৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, শুক্রবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ , ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

সেই ডেভিডের মৃত্যুর ১৩ বছর


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:০৬ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ০৩:০৬ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ বৃহস্পতিবার


সেই ডেভিডের মৃত্যুর ১৩ বছর

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত যুবদল নেতা মমিনউল্লাহ ডেভিডের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৪ নভেম্বর শুক্রবার। এক সময়ের আলোচিত সমালোচিত ও আলোচিত ক্যাডার মমিনউল্লাহ ডেভিডকে অনেকেই ভুলে গেছে। কিন্তু এ ডেভিডকে দিয়েই একসময়ে নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগকে প্রতিহত করতো বিএনপি-শহরে এমন খবর চাউর রয়েছে অনেক আগে থেকেই। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময়ে নারায়ণগঞ্জ শহরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের বেশীরভাগ সময়ে বিএনপির নেতৃত্বে ছিলেন ডেভিড।

২০০৪ সালের ২৪ নভেম্বর রাতে ঢাকার মালিবাগ কমিউনিটি সেন্টারে সামনে ডেভিড গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন তথা র‌্যাবের দাবি ছিল, তাদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে ক্রসফায়ারে পড়ে ডেভিডের মৃত্যু ঘটে।

ক্রিকেটার থেকে
পুরো নাম ছিল মমিনউল্লাহ। ছোট কালে সে ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয়েছিল নারায়ণগঞ্জের স্বনামধ্যন্য প্রশিক্ষক দুল আফেন্দির ক্রিকেট একাডেমীতে। ভালো ব্যাটসম্যান মমিনউল্লাহর ব্যাটিং স্টাইল ছিল ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ক্রিটেকার ডেভিড বুনের মত। এ কারণেই তাকে তখন ডেভিড বলে ডাকা হতো। সে থেকেই মমিনউল্লাহর নামের সঙ্গে যুক্ত হয় ডেভিড। ১৯৮৬ সালে ডেভিড যোগ দেয় জাতীয় পার্টির সহযোগি সংগঠন জাতীয় যুব সমাজে। ১৯৮৮ সালে নারায়ণগঞ্জে জোড়া খুনের পর ডেভিড জাতীয় পার্টি ছেড়ে আসে বিএনপিতে। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আলোচনায় আসেন ডেভিড।

ঘটনার দিন
২৪ নভেম্বর ড্রেজারের একটি টেন্ডারের সিডিউল জমা নেওয়া হয়। ডেভিডের অনুগতরা সিডিউল জমা দেয় দুপুর ১২টায়। এর পর সে মোটা অঙ্কের টাকা প্রদানের এক এমপির কাছে যায়। সেখানে টাকা দিয়ে রাতে ঢাকায় যাওয়ার সময়ে মালিবাগ এলাকায় র‌্যাবের কথিত ক্রসফায়ারে ডেভিডের মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর পর শহরের মিশনপাড়া এলাকায় জানাযা অনুষ্ঠিত হলেও তাতে জনরোষের ভয়ে উপস্থিত হতে পারেনি ওই দুইজন এমপি।

পরিবারের লেজগোবরে অবস্থা
এদিকে ডেভিডের মৃত্যুর পর তার নামের উপর ভর করা অন্য ভাইরাও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। অনেকটা গেজগোবরে অবস্থা পরিবারটির। ডেভিডের বাবার নাম বশিরউল্লাহ। সে এক সময়ে আদমজীতে চাকুরী করতো। তার ৭ ছেলে ও ২ মেয়ে। তার মধ্যে ৩ জন মারা গেছে। তারা হলো কিরণ, মমিনউল্লাহ ডেভিড ও মনা। বেঁচে রয়েছে মাহবুব উল্লাহ তপন, রিপন, শাহাদাতউল্লাহ জুয়েল, রোমান।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ফিচার -এর সর্বশেষ