৬ আষাঢ় ১৪২৫, বুধবার ২০ জুন ২০১৮ , ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

নারায়ণগঞ্জে শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা দর্জিপাড়ায়


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:১৮ পিএম, ১১ জুন ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০৮:২০ পিএম, ১১ জুন ২০১৮ সোমবার


ফাইল

ফাইল

ঈদ মানেই খুশি, ঈদ মানেই আনন্দ। আর এই ঈদকে কেন্দ্র করে তাই ছোট বড় নারী পুরুষ সকলেই চাই নতুন পোশাক। পোশাকে ভিন্নতা আনতে আমাদের অনেকেই কাপড় কিনে তা দর্জির মাধ্যমে বানিয়ে নেই। এখন প্রস্তুত করা কাপড়ের বিক্রি দিন দিন বাড়লেও আমাদের আশেপাশের সবার থেকে আলাদা ধরনের কাপড় তৈরিতে দর্জিবাড়ির বিকল্প নেই। বিশেষ অরে নারীরা তাদের পছন্দের ডিজাইনের কাপড় তৈরি করেন এই দর্জিবাড়িতেই। ঈদকে সামনে রেখে এখন সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন এই দর্জিরা।

শহরের বিভিন্ন এলাকা ও মার্কেটের দর্জির দোকানগুলোতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। দর্জিরা নানা আঙ্গিকে গ্রাহকদের দেয়া ডিজাইনে তৈরি করছেন নতুন নতুন জামা কাপড়। কাপড়টা যেহেতু ঈদের তাই যেন কোনভাবেই নষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে প্রস্তুত করছেন তারা। ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়তি মজুরিই নিচ্ছেন তারা।

দর্জিকাজের জন্য খ্যাত শহরের কালিরবাজার ও ডিআইটির বিভিন্ন টেইলার্স ঘুরে দেখা গেছে, কাপড় তৈরির কারিগরদের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। এ ব্যস্ততা চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত।

এ ব্যাপারে শহরের কালিরবাজারের টেইলার্সের মাস্টার হান্নান সরকার বলেন, ঈদ সামনে রেখে দিনরাত ১৬ থেকে প্রায় ২০ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে হয় তাদের। তবে এবার ঈদ উপলক্ষে লং কামিজ, জিপসি, কোণা কাটা, আনার কলি, বাইশ কলি ডিজাইন নামে জামার কাপড়ের চাহিদা বেশি। রয়েছে ছেলেদের বিভিন্ন পোশাকও। অন্যবারের তুলনায় এবার কাজের চাপও বেশি।

সেলাইয়ের ধরন ও নকশার ভিন্নতার জন্য দর্জির দোকানগুলোতে পোশাকের মজুরি হয়ে থাকে ভিন্ন ভিন্ন। লং কামিজ বানাতে খরচ পড়ছে এবার ৩৫০ থেকে ৮০০, সালোয়ার সহ ডাবল কামিজ ৭০০ থেকে ১৫০০, আনারকলি বানাতে খরচ পড়ছে ৯০০ থেকে ১৭০০, ফ্রক কাটের সালোয়ার-কামিজে খরচ ৮০০ থেকে ১৪০০, সুতি কাপড়ের সালোয়ার-কামিজের খরচ ৪০০ থেকে ৯০০ এবং ব্লাউজ ডিজাইনভেদে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে স্থান এবং ডিজাইনের ভিন্নতার জন্য খরচের পরিমাণ কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

ছেলেদের পাঞ্জাবি বানাতে খরচ পড়ছে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকা। পায়জামার জন্য দিতে হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৫০০। শার্টে খরচ হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০। প্যান্ট ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা। কমপ্লিট স্যুট চার হাজার থেকে আট হাজার টাকা। আর শুধু স্যুট বানাতে মজুরি লাগবে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মতো।

শেষ মুহূর্তে এখন তাই অনেকেই আগের কাজ শেষ করে চেষ্টা করছেন নতুন করে কিছু কাজ নিয়ে বাড়তি টাকা আয়ের। তবে আগের কাজগুলোই এখনো পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি দোকানি ও কারিগররা।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

অর্থনীতি -এর সর্বশেষ