শীতলক্ষ্যার তীরে গুড়িয়ে দেয়া হলো ডকইয়ার্ড সহ অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৫:০০ পিএম, ৩০ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার

শীতলক্ষ্যার তীরে গুড়িয়ে দেয়া হলো ডকইয়ার্ড সহ অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে তৃতীয় দফায় দ্বিতীয় দিনের অভিযানে ৪টি ডকইয়ার্ড (আংশিক), ১টি দ্বিতল ভবন, ৪টি একতলা ভবন, সিরামিক কারখানা, বালুর গদি, দোকানসহ অর্ধশত অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর কতৃর্পক্ষ।

মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট দিপ্তীময়ী জামানের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পূর্বগ্রাম এলাকায় শীতলক্ষ্যার পশ্চিম তীরে এ উচ্ছেদ অভিযান চালায় সংস্থাটি।

উচ্ছেদ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক (বন্দর) শফিকুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মো. গুলজার আলী এবং উপ-পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ, মেডিকেল অফিসার জাকিরুল হাসান ফারুক, সহকারী মুন্সি আব্দুর রব সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

এসময় তানহা ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা, মায়ের পরশ ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা, জাকির ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা, মালেক ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা, আলামিন ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা, রহিম ডকইয়ার্ডকে ১ লাখ টাকা, শাহীন ডকইয়ার্ডকে এক লাখ টাকা সহ সর্বমোট ৯টি ডকইয়ার্ডকে ৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দকৃত বালু ও পাথর নিলামে ৯৬ হাজার টাকা বিক্রি করা হয়।

উচ্ছেদ অভিযানে একটি বড় ভেকু ও দুটি টাগবোট ব্যবহার সহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ, আনসার বাহিনীর সদস্য ও উচ্ছেদ কর্মী অংশ নেন।

বিআইডব্লিউটিএ যুগ্ম পরিচালক গুলজার আলী জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশে নদী থেকে ১৫০ ফুট সীমানা পুন: নির্ধারণ করে সে অনুযায়ী এর অভ্যন্তরে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যার তীরে ৩০টি ডকইয়ার্ডের মধ্যে ২০টিরই লাইসেন্স নাই। আমরা কয়েকটি উচ্ছেদ করেছি। বাকীগুলোকে ১৫ দিনের সময় দেয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্তিময়ী জামান জানান, নদী অবৈধ দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হবে।


বিভাগ : অর্থনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও