৩ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , ২:১৩ পূর্বাহ্ণ

rabbhaban

শহরে ছুরি দা চাপাতি হুগলার কদর


স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৩০ পিএম, ২০ আগস্ট ২০১৮ সোমবার


শহরে ছুরি দা চাপাতি হুগলার কদর

পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র দুইদিন বাকি। তবে এখনও তেমন গরু বিক্রি শুরু হয়নি। হাটগুলোতে এখনও নদী ও স্থল পথে আসছে গরু। আর কোরবানির পশু জবাই করা ও মাংস কাটার জন্য বিভিন্ন ধাপে ছুরি, দা, চাপাতি, হুগলা (চাটাই), কাঠের গুড়ি বেশি প্রয়োজনী। ইতোমধ্যে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ইতোমধ্যে এসবের নিয়ে বসেছে বিক্রেতারা।

১৯ আগস্ট রোববার দুপুরে সরেজমিনে শহরের মন্ডলপাড়া ব্রীজ এলাকায় দেখা গেছে ওই দৃশ্য। ছাতা মাথায় দিয়ে পশু জবাইয়ের জন্য ও মাংস কাটার জন্য প্রয়োজনীয় তৈজশপত্র নিয়ে বসে আছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের ভীড় না থাকলেও বিক্রেতা ছিল প্রচুর। কিন্তু গত বছরের তুলনায় এবছর এসব জিনিস পত্রের দাম অনেক বেশি বলে দাবি কয়েকজন ক্রেতাদের। তবে বিক্রেতারা বলছেন মানভেদে দামও ভিন্ন।

মন্ডলপাড়া ব্রীজের পাশে কাঠের গুড়ি ও হুগলা বিক্রেতা হালিম জানান, কাঠের গুঁড়ি সব থেকে ছোট যেটি সেটি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। আর সব থেকে বড় গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। আর কিছু ক্রেতা আরো বড় গুঁড়ির জন্য অর্ডার দিচ্ছেন সেগুলো ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা। এছাড়াও ৪ বাই ৫ হাতের একটি হুগলা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। আর ৩ বাই ৪ হাতের একটি হুগলা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তিনি জানান, ক্রেতা নেই। বিক্রিও শুরু হয়নি। আর এসব জিনিস পত্র বেশি বিক্রি হয় ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত। আবার ঈদের দিনও। তাই সবাই আগে থেকেই দোকান নিয়ে বসেছে।

একই জায়গায় বিক্রি হচ্ছে ছুরি, দা, চাপাতি, বটি সহ লোহার বিভিন্ন সামগ্রী। ওইসব দোকানেও একই অবস্থা। নেই ক্রেতা তারপরও আগে থেকেই ভ্রাম্যমান দোকান নিয়ে বসে আছেন বিক্রেতারা।

বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন বলেন, আকার ভেদে একটি ছুরি সর্বনি¤œ ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত, দা ৩০০ থেকে ১০০০ টাকা, চাপাতি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা ও বটি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত ধরে বিক্রি হচ্ছে।
 
তিনি বলেন, হুগলা কাঠের গুঁড়ি যখন ক্রেতারা নিবেন তখনই এসব জিনিস পত্র বিক্রি হবে। অনেকে আবার আগে থেকেই কিনে রাখে। বিক্রি এখন কম। তবে ঈদের বাকি দুইদিনে বেশি বিক্রি হচ্ছে। দামও এবার তেমন বেশি না।


 
১২০ টাকা দিয়ে হুগলা ক্রেতা তৈয়ব আলী বলেন, গতবার ৩ থেকে ৪ হাতের একটি হুগলা ৮০টাকা দিয়ে কিনেছি এবার সেটা ১২০ টাকার কম বিক্রি করে না। সব জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাঠের গুঁড়ি কিনবো মাঝারী সাইজের সেটাও দাম চায় ৭০০ টাকা। কম বিক্রি করলেও ৫০০ টাকার নিচে রাজি হবে না।

কোন কিছু না কিনলেও দেখতে আসা ক্রেতা জাসিম বলেন, এখন দেখছি। গরু কিনার পরই এগুলো নিয়ে যাবো। তবে এবার সব কিছুর দাম অনেক বেশি। কম দামী কাঠের গুঁড়ি কিনলে ভালো ভাবে মাংস কাটা যায় না। তখন কয়েকটা গুঁড়ি লাগে। তাই বড় কিনবো ভাবছি।

বিক্রেতা সোহেল বলেন, দাম বেশি না। মূলত আকার অনুযায়ী প্রতিটি জিনিসের দাম ভিন্ন আছে। যার কম দামী প্রয়োজন তিনি কমদামি নিতে পারেন। এখন দাম কম আছে যখন চাহিদা বাড়বে তখন দামও কিছুটা বেড়ে যাবে।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ফিচার -এর সর্বশেষ