১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫, বৃহস্পতিবার ১৫ নভেম্বর ২০১৮ , ৩:০১ অপরাহ্ণ

UMo

দৃশ্যমান হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৯:৩৯ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০১৮ শুক্রবার


দৃশ্যমান হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ইউনিয়নের কয়লাঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীর উপর (নারায়ণগঞ্জ ও বন্দর) নির্মাণাধীন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু দৃশ্যমান হতে শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে শীতলক্ষ্যা নদীতে সেতুর পিলার বসানোর কাজ চলছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে শীতলক্ষ্যা নদীতে ঘুরে দেখা গেছে এ নির্মাণাধীন সেতুর কাজ। সকাল দেখা যায় নদীর দুই পারে (নারায়ণগঞ্জ ও বন্দর) লোহার পাইলিং দেওয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে কাজের জন্য নদীর ভিতরে প্রায় ১০০ ফুট চলে এসেছে। দুই পাশেই শ্রমিকেরা কাজ করে চলেছেন। এর দুই পাইলিং কাজের মধ্যে দিয়ে লঞ্চ, জাহাজ, ট্রলার সহ বিভিন্ন নৌযান চলাচল করছে।

জানা গেছে, এর আগে ২০১৭ সালের ১৪  ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শীতলক্ষ্যা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পরে ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম পাইলিং কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এর পর থেকে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে সেতুটির। সৌদি ফান্ড পল ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) ও বাংলাদেশ সরকার যৌথ অর্থায়নে ১ হাজার ৩০৯ মিটার দৈর্ঘ্য সেতুটির ব্যায় ধরা হয়েছে ৪ শত ৪৮ দশমিক ৮৩ কোটি টাকা। চারটি লেনে ১৫ মিটার চওড়ায় ৩৫ স্প্যানবিশিষ্ট সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ১ হাজার ২৯০ মিটার। সেতুটির নির্মাণ চুক্তি হয় ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি যা শেষ হবে ২০২০ সালের ১৮ জানুয়ারি। আর সেতুটি নির্মাণ কাজের ঠিকাদার সাইনিড্রো করপোরেশন লিমিটেড চায়না।

ওই সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী এম রোকনুজ্জামান বলেন, ‘শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ সদর  ও বন্দর উপজেলার মানুষ যোগাযোগ করতে পারবে। এছাড়াও নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর কাজ শেষ হওয়ার পর যানবাহনের চাপ ঢাকা শহরকে বাইপাসের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কয়লাঘাট এলাকার বাসিন্দা জানান, আগে যে কাজ করেছে তখন মনে হয়নি সেতুর কাজ হচ্ছে। কিন্তু নদীর দুই পাড়ে পিলার বসানোর কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে মনে হচ্ছে খুব দ্রুতই সেতু কাজ শেষ হয়ে যাবে। সেতুর কাজের দিকে মানুষ তেমন যাতায়াত করতে দেয় না। তবে আমরা দূর থেকেই কাজ দেখি। সেতুটা হলে গেলে এখানকার মানুষের জন্য ভালো হবে। সহজে বন্দর যাতায়াত করতে পারবে।

বন্দরের মদনগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সেতু হলে বন্দর এলাকার সকল মানুষের উপকার হবে না। কারণ বেশির ভাগ মানুষ সেন্ট্রাল খেয়াঘাট, ৫নং খেয়াঘাট ও নবীগঞ্জ সহ ওইসব ঘাট দিয়ে বেশি পারাপার হয়। আর মদনগঞ্জ এলাকার মানুষও কাজের জন্য মদনগঞ্জ ঘাট থেকে শহরের সেন্ট্রাল খেয়াঘাটে যেতে হয়। তাই ব্রীজ হলেও আমাদের জন্য তেমন উপকার পাবো না। তারপরও রাতে বা বৃষ্টির দিনে ব্রীজ ব্যবহার করা যাবে। এমনকি ঢাকা যাওয়ার আশায় আমরা এ ব্রীজ ব্যবহার করলে উপকার হবে।

rabbhaban

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

ফিচার -এর সর্বশেষ