৬ আষাঢ় ১৪২৫, বুধবার ২০ জুন ২০১৮ , ৫:২১ অপরাহ্ণ

আবারও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:১৮ পিএম, ২৬ মে ২০১৮ শনিবার | আপডেট: ০২:১৮ পিএম, ২৬ মে ২০১৮ শনিবার


আবারও ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ নগরবাসী

হঠাৎ বৃষ্টিতে সব ভিজিয়ে দিলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছেনা। আর স্বল্প বৃষ্টি গরমের তীব্রতাকে আরো প্রবল রুপে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করছে। এতে করে চারদিকে ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আর ভ্যাপসা গরম মানে ভোগান্তির অন্ত নেই।

২৬ মে শনিবার দুপুরে এক দফা বৃষ্টির আগমন ঘটলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি যার ফলে দিনব্যাপী ভ্যাপসা গরম অনুভুত হয়। তবে এটা শুধু শনিবার চিত্র নয়, গত কয়েকদিন ধরে প্রকৃতির এই নতুন রুপের দেখা মিলছে। আর ক্যালেন্ডারের পাতায় দিন যত অতিক্রম হচ্ছে ভ্যাপসা গরম যেন ততই বাড়ছে। প্রতিদিনই একটু একটু করে ক্রমশ গরমের তীব্রতা বেড়ে চলেছে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্রগ্রাম বিভাগের কয়েক জায়গায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এর সঙ্গে বিজলি চমকানো সহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও তার পরিমাণ নিতান্তই কম যার ফলে পরিবেশে গরমের তীব্রতা বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে।

নিত্যদিনের কর্মকান্ড পরিচালনা করতে বাইরে বের হওয়ার বিকল্প নেই। তাছাড়া ঘরের ভেতরেও তীব্র গরমে বৈদ্যুতিক পাখার কৃত্রিম বাতাসকে হার মানাচ্ছে যার ফলে ঘরের ভেতরেও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। এই যদি হয় ঘরের ভেতরের অবস্থা তাহলে কর্মক্ষেত্রে যাওয়া ব্যক্তিদের কি অবস্থা ? তবে এই গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে কায়িক পরিশ্রম করা মেহেনতী মানুষদের।

সুরেশ মন্ডল নামে শ্রমিক বলেন, ‘সকাল থেকে খুব গরম অনুভূত হচ্ছে। তাই কাজে মন বসাতে পারছিনা। কিন্তু তারপরও বাধ্য হয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ফ্যানের পাখার বাতাসও গরমের কাছে হার মানছে। তার কিছুক্ষণ পরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত মুখ ধৌত করছি। আর ঠান্ডা পানিয় ও শরবত কিনে খাচ্ছি।’

এদিকে রমজানের শুরুর দিকে শহরের বিপনীবিতাণগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ততটা দেখা না গেলেও শুক্রবার ও শনিবার দুদিন ছুটির দিন হওয়ায় মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় অনেকটা বেড়ে গেছে। আর রোজাদার ব্যক্তিদের কাছে গরমের তীব্রতা একদিকে তৃষ্ণার্ত বুক অস্বস্তিতে ফেলছে। আর ভ্যাপসা গরমের গা জ্বালা করা যন্ত্রণা সীমাহীন ভোগান্তির কারণে পরিণত হচ্ছে। তার উপরে মার্কেটগুলোতে ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করাটা বেশ কষ্টের কারণে পরিণত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে গরমের তীব্রতা থেকে আরাম পেতে নদী কিংবা পুকুরে ভিড় করা ব্যক্তিরা পানিতে দীর্ঘসময় কাটাচ্ছেন। আবার অনেকে নলকুল কিংবা গভীর নলকুপের পানিতে দীর্ঘক্ষণ গোসলের মধ্য দিয়ে গরমের অস্বস্তি থেকে পরিত্রানের চেষ্টা করছে। তবে গরম থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকে ঠান্ডা পানিয় ও শরবত খেয়ে প্রাণ জুরাচ্ছে। কিন্তু রোজাদার ব্যক্তিরা এক্ষেত্রে সংযমের কারণে ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ফিচার -এর সর্বশেষ