২ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, শুক্রবার ১৬ নভেম্বর ২০১৮ , ১০:৩৯ অপরাহ্ণ

rabbhaban

কমর আলী স্কুল

যুদ্ধ করেও মিলেনি স্মার্ট কার্ড! (ভিডিও)


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:১২ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার


যুদ্ধ করেও মিলেনি স্মার্ট কার্ড! (ভিডিও)

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার সস্তাপুরে কমর আলী স্কুলে স্মার্ট কার্ড নিতে রীতিমত যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয় লোকজনদের। দীর্ঘ লাইনের পাশাপাশি ১৪ ফুট দেয়াল ডিঙ্গিয়ে অনেককে প্রবেশ করতে হয় স্কুলের ভেতরে। তবে অনেকের কার্ড না আসায় তাদেরকে পোহাতে হয় নিস্ফল একটি কষ্ট।

মঙ্গলবার ৪ সেপ্টেম্বর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কমর আলী স্কুল থেকে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার গজ দূর পর্যন্ত লাইনের শেষ চলে গেছে। লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রত্যেকের মুখে স্মার্ট কার্ড পাওয়ার হাসি দেখা গেছে। অনেকেই লাইন ছেড়ে স্কুলের প্রায় ১৪ ফুট দেয়াল ডিঙ্গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে আগে কার্ড গ্রহণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। এছাড়া হৈ হুল্লোড় ছিলো কিছুক্ষণ পরপরই।

ইসদাইর এলাকার খোকন মিয়া জানান, আমি নারায়ণগঞ্জ শহরের নিতাইগঞ্জে চাল ডালের ব্যবসা করি। ৯টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। এজন্য সকাল ৭টায় এসে কমর আলী স্কুলের প্রায় তিন হাজার গজ দূরে লাইনের শেষ মাথা পেয়ে দাড়িয়েছি। এ লাইন ধরে ১১টায় এসে পূর্বের ভোটার কার্ড দিয়ে স্মার্ট কার্ড গ্রহনের জন্য নাম্বার এন্টি করিয়েছি। সেখান থেকে একটি কাগজে স্মাট কার্ড গ্রহণের জন্য ৩ নাম্বার কক্ষ লেখে দেয়া হয়। এরমধ্যে চোঁখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও দশ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে সেই কক্ষে যেতে আরেকটি লাইন ধরতে হয়। এ লাইনে আরো এক ঘণ্টা দাড়িয়ে ছিলাম। এরপর কাঙ্খিত সেই কক্ষের কাছে গিয়ে পূর্বের ভোটার আইডি কার্ডের সঙ্গে পিন লাগানো শ্লিপটি দিলাম। কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থাকার পর ওই শ্লিপটিতে লিখে দেয়া হলো আপনার কার্ড আসেনি দুই মাস পর আসেন।

ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার আবু তাহের জানান, দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে কার্ড হাতে পেলেও কেন্দ্রের সামনে টেবিল নিয়ে দাড়িয়ে থাকা লোকজন তাদের কাছে ডেকে নিয়ে বলছে নির্বাচন অফিস থেকে বলেছে ৬০ টাকা দিয়ে কার্ড রাখার বক্স আমাদের কাছ থেকে নিয়ে যেতে। যদি এ বক্সের জন্য আপনার কার্ড নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এর জন্য আপনাকে জড়িমানা গুনতে হবে। এধরনের ভয় ভীতি দেখিয়ে জোড় করে ধরিয়ে দিচ্ছে বক্স। আবু তাহের ও খোকনের মত আরো অনেকেই এধনের অভিযোগ করেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মমিন মিয়া জানান, অনেকেই দুইবার ভোটার হয়েছে। আবার অনেকেই স্থান পরিবর্তন করেছে। এসব কারণে যাদের স্মাট কার্ড ছাপা হয়নি তাদের সময় দিয়ে দেয়া হচ্ছে। আমরা পরবর্তীতে তাদের সমস্যা সমাধান করে স্মাট কার্ড পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিবো। কার্ড রাখার বক্স বিক্রেতাদের বিষয়ে তিনি বলেন, যারা কেন্দ্রের মধ্যে কার্ড রাখার বক্স বিক্রি করছে তারা স্থানীয় গরীব মানুষ। এজন্য তাদের কিছুই বলা হয়নি।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

শিক্ষাঙ্গন -এর সর্বশেষ