয়ে নিজেকে জনগণের ‘গোলাম’ বলেও নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন। এরই মধ্যে আপনি নারায়ণগঞ্জের অনেক উন্নয়ন করেছেন। আরো অনেক উন্নয়ন হয়তো সামনে অপেক্ষা করছে। তবে আমারা বন্দরবাসীর কিছু আক্ষেপও রয়েছে। সে কারণে আপনার কাছে রয়েছে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত অনুরোধ আবদার।

না.গঞ্জের ৬ এমপি যাকাত ফান্ড গঠন করে দারিদ্রতা দূরের উদ্যোগ নিন

না.গঞ্জের ৬ এমপি যাকাত ফান্ড গঠন করে দারিদ্রতা দূরের উদ্যোগ নিন

দু:খী মানুষের পাশে দাড়িয়ে ঈদ আনন্দে অংশিদার করার আহবান জানাচ্ছেন সদর-বন্দর আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান। তার এই আহবান অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু পাশাপাশি সাংসদ সেলিম ওসমান আপনি নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে সমঝোতার যে আহবান বার বার রাখছেন তার পাশাপাশি যাকাত যারা গ্রহন করে তাদেরকে স্বাবলম্বি করার উদ্যোগ গ্রহন করলে আমার মনে হয় দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি পাবেন।

যিনি বেগুন বেচেন তিনিও রোজা রাখেন

যিনি বেগুন বেচেন তিনিও রোজা রাখেন

পরিচিত একজন ভদ্র মহিলা জানালেন ‘নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের ফুটপাতে রোজা শুরুর এক সপ্তাহ আগে একটি জামার দাম ৩শ’ টাকা বলেছিল বিক্রেতা। ৫রমজানে সেই জামার একদাম ৫শ’ টাকা চাইলেন সেই বিক্রেতাই।

উবলব্দি নাই বিএনপির : তৈমূর আলম খন্দকারের কলাম

উবলব্দি নাই বিএনপির : তৈমূর আলম খন্দকারের কলাম

১৭৫৭ সনের ২৩ জুন পলাসীর প্রান্তরে স্বাধীন বাংলার শেষ সূর্য অস্তমিত হয়। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজদৌল্লাহর অনুগত ২৩ হাজার সৈন্য নিয়ে তারই প্রধান সেনাপতি মীর জাফর ও পর্ষদ উমি চান্দ, রায় দুর্লভ, ঘসেটি বেগম, জগত শেটদের ষড়যন্ত্রের কারণে পরাজয় বরণ করে বাংলার স্বাধীনতা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর হাতে তুলে দিলেন এবং সে থেকেই রানী ভিক্টোরিয়ার রাজত্ব কায়েম হয়; বাঙালী জাতি পরাধীন হয়ে পড়ে। ফলে এ দিবসটি মীর জাফর দিবস বলেই আমি মনে করি।

নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন করছেটা কি?

নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন করছেটা কি?

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই নারায়ণগঞ্জের দৃশ্যপট পাল্টাতে শুরু করেছে। শহরের চিত্র কিছুটা শান্ত থাকলেও জেলার সর্বত্র চলছে চাঁদাবাজী, গুম, হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণসহ মাদকের ব্যবহার। মাদক নারায়ণগঞ্জে এমন অবস্থার সৃষ্টি করেছে যে যুব সমাজ এখন ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে বলা চলে। যদিও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে র‌্যাব সাম্প্রতিক কালে কিছুটা সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ মাদকের ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে। জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় কিংবা তাদের নাম ব্যবহার করে চলছে ফ্রি স্টাইলে চাঁদাবাজী, ভূমিদস্যুতা আর সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। বিগত প্রায় একদশক ধরে নারায়ণগঞ্জে অস্ত্রের প্রকাশ্যে ব্যবহার দেখা না গেলেও সাম্প্রতিককালে প্রকাশ্যে অস্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়েছে। যে কারণে নারায়ণগঞ্জবাসী আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

মন্তব্য প্রতিবেদনে তৈমূরের দৃষ্টিতে বিএনপির রাজনীতি ও সুবিধাভোগী

মন্তব্য প্রতিবেদনে তৈমূরের দৃষ্টিতে বিএনপির রাজনীতি ও সুবিধাভোগী

‘গণতন্ত্র’ স্বাধীনতার অন্যতম মূল চেতনা। মূলত ভাত ও ভোটের অধিকারের জন্যই এ দেশবাসী অস্ত্র ধরেছিল। সম্পদের সুষম বন্টনের দাবীর পাশাপাশি গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার জন্য এক দফা তথা স্বাধীনতার ডাক আসে। স্বাধীনতার পর রচিত হয় সংবিধান। সে পবিত্র সংবিধানের ৬৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে- প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৩০০ জন্য সদস্য নির্বাচিত হবে। কিন্তু ১৯৭৫ ইং সনে বাকশাল ঘোষণার মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথে বন্ধ হয়ে যায়। সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অনেক ঘাত প্রতিঘাতের পর বহুদলীয় গণতন্ত্রের দ্বারা উম্মোচিত হয়; যার উদ্য্যেক্তা ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

শহীদ জিয়া হল নিয়ে তৈমূরের কলাম

শহীদ জিয়া হল নিয়ে তৈমূরের কলাম

রাইফেল ক্লাবের পূর্বপাশে একটি বড় পুকুরের উপরে ৫৯ শতাংশ জায়গার উপর আজকের শহীদ জিয়া হল। সি.এস রেকর্ড জরিপে উক্ত সম্পত্তির মালিক ছিল ব্রজেন্দ্র রায় চৌধুরী ও দেবেন্দ্র চৌধুরী এবং তাদের ওয়ারিশ সন্তোষ কুমার রায় চৌধুরী গং ১৩/২/১৯৬৩ ইং তারিখে ৩২১৯ রেজিষ্ট্রিকৃত দলিল মূলে মং ১৫ হাজার টাকা মূল্যে উক্ত সম্পত্তি তৎকালিন মহকুমা প্রশাসক এসএ সাত্তার এর নিকট বিক্রয় করে। টাউন হল তথা একটি অডিটরিয়াম নির্মাণের উদ্দেশ্যে শহরের তৎকালিন মুরব্বীদের ইচ্ছা আখাংকা পূরণের সার্থে মহকুমা প্রশাসকের মাধ্যমে নগদ মূল্যে উক্ত জমি ক্রয় করা হয়।

পরিবর্তনের জন্য লড়তে হবে

পরিবর্তনের জন্য লড়তে হবে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল গুলোর অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের ঘাঁটতি আছে,রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেতৃত্ব, নির্বাচন থেকে শুরু করে সবকিছুতেই গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব দিবালোকের মতো পরিষ্কার। ফলে দলগুলোর কোন প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দাঁড়ায়নি।

প্রসঙ্গ : লেভেল প্লেইং ফিল্ড

প্রসঙ্গ : লেভেল প্লেইং ফিল্ড

হালে বাংলাদেশের নির্বাচন একটি বির্তকিত বিষয় শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের বির্তর্কিত ভূমিকার কারণে যা অন্য কোন দেশে সাধারনত চোখে পড়ে না। হারিকেন, টর্চলাইট, হেজাক লাইট দিয়ে খুজে খুজে নিরপেক্ষ নামধারী ব্যক্তিদের প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে নির্বাচন করা হয়- একটি সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য। নির্বাচনে যতই কারচুপি হউক- জনগনের দৃষ্টিতে ইহা যতই নিন্দনীয় হউক না কেন- নির্বাচন কমিশন বার বারই নির্লজ্জের মত সরকারী দলের পক্ষেই সাফাই দিয়ে আসছে। বিষয়টি যখন জনমনে তিক্ততার সৃষ্টি হয় তখনই নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের দাবী গণ-বিদ্রোহে রূপান্তিত হওয়ার সংবিধানে এ মর্মে সংশোধনী আনা হয়। তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে বি.এন.পি - আওয়ামী লীগ উভয় দলের নেতৃতাধীন জোট জয় লাভ করেছে। এ ছাড়াও তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনে “লেভেল প্লেইং ফিল্ড” এর একটি সামঞ্জস্য পরিলক্ষিত ছিল; কিন্তু এখন সে অবস্থা আর নাই। কারণ সরকারী দল তাদের ক্ষমতাকে পাকা পোক্ত করার জন্য “নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের” অধীনে নির্বাচনের পদ্ধতি সংবিধান থেকে মুছে ফেলেছে।

মানুষ প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে নিরব
তৈমূর আলম খন্দকার

মানুষ প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে নিরব

সৃর্ষ্টির সেরা মানুষ অনেক গুণাবলির অধিকারী হলেও, এটা ধ্রুব সত্য যে, মানব জনগোষ্ঠিীর একটি অংশ প্রতিহিংসা পরায়ন। গোটা বিশ্বেই প্রতিহিংসা চলছে; সুজল সুফলা বাংলাদেশ এতে পিছিয়ে নেই। পরিবার, সমাজ, রাজনীতি এমনকি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলিতেও প্রতিহিংসার চেহারা উম্মোচিত হয় বেদনাদায়কভাবে।

লাঙ্গলবন্দ ট্র্যাজেডি : প্রাসঙ্গিক জিজ্ঞাসা

লাঙ্গলবন্দ ট্র্যাজেডি : প্রাসঙ্গিক জিজ্ঞাসা

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী লাঙ্গলবন্দ সুপ্রাচীন কাল থেকে সানতন ধর্মাবলম্বীদের একটি তীর্থস্থান, যার আন্তর্জাতিক পরিচিত রয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, নেপাল, ভূটান, বার্মা পাশের রাষ্ট্র থেকে প্রতি বৎসর লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থীর সমাগম প্রতি বৎসর এখানে ঘটে। ধর্মীয় অনুভূতি ছাড়াও স্থানটির পর্যটন শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ যা বাস্তবায়নে ব্যর্থতায় নারায়ণগঞ্জবাসী হিসাবে আমি নিজেও দায় স্বীকার করেও বলছি যে-পূণ্যস্থানের জন্য স্থানটি নির্ধারিত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত এ ট্র্যাজেডি ছাড়া এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে নাই; যা শুধুমাত্র গুজব ভিত্তিক দুর্ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে সরকারের স্থানীয় প্রশাসন। এ সরকারের পক্ষে সবই সম্ভব তবে প্রেক্ষাপটে ১০ জনের মৃত্যু ও ৪০ জন আহত হওয়ার বিষয়টি স্রেফ দুর্ঘটনার আওতায় পড়ে না-এ জন্য যে এর সাথে দেশ/জাতির ভাবমূর্তি জড়িত। পদ্মা সেতু কেলেংকারী বা বিদেশীদের সংবর্ধনা ক্রেস্ট থেকে সোনাচুরির ঘটনার চেয়ে সরকারের ব্যর্থতার সম্পর্কে আন্তর্জাতিকভাবে এর কম গুরুত্ব বহন করবে না।

হারেনি বাংলাদেশ! আসুন বিজয় উৎসব করি

হারেনি বাংলাদেশ! আসুন বিজয় উৎসব করি

হরতাল অবরোধ আর নানা দু:খ কষ্টে চলছে বাঙালী জীবন। ১৬ কোটি বাংলাদেশির নিত্যদিনের কিছুটা হলেও দুঃখ ভোলায় বিশ্বকাপ ক্রিকেট। কোয়ার্টার ফাইনালে যোগ্যতা দিয়ে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। আর তাতে দেশজুড়ে যেন আনন্দেও বন্যা বয়ে যায়। বিশ্বকাপে ভাল খলছে বাংলাদেশ। অপ্রতিদ্বন্দ্বি ভারতের সাথেও ২০১৫ বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ১৯ ম্যাচের খেলায় বাংলাদেশ ভালো খেলছিলো কিন্তু নির্লজ্জ পক্ষপাতে বাংলাদেশ হেরে গেল। হারের চেয়ে এটাই বড় বেদনার যে হারিয়ে দেয়া হলো আমাদের। বাংলাদেশের রিক্সাওয়ালা থেকে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয়তেও পক্ষপাতের গন্ধ মেলে। রাজনৈতিক চরম ভেদাভেদেও মাঝেও সবাই এখন এ বিষয়টাতে যেন একমত। দেশজুড়ে চলছে সকল দলের, সকল শ্রেনী পেশার মানুষের বিক্ষোভ। ভারতের কাছে ১০৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। কিন্তু এই পরিসংখ্যান ১৬ কোটি বাংলাদেশির কাছে কয়েকটি মিথ্যা বানোয়াট সংখ্যা ছাড়া কিছুই নয়। 

“স্বাধীনতার মাসে জাতীয় পতাকা অবমাননা ক্ষমার অযোগ্য”

“স্বাধীনতার মাসে জাতীয় পতাকা অবমাননা ক্ষমার অযোগ্য”

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। একটি দেশের স্বাধীনতার জন্য এতো রক্ত দেয়ার ঘটনা আমার জানা নেই। সেই স্বাধীনতার মাসে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অবমাননা শুধু দু:সাহসই নয়, এটা ক্ষমার অযোগ্য। আর এই ক্ষমার অযোগ্য রাষ্ট্রদ্রোহী কাজটি হয়েছে এই নারায়ণগঞ্জে।

ভালো নেই নারায়ণগঞ্জবাসী

ভালো নেই নারায়ণগঞ্জবাসী

দেশে হরতাল-অবরোধের ৬০ দিন অতিবাহিত হলেও আমাদের দেশে রাজনীতিবিদদের বিশেষ করে দুই নেত্রীর এ নিয়ে কেন তেমন কোন মাথা ব্যাথা নেই। একজন চাচ্ছে ক্ষমতায় টিকে থাকতে, অন্যজন চাচ্ছে ক্ষমতায় আসতে। আর এই দুই নেত্রীর জেদাজেদীর কারণে দেশের ১৬ কোটি মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কেউ কাউকে ছাড়া দিতে রাজি নয়। সমঝোতায় আসার কোন লক্ষনই দেখা যাচ্ছে না। প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও পেট্রোল বোমা, অগ্নিসংযোগ, বোমাবাজী আর গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটিয়েই চলেছে। দুই নেত্রী সমঝোতায় না আসায়, নাশকতাকারীদের হাতে ইতিমধ্যেই ১শত ২০ জনের মতো নিরিহ মানুষ প্রাণ দিয়েছে। এ অবস্থা থেকে নারায়ণগঞ্জও রেহায় পায়নি। বরং নারায়ণগঞ্জে নাশকতার ঘটনা খুব যে একটা কম তা বলা যাবে না। সাধারন মানুষ এখন ভাল নেই।