৭ আশ্বিন ১৪২৫, শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , ৫:৫৮ অপরাহ্ণ

ব্যস্ততা বেড়েছে বিউটি পার্লারে


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৬:১৪ পিএম, ১৪ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার


ছবি প্রতিকী

ছবি প্রতিকী

ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে ঘুরে বেড়ানো। ঈদের সকাল থেকে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে যাওয়া। আর এই ঘুরে বেড়ানোকে আনন্দঘন করতে সাজ বড় একটি অনুষঙ্গ। মেয়েদের ক্ষেত্রে যা না হলে চলেই না। ঈদকে সামনে রেখে শেষ কাজটি সারিয়ে নিচ্ছেন ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা। তাইতো ভিড় বেড়েছে বিউটি পার্লারে। শহর এবং শহরের বাইরে বিউটি পার্লারে এমন ভিড় দেখা গেছে। কোন কোন পার্লারে ভিড় সামালদিতে সিরিয়ালের ব্যবস্থা করতে বাধ্য হয়েছেন। গ্রাহকদের নাম এবং ফোন নম্বর জমা নিয়ে তাদের সিরিয়ালের একটি কাগজ দেয়া হচ্ছে সঙ্গে সম্ভাব্য সময় দিয়ে দেয়া হচ্ছে। তবে সঠিক সময়টি ফোনে গ্রাহককে জানিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

এই সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে পার্লারের মালিক ও কারিগররা। কেউ কেউ এই বাড়তি ভিড় সমলাতে আগে থেকেই কারিগর যোগার করে রেখেছে। কেউ কেউ বাড়তি কাজের জন্য সারা বছর প্রশিক্ষন পাওয়া শিক্ষার্থী এবং নিজের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে নিয়েছেন। তবে এদের দিয়ে দক্ষ বিউটিশিয়ানদের সহযোগীর কাজ করিয়ে থাকেন। আবার কোন কোন এলাকায় গিয়ে দেখাগেছে ঈদকে ঘিরে কয়েকদিনের জন্য পার্লার বসিয়েছেন। এগুলোর বেশিরভাগই পাড়া-মহল্লায়। বাসা-বাড়ির ঘরকে তারা ব্যবহার করছেন ঈদের আগের কয়েকদিনের জন্য। এদের গ্রাহকবান্ধব তেমন কোন ফার্নিচার না থাকলেও রয়েছে প্রবল ইচ্ছাশক্তি। যা দিয়ে তারা উপার্জনের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতাকে জানান দিতে চাচ্ছে। এই শ্রেণীর চাহিদা তেমন না থাকলেও পেশাদার বিউটিশিয়ানদের সেবা পেতে হলে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের।

আমলাপাড়ার তামান্ন হক বলেন, ঈদের কেনাকাটা শেষ এখন মেহদি পড়তে হবে। সে জন্য পার্লারে সিরিয়াল দেয়া হয়েছে। প্রচন্ড ভিড়। তার পরও ভাল যে চাঁদ রাতে সুযোগ পেয়েছি। মহল্লার পার্লারগুলোতে করালে কম টাকায় লাগতো। তবে একটু ভিন্ন সাজার জন্য বড় বিউটিশিয়ানদের কাছে যেতে হয়েছে। তবে মহল্লায় ফেসিয়াল করাবো। টাকাও কম লাগবে, সময় বাঁচবে। ফেসিয়াল যাকে দিয়ে করাবো সে পেশাদার নয়, পরিচিত। তাই সেখানে কম খরচ হবে।

চাষাঢ়ার একটি বিউটি পার্লারের মালিক রত্মা মাহিন। তিনি বলেন, ঈদ একটি বড় মৌসুম। এই মৌসুমে অন্যান্য সময়ের তুলনায় একটু বেশিই গ্রাহকের চাহিদা থাকে। প্রতিটি গ্রাহকের চাহিদা মাফিক সেবা দিতে বাড়তি বিউটিশিয়ান প্রয়োজন হয়ে থাকে। তার উপর রয়েছে বেতন বোনাস। তাই আগের তুলনায় সেবা খরচ বেড়েছে। তাতেও গ্রাহক খুশি পর্যাপ্ত সেবা পাওয়ার জন্য। সার্ভিস চার্জ এখানে মুখ্য বিষয় নয়। মুখ্য বিষয় সেবা। তা আমরা সঠিক ভাবে দিচ্ছি কিনা তাই দেখবার বিষয়।

স্ইুটি আক্তার গত দুবছর ধরে ঈদের মৌসুমে পার্লারের কাজ করে থাকেন নিজ বাসায়। তিনি বলেন, ঈদের সময় অনেক গ্রাহক থাকেন যারা একটু ঘরোয়া পরিবেশে সেবা পেতে চান। তাদেরই আমরা সেবা দিয়ে থাকি। আমি মানুষের চাহিদার উপর ভিত্তি করেই ১০ দিন পার্লারের কাজ ঘরে করে থাকি। এমনেতে আমি পড়াশুনা করি কলেজে। এটা আমার বাড়তি উপর্জন।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ফিচার -এর সর্বশেষ