নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ২৫ মামলার বেশীরভাগের বিচারকাজে ধীরগতি

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৫৮ পিএম, ৩ অক্টোবর ২০১৮ বুধবার



নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ২৫ মামলার বেশীরভাগের বিচারকাজে ধীরগতি

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত চাষাঢ়া আওয়ামীলীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনায় ২০ জন নিহতে দায়েরকৃত দু’টি মামলার বিচার কাজ শেষ হয়নি ১৭ বছরেও। আলোচিত মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা মামলার চার্জশীট অদ্যাবধি দাখিল হয়নি। নাট্যকার চঞ্চল, ছাত্রলীগ নেতা মিঠু, কনস্টেবল মফিজ, মুক্তিযোদ্ধা গফুর, স্কুলছাত্র ইমন, শোয়াইব, জাহিদ, সোনারগাঁয়ের ফোর মার্ডার, বালু ব্যবসায়ী রিপন হত্যা মামলা মামলার বিচারকাজ চলছে ধীরগতিতে। এছাড়া ১৫ বছর আগে সংঘটিত সোনারগাঁয়ের শিশু আমির হামজা ও বোন শ্রাবনী হত্যা এবং ১৭ বছরে আগে সংঘটিত ফতুল্লার খলিল হত্যা মামলার বিচারকাজ হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত আছে। নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হিসেবে মনিটরিং সেলে অর্ন্তভুক্ত হওয়া ২৫ টি মামলার দ্রুত নিস্পত্তি করতে রাষ্ট্রীয় আইন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলার চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা নিস্পত্তি সংক্রান্ত জেলা মনিটরিং সভায় এ তাগিদ দেয়া হয়।

১৭ বছরেও বিচার শেষ হয়নি চাষাঢ়া বোমা হামলা
২০০১ সালের ১৬ জুন নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া আওয়ামীলীগ অফিসে ভয়াবহ বোমা হামলায় ২০ জন নিহত ও ৭০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা দু’টি মামলা ঘটনার ৯ বছর পরে চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলা হিসেবে অর্ন্তভুক্ত হয়। এর ৩ বছর পরে ২০১৩ সালের ২ মে মামলাটির তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি মামলা দু’টির চার্জশীট আদালতে জমা দেন। পরে কয়েকদফা চার্জ গঠনের তারিখ পেছানো হয়। চার্জশীটভুক্ত ৬ জনের মধ্যে দুইজন আসামী হুজি নেতা মুফতি আবদুল হান্নান ও নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসী শাহাদাতউল্লাহ জুয়েল কারাগারে রয়েছেন। মোরসালিন ও মোত্তাকিম ভারতের কারাগারে, সিটি করপোরেশনের ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু জামিনে ও ওবায়দুল্লাহ নামের একজন পলাতক রয়েছেন। উক্ত মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ২৭ জন গ্রেফতার আছে। মাত্র একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি হলেন মামলার বাদি মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা।

স্থগিত ব্যবসায়ী ও শিশু হত্যার বিচার কাজ
২০০১ সালের ১৪ মার্চ নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ব্যবসায়ী খলিল হত্যা মামলায় আসামী ছিল ২৩ জন। ১৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে ২০০৬ সাল থেকে মামলাটি হাইকোর্টে স্থগিত আছে। অপরদিকে সোনারগাঁয়ের শিশু আমির হামজা ও তার বোন শ্রাবনী হত্যা মামলায় অপহরনকৃত তাদের মা রিনা আক্তারকে অদ্যাবধি উদ্ধার করা যায়নি। এজাহার নামীয় আসামী লিপি আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূল জবানবন্দী প্রদান করেছে। সন্দেহভাজন ৫ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। ২০১৩ সালের ২০ আগষ্ট আদালত অত্র মামলাটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত করেছেন।

এক যুগ পেরিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ও গৃহবধূ হত্যা মামলার বিচার কাজ
২০০৪ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমিন মহাজনের ছেলে মনির ও জাকির সন্ত্রাসী রেকমত ও তার বাহিনী দিয়ে মমতাজকে রাত্রে তার বাসা থেকে ডেকে নিয়ে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। ইতোমধ্যে মামলার চার্জশীট দাখিল ও গ্রহণ করা হয়েছে। আসামীর সংখ্যা ১৪ জন। এ পর্যন্ত ১৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তবে গত ধার্য্য তারিখে একজন স্বাক্ষী আদালতে হাজির হয়নি। অপরদিকে ২০০৪ সালে সোনারগাঁওয়ের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর হত্যা মামলাটির কার্য্যক্রম দীর্ঘদিন হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত ছিল। আসামীর সংখ্যা ১৮ জন। সম্প্রতি ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়ে বিচার শুরু হয়েছে।

আলোচিত ত্বকী হত্যা মামলার চার্জশীট দাখিল হয়নি সাড়ে ৫ বছরেও
২০১৩ সালের ৬ মার্চ অপহরণের পর ৮ মার্চ শহরের চারারগোপের কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ভেতরে শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা খালে মেধাবী ছাত্র তানভীর মুহাম্মদ ত্বকীর লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলাটি হাইকোর্টের নির্দেশে বর্তমানে র‌্যাব তদন্ত করছে। সন্দেহভাজন গ্রেফতারকৃত ৫ জনের মধ্যে ইতিমধ্যে দু’জন আসামী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। তবে অদ্যাবধি আদালতে চার্জশীট দাখিল করেনি তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

নাট্যকার চঞ্চলের পরিবার আজো জানে কি ছিল তার অপরাধ
২০১২ সালের ১৯ জুলাই শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর উপজেলার চর ধলেশ্বরী এলাকায় তরুন নাট্যকার দিদারুল ইসলাম চঞ্চলের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের কোন রহস্যই উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। নিহতের পরিবার আজো জানে না কি কারণে চঞ্চলকে হারাতে হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চার্জশীট দাখিল করেছেন। তবে নিহতের পরিবার নারাজী দিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার সিআইডি তদন্ত করছে।

দীর্ঘদিনেও শেষ হয়নি ৩ স্কুলছাত্র, ছাত্রলীগ নেতা, পুলিশ কনস্টেবলসহ অনেক মামলার বিচার কাজ
২০০৯ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের বন্ধকৃত মনোয়ারা জুট মিলের ভেতরে আরমান (১৪) হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে ৫ আসামী আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। মামলার আসামীরা সকলেই কিশোর অপরাধী। তারা হলো বাদশা (১৩), সমুন (১৪), ফারুক (১১), রবিন ওরফে শামীম (৯), আবু বকর ওরফে বক্কর (৯) ও বাবু (১০)। তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশীট দাখিল করেছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ২০১২ সালের ৭ জুন ১ কোটি টাকার বালুর ব্যবসার প্রজেক্টের দ্বন্দ্বের জের ধরে বালু ব্যবসায়ী রিপন মিয়াকে হত্যা করা হয়। মামলার আসামীরা হলো নিহতের ৩ ব্যবসায়িক পার্টনার জাকির হোসেন, দুদু মিয়া, সুরুজ্জামানসহ দুদু মিয়া, সুরুজ্জামান, অলিউল্লাহ, সাধন মিয়া, শহীদ, হারুন, ইসলাম, মিন্টু, ফয়জুল হক, রহমান, শামীম, শাহীন, রাসেল, পারভেজ। মামলাটি বর্তমানে ৪নং দ্রুত বিচার আদালত ঢাকাতে প্রেরণ করা হয়েছে। ২০১২ সালের ১৫ জুলাই দুপুরে গাবতলীর ছাত্রলীগ নেতা মিঠুকে কুপিয়ে হত্যা করে উজ্জল, জনি, চাচা খোকন, রফিক, শ্যামা, লিমন, পালসার রিপন ওরফে চাপা রিপন, বোয়াইল্যা শাহিন, নাতি সোহেল, হামিম, সিজার, লিটন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। একজন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গৃহীত হয়েছে। ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী সোনারগাঁওয়ের মাদ্রাসা ছাত্র সোয়াইব হোসেনকে অপহরণের পর চোখ উঠিয়ে, আঙ্গুল কেটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যা করা হয়। অপহরণের ৬ দিন পরে সোয়াইবের লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলায় ১২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। যার মধ্যে ৭ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে এবং একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন আছে। ২০১৩ সালের ২০ এপ্রিল সোনারগাঁওয়ের পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের স্ত্রী ও শ্যালকসহ চাঞ্চল্যকর ফোর মার্ডারের মামলা। মামলার তৎকালীন তদন্তকারী অফিসার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৬ জনকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে ৫ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। মামলাটি বর্তমানে জেলা জজ আদালতে বিচারাধীন। ২০১৩ সালের ১৩ জুন ফতুল্লার দুর্গম চরাঞ্চল বক্তাবলী এলাকায় স্কুল ছাত্র ইমন হোসেনকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নৃশংসভাবে ৯ টুকরো করে হত্যাকান্ডের ৯ দিন পরে ২২ জুন ধইঞ্চা খেত থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। মামলাটি বিচারধীন রয়েছে। ২০১৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগর এলাকা থেকে অপহৃত হন জেলা পুলিশের কনস্টেবল মফিজউদ্দিন। তার নিখোঁজের ঘটনায় দায়েরকৃত জিডির সূত্রধরে ডিবি পুলিশের এসআই আব্দুল আউয়াল এক আসামীকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন তার লাশটি কুমিল্লা জেলার এক স্থানে ফেলে দিয়েছিল খুনীরা। পরে অজ্ঞাত হিসেবে লাশ দাফন করা হয়েছে। ওই মামলায় ইতিমধ্যে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়েছে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারী সোনারগাঁওয়ের স্কুল ছাত্র জাহিদুল ইসলামকে অপহরণ করে মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করে খুনীরা। পরে ২২ জানুয়ারী জাহিদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০১৪ সালের ১ ডিসেম্বর দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ কর্মী আমজাদ নিহতের ঘটনায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ ও আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবুসহ বিএনপির ৪৮ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী বিলকিস বেগম নিলু। তদন্তকারী কর্মকর্তা এজাহারনামীয় ৩২ জনসহ ৩৩ জনের নামে চার্জশীট দাখিল করেছেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরকামালদি এলাকার বালুর মাঠে গত ২০১৫ সালের ১১ মে রাতে আড়াইহাজার উপজেলার ‘ফকির ফ্যাশন’ গার্মেন্টের শ্রমিকেরা যাত্রীবাহি বাসযোগে ফেরার পথে অন্য শ্রমিকরা তাদের গন্তব্যে নেমে যাওয়ার পর বাসের চালক, হেলপার ও এক সহযোগী মিলে এক নারী শ্রমিককে গণধর্ষণ করে। পরে ওই নারী শ্রমিককে অচেতন অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায় ধর্ষকেরা। গ্রেপ্তারকৃত চালক চান্দু ও হেলপার রুবেল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা চালক ও হেলপার এবং আতিকুল এই ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশীট দিয়েছে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে বিচারাধীন।

জঙ্গী ও নাশকতার ৬ মামলার বিচার কাজেও ধীরগতি
২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর র‌্যাব-১১ এর একটি টিম রূপগঞ্জের আরিয়াবো এলাকা থেকে ১টি রিভলবার ও ১ টি কার্তুজ, ৮টি গ্রেনেড, ১১টি গ্রেনেড বডি, ২০টি ডেটোনেটর, ১৫টি ঘড়ির ব্যাটারীসহ অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারসহ দুই জেএমবি সদস্য মেহেদী হাসান ওরফে আবির ওরফে তানভীর ওরফে মুসফিক ও জহুরুল ইসলাম ওরফে জহির ওরফে বাদলকে গ্রেফতার করে। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।২০১৩ সালের ৬ মে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে হেফাজতের কর্মীদের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনায় সোনারগাঁও এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ১৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। ওই সময় দুই বিজিবি, দুই পুলিশসহ ১৯ জন নিহত হয়েছিল। যার মধ্যে ৪টি মামলা চাঞ্চল্যকর মামলার তালিকায় অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। যার সবগুলোই আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারী অবরোধ চলাকালে নাশকতার উদ্দেশ্যে পাউরুটির প্যাকেটে অভিনব কায়দায় গান পাউডার বহন করছিল আবু সাঈদ (৩০) ও হাইউন মিয়া (২৮) নামের দুই যুবক। নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া এলাকা থেকে ৪০০ গ্রাম গান পাউডার সহ দুই যুবককে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা রাজধানী ঢাকার শান্তিনগরের হাবিবুল্লাহ বাহার ডিগ্রী কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তারা খিলগাও গোরান এলাকার বাসিন্দা। মামলাটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এসএম ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মনিটরিং সেলের কার্য্যক্রম অত্যন্ত সন্তোষজনক। কমিটির তৎপরতায় এ সেলের তালিকাভুক্ত মামলা সমূহের রায়ে বিগত ৪ বছরে ৬০ জন আসামীকে ফাঁসি ও যাবজ্জীবন সহ বিভিন্ন দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। বিচার কাজে ধীরগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেক মামলার আসামী অনেক বেশী হওয়া এবং অনেক গ্রেফতার না হওয়ার কারণে বিচারকাজে কিছুটা ধীরগতি দেখা দেয়। তবে আমরা চেষ্টা করলো চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোকে দ্রুত নিস্পত্তি করতে।


বিভাগ : আইন আদালত


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও