ঈদের পর অস্থিরতা কাঁচাবাজারে

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৬:০৯ পিএম, ৬ জুন ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ঈদের পর অস্থিরতা কাঁচাবাজারে

ঈদের পরের দিন অস্থিরতা দেখা গেছে কাঁচাবাজারে। নারায়ণগঞ্জের দিগুবাবুর বাজারসহ প্রায় সকল বাজারেই এমন অস্থিরতা দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার ঈদের দ্বিতীয় দিন সরেজমিনে বাজারে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। সকাল থেকেই শাক সবজিসহ সব ধরনের কাঁচা বাজার দেখা গেছে চড়া মুল্যে বিক্রি করতে।

ব্যবসায়ীরা জানান, নিত্যপণ্যের বাজার জমে উঠতে আরো দুই তিন দিন লাগবে। ঈদের ছুটিতে শহর ছেড়েছেন মানুষ। শুক্র ও শনিবার ঈদের ছুটি শেষে গ্রামমুখী মানুষ শহরমুখী হলে আবার জমে উঠবে নিত্যপণ্যের বাজার। তার আগপর্যন্ত চলবে ঢিমেতালে। পুরোপুরি লোকজন না ফেরা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা ও জোগান কোনোটি স্বাভাবিক হবে না বলে জানান তারা।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদের আগে একচেটিয়া দাম বেড়েছিল বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের। রমজানের আগে ও রমজান মাসেও দাম বেড়েছিল কয়েক দফায়। যার মধ্যে ছিল বেগুন, শশা, পেঁপে, মাংস, মশলা থেকে শুরু করে রমজান ও ঈদে বাড়তি চাহিদায় থাকা বিভিন্ন পণ্য।

বাজার ও মানভেদে সব ধরনের সবজি পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে। বেশি দামের সবজি রয়েছে শুধু বেগুন ও লাউ। ভালোমানের প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। প্রতিকেজি আলু ২০ টাকা, কচুরলতি ৪০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, পটল ৩০ টাকা, বরবটি ৪০, কাঁকরোল ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা। এছাড়া ঝিঙা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, শশা ৩০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, লেবু হালি মান ভেদে ২০ থেকে ৪০ টাকা।

সজনে ডাটা ৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লাউ শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, লাল শাক, পালং শাক ১০ থেকে ২০ টাকা, পুঁই শাক ও ডাটা শাক ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আগের দামেই প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি দরে। আর আদা ও রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১২০ টাকা দরে।

বাজারের সবজি বিক্রেতা রহিম বলেন, বাজারে ক্রেতা নেই। তাই সবজিও নেই। ক্রেতা না থাকলে সবজি এনে কি করবো? ‘অল্প আনি অল্প বিক্রি করি। লোকজন আসুক, তখন বাজারের কাস্টমারও থাকবো, আমগো দোকানে সবজিতে ভরা থাকবো। আগামী রোববার থেকে বাজারগুলো জমে উঠবে বলে,’ মনে করেন তিনি।

আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল ও অন্যান্য মুদিপণ্যের দাম। বাজারে প্রতি নাজির ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। মিনিকেট চাল ৫৫ থেকে ৫২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। স্বর্ণা ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, বিআর ২৮নম্বর ৩৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা, লবণ ৩০ থেকে ৩৫, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা। প্রতি কেজি খোলা আটা ২৭ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকা, খোলা ময়দা ২৮ টাকা, প্যাকেট ৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি খেসারি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। আর মসুর ডাল ১০০ থেকে ১১০ টাকা ও বুট ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ।


বিভাগ : অর্থনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও