ভূটান থেকে নারায়ণগঞ্জে এসেছে পাথরবাহী জাহাজ

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৭:০৫ পিএম, ১৮ জুলাই ২০১৯ বৃহস্পতিবার

ভূটান থেকে নারায়ণগঞ্জে এসেছে পাথরবাহী জাহাজ

ভূটান থেকে ভারত হয়ে নদীপথে বাংলাদেশে এবার পাথর আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মত মঙ্গলবার ভারতীয় একটি পাথরবাহী জাহাজ বাংলাদেশে এসে পৌছেছে। আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ, ভারত ও ভূটান ট্রেডের যাত্রা শুরু হলো। ভারতের আসামের ধুবরি এলাকা থেকে ১৬০ কিলোমিটার দূরে ভূটানের ফুয়েন্টশোলিং থেকে ট্রাকে করে পাথর আনা হয়। পরে ধুবরি থেকে এমবি এএসআই নামের জাহাজ ওই পাথর নিয়ে যাত্রা শুরু করে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর দিয়ে নারায়ণগঞ্জে সোনারগাঁয়ে মেঘনা ঘাট এলাকাতে বসুন্ধরা জেটিতে পৌছায়। জাহাজটি এক হাজার মেট্রিকটন পাথর পরিবহন করছে যা স্থলপথে পরিবহন করতে ৫০টিরও বেশি ট্রাক প্রয়োজন।

এ উপল্যক্ষ্য বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় মেঘনায় বাংলাদেশ, ভারত, ভূটান ও বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ফিতা কেটে এ ট্রেডের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর এম মাহবুব উল ইসলাম বলেন, এটি আমাদের যোগাযোগ বৃদ্ধি করবে। দেশেগুলোর বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়াবে এবং আমাদের জাতিগত সংযোগ ও সম্পর্ক বাড়াতে সহায়তা করবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আমাদের স্বাধীনতার পর আবারো এই নদীপথের ট্রানজিট সুবিধা চালু হয়েছিল। নদীপথের মাধ্যমে আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানো ও আমাদের মধ্যাকার সম্পর্কের উন্নতি সম্ভব।

তিনি বলেন, আমরা বিশ্বের তৃতীয় দ্রুত উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় আছি বর্তমান সরকারের সময়। আমাদের বর্তমান লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে উন্নিত হওয়া। বিআইডব্লিউটিএ নদী ড্রেজিং করছে ফলে নদীপথে কার্গো আমদানিতে আমাদের সমস্যা নেই। আমরা আশুগঞ্জ চিলমারী ও অন্যান্য পোর্ট উন্নয়নে বিশেষভাবে কাজ করছি। ত্রিপুরা থেকে কার্গো আশুগঞ্জ আসতে কোন সমস্যা হচ্ছেনা আমরা সাগরপথ ও গোমতী নদীতে আমাদের কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের নদীপথের উন্নয়নে বিলিয়ন ডলার খরচ করা হচ্ছে।

ভারতের হাই কমিশনার শ্রীমতী রীভা গাঙ্গুলি দাশ বলেন, ভূটান থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে নদীপথে পাথর আমদানি দেশ তিনটির ট্রেডের এক নবসূচনা। এতে তিন দেশের সম্পর্কে আরো উন্নতি ঘটবে।

ভূটানের রাষ্ট্রদূত সোনম টি রাবগি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি ঘটবে। এতে ভারত ভূটান ও বাংলাদেশ একদিকে উপকৃত হবে অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের উন্নতি হবে। এতে পরিবহন ও অন্যান্য খরচও কমবে। নদীপথে পরিবহন একটি পরিবেশবান্ধব উপায়ও।


বিভাগ : অর্থনীতি


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও