নরপিচাশদের লালসার শিকার স্কুলছাত্রীরা

১ ভাদ্র ১৪২৫, শুক্রবার ১৭ আগস্ট ২০১৮ , ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ

নরপিচাশদের লালসার শিকার স্কুলছাত্রীরা


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:১৫ পিএম, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সোমবার | আপডেট: ০৩:১৫ পিএম, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সোমবার


নরপিচাশদের লালসার শিকার স্কুলছাত্রীরা

নারায়ণগঞ্জে গত কয়েক মাসে নৃশংসতার শিকার হয়েছে তিন স্কুল ছাত্রী। নরপিচাশদের লালসায় নৃশংসভাবে বলি হচ্ছে অবুঝ শিশুরা। গত তিন মাসেই নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের শিকার তিন স্কুলছাত্রীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ধর্ষকরা। এতে করে নারায়ণগঞ্জে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। গত তিন মাসের ব্যবধানে ফতুল্লায় মোনালিসা, সিদ্ধিরগঞ্জে রোকসানা ও রূপগঞ্জে প্রিয়াংকাকে নির্মম বলির শিকার হতে হয়েছে।

জানা গেছে, ২ ফেব্রুয়ারী সদর উপজেলার ফতুল্লার কাশিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম দেওভোগ বাংলা বাজার বড় আমবাগান এলাকার ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্রী মোনালিসা আক্তারের (১২) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। এতে একজন প্রবাসীকে আসামী করা হয়েছে যার বিরুদ্ধে মোনালিসাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার পর বাড়ির পাশের দেয়ালে মোনালিসার রক্ত দিয়ে নামও লিখে দিয়ে যায় ওই আসামী। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওই প্রবাসী পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত মোনালিসা স্থানীয় হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, মোনালিসাকে ধর্ষণের পর শ^াসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘাতক মোনালিসার রক্ত দিয়ে পাশের বাড়ির একটি দেয়ালে তার নাম লিখে গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলায় শাহীন বেপারীর প্রতিবেশী পাশের বাড়ির ইকবাল হোসেনের ছেলে সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী সাইদ মিয়াকে (৩০) আসামী করা হয়েছে। সাইদ ঘটনার পর তার স্ত্রী ইভাকে (২৫) একই এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে রেখে আত্মগোপন করে। সাইদকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে।

২৬ জানুয়ারী দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাইকারটেক ব্রীজের ঢাল থেকে মুখে স্কচটেপ পেচানো, হাত পা দড়ি দিয়ে বাঁধা বস্তাবন্দী অবস্থায় রোকসানার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৯ জানুয়ারী সকালে গ্রেফতারকৃত ধর্ষক রায়হান কবির সোহাগ (২৮) জানায়, স্কুল ছাত্রী রোকসানা আক্তারকে (১০) অপহরণের পর ধর্ষণের সময়ে চিৎকার করায় শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ বস্তায় ভরে ফেলে দেয়া হয়। ২৯ জানুয়ারী দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ (ক সার্কেল) মো. শরফ্ুিদ্দন প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সোহাগকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। সোহাগ জানিয়েছে তার প্রথম স্ত্রী সন্তান সহ কুমিল্লায় থাকে। দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনা ইসলাম পাখি আক্তারের সঙ্গে রোকসানার বড় বোন আরমিনা আক্তারের পূর্ব পরিচয় ছিল। সে সূত্র ধরেই দুই বাড়িতে তাদের যাওয়া আসা ছিল। তখন থেকেই রোকসানাকে টার্গেট করে সোহাগ।

পরে ২৩ জানুয়ারী রোকসানার বাড়ির সামনে থেকে তাকে বেড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় সোহাগ। রাতে বন্দরের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই সময়ে রোকসানা বাধা দেয় ও চিৎকার করলে তার গলায় পাড়া দিয়ে ঘরের মেঝের সঙ্গে চেপে ধরলে সে মারা যায়। মৃত্যু নিশ্চিত হলে রোকসানার হাত পা দড়ি দিয়ে বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে লাশ বস্তায় ভরে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় করে ২৪ জানুয়ারী সোনারগাঁয়ের কাইকারটেক ব্রীজের নিচে ফেলে দেয় সোহাগ। সেদিন রোকসানার বাবা আশরাফুল ইসলাম বাদী হয়ে জিডি করেছিল।

৮ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে প্রেমিকসহ তার সহযোগীরা দশম শ্রেনির এক স্কুল শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। মারুফ হোসেন মুন্না নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  গ্রেফতারকৃত মারুফ হোসেন মুন্না উপজেলার মদিনাবাগ কান্দাপাড়া এলাকার মৃত জাহাঙ্গীরের ছেলে।

ওই শিক্ষার্থী জানান, গত ৬ মাস ধরে মাসাব এলাকার শহীদুল ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিছুদিন পর ওই শিক্ষার্থী শহীদুলের প্রেমের প্রস্তাবে রাজী হয়ে যায়। গত ৬ জানুয়ারী তাকে প্রেমিক শহিদুল তেতলাবো বাজারে এসে তার সঙ্গে দেখা করতে বলে। ওই দিন সন্ধ্যায় তেতঁলাবো বাজারে পৌছাঁলে প্রেমিক শহীদুল ও তার সহযোগী কাউসার, জয়, শাওন একটি অটো গাড়িতে করে তাকে উঠিয়ে নিয়ে কান্দাপাড়া মারুফ হোসেন মুন্নার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় পুলিশ মারুফ হোসেন মুন্নাকে কান্দাপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

৫ নভেম্বর সকালে বরাব কবরস্থান এলাকার দুই বাড়ির সীমানা প্রাচীরের পানির ড্রেনে জেএসসি পরিক্ষার্থী প্রিয়াংকার জবাই করা লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় প্রিয়াংকার বাবা মহিউদ্দিন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১৮ নভেম্বর দুপুরে প্রিয়াংকা হত্যারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আয়েত ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রধান শিক্ষিকা হোসেনে আরা পারভীন, সহকারী শিক্ষিক কৃঞ্চপদ সাহা, ক্রীড়া শিক্ষক লুৎফর রহমান, রামকৃঞ্চন বাবু, টিপু মোল্লা, আবু হানিফ, তাইজুদ্দিন, শহিদুল ইসলাম, আকতারুজ্জামান, স্কুল কমিটির সদস্য কবির মোল্লা, রিয়াজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর, খোকা প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রিয়াংকা একজন ভালো ছাত্রী ছিলো। সকল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রিয়াংকা লেখা-পড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও ব্যস্ত সময় পার করতো। নরপিচাশের মতো যারা এ ধরনের হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই। এছাড়া বাড়ির মালিক ফারজানা বেগমকেও অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। বাবা মহিউদ্দিন, মা নাছিমা, বোন আমেনাসহ পরিবারের সদস্যদের দাবি, যারা প্রিয়াংকাকে নির্মম ভাবে হত্যা করেছে, তাদের অবিলম্বে ফাঁসি দিতে হবে। তাহলেই প্রিয়াংকার আত্মা শান্তি পাবে।

নিহত প্রিয়াংকা উপজেলার বরাব এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী মহিউদ্দিনের মেয়ে। প্রিয়াংকা স্থানীয় হাজী আয়েত আলী ভুইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মহিউদ্দিন পরিবার নিয়ে বরাব এলাকার ফারজানা বেগমের বাড়িতে বসবাস করতেন।

প্রাইভেট পড়ে আসার পথে জেএসসি পরিক্ষার্থী প্রিয়াংকাকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর জবাই করে হত্যা করেছে বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত হাসান। অন্য একটি স্থানে ধর্ষণের পর হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়ে হত্যাকান্ডটি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে বরাব কবরস্থান এলাকার দুই বাড়ির সীমানা প্রাচীরের পানির ড্রেনে লাশ ফেলে রাখা হয়।এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে ৪ জন। ৪ জনের মধ্যে শহিদুল্লাহ ডাকাত, হাসান ও উদরুতউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সুজন নামে আরো এক জন পলাতক রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল্লাহ ডাকাত ও হাসানের বাড়ি বরাব এলাকায় এবং  উদরুতউল্লাহ’র বাড়ি খাদুন এলাকায়।

২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বন্দরে কিশোরী মুনমুনকে গণধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। জানা গেছে, বন্দর চৌড়াপাড়া এলাকার মানসিক প্রতিবন্ধী মুনমুনের সাথে একই এলাকার মিন্টু মিয়ার ছেলে রাসেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মুনমুন রাসেলকে প্রায়ই বিয়ের কথা বলতো। কিন্তু রাসেল মুনমুনকে বিয়ে করতে চাইতো না। মুনমুন বেশ কয়েকবার রাসেলকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করেছে। এতে রাসেল ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে ওঠে এবং মুনমুনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরে ২০১৭ সালের ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাসেলের বন্ধু নেছারের মাধ্যমে মুনমুনকে চিত্তরঞ্জন ঘাটে নিয়ে আসে। ঘাটে আগে থেকেই রাসেল, সাইফুল এবং রাহুল উপস্থিত ছিলো। পরে তারা একটি নৌকা ভাড়া করে নদীতে ঘুরতে যায়। নৌকায় রাসেল, নেছার,সাইফু ও রাহুল মুনমুনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের এক পর্যায়ে মুনমুন অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তারা মুনমুনকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে লাশ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনার পরদিন ১৮ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে লাশ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় গত বছরের ১৮ এপ্রিল পুলিশ বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলার আসামীরা হলো বন্দর চৌড়াপাড়া এলাকার মৃত মহিউদ্দিন ওরফে মফিজের ছেলে নেছার আলী (৫২), আরামবাগ এলাকার  মৃত হোসেন প্রধানের ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম (২২), চৌরাপাড়া এলাকার মিন্টুর ছেলে মো: রাসেল মিয়া (২০) এবং হুমায়ূন কবিরের ছেলে রাহুল (২৪)।

গত বছরের ১৬ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের জামপুর ইউনিয়নের একটি প্রাইমারী স্কুলের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একই স্কুলের দপ্তরি স্বপনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ওই স্কুল ছাত্রীর মা। এর কয়েকদিন আগে স্কুলটির টয়লেটে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা বিচারের আশ্বাসের দুদিন পেরিয়ে গেলেও কোন সুরহা করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন ওই ছাত্রীর পরিবার। ঘটনার পর থেকে ওই দপ্তরী স্বপন পলাতক রয়েছে।  দপ্তরী স্বপন জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও উটমা গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল্লাহ’র ছেলে।

৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী টাগারপাড় এলাকায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে স্কুল ছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ধর্ষকের সহযোগি সাইফুল ইসলাম রাসেলকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত রাসেল গাবতলী টাগারপাড় এলাকার হাজী সালাউদ্দিনের ছেলে। ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বড় ভাই মামলার বাদী জানান, তার ছোট বোন স্থানীয় একটি স্কুলের ৯ম শ্রেনির ছাত্রী। বুধবার বিকেলে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা খালাতো ভাইকে তার ছোট বোনকে রাস্তায় পৌছে দেওয়ার সময়ে গাবতলী টাগারপাড়ের তাইজুল হক বেপারীর ছেলে মকবুলসহ তার সহযোগি রাসেল, গাফফার, আসিফ, মুন্না সহ অজ্ঞাতনামা আরো ২/৩ জন মিলে স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে রাসেলের ভাড়াটিয়া বাড়ি বকবুলের বাসায় নিয়ে আটক করে। পরে সকল সহযোগিরা বাসার বাইরে অবস্থান করে পাহারা দেয় এবং বখাটে বকবুল পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে স্কুল ছাত্রীকে আহত অবস্থায় ফেলে সবাই চলে যায়। এসময় স্কুল ছাত্রীর চিৎকারে ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া এক নারী উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০শ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে খবর দেয়।

৯ জুন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় স্কুল ছাত্রী রুমি আক্তার হত্যার ঘটনায় ঘাতক প্রেমিক আজিজুল হককে গ্রেফতারের পর আদালত থেকে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। কোর্ট পুলিশের এসআই কাউছার আহমেদ রিমান্ড শুনানীর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এনামুল হকের আবেদনে আদালত আসামীর উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানী করেছেন। নিহত রুমি ব্রাক্ষন্দী পশ্চিম পাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলীর মেয়ে। অপরদিকে প্রতারক প্রেমিক আজিজুল হক (২৪) একই উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী মধ্যপাড়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

শিক্ষাঙ্গন -এর সর্বশেষ