৭ খুনের খুনীরা অধরা!

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৮:৪২ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯ মঙ্গলবার

৭ খুনের খুনীরা অধরা!

নারায়ণগঞ্জে গত বছরের আলোচিত কয়েকটি ইস্যুর মধ্যে ছিল ৭হত্যার ঘটনা। এর মধ্যে আড়াইহাজার উপজেলায় ৪ যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ ও এর আগে রূপগঞ্জে ৩ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করা হয়। দুটি ঘটনাতেই ঘাতকেরা অধরা রয়েছে গত এক বছরে।

তারা আদৌ চিহ্নিত হয়নি। দুটি পৃথক ঘটনাতেই পেছন থেকে কাজ করেছে চৌকশ কোন দল। দুটি ঘটনাতেই দুর্বৃত্তরা গুলি করে ৭জনকে হত্যা করে। খুব কাছ থেকে তাদের গুলি করা হয়েছে। একটি ব্যবহৃত করা হয়েছে শটগান। আর অপরটিতে পিস্তল দিয়ে।

১৪ সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর থেকে রাজধানীর ৩ ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ উপজেলার পূর্বাচল উপ শহরের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড (৩০০ ফিট) সড়কের আলমপুর এলাকার ১১ নং সেতুর নিচ থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। পরিবারগুলো দাবি করছেন তাদেরকে সাদা পোশাকধারী কিছু লোক পুলিশ পরিচয়ে তাদের আটকের পর পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতরা হলেন মুন্সিগঞ্জের টংগীবাড়ি উপজেলার বিক্রমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে নূর হোসেন বাবু (২৯), তার ভায়রা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার গুড়েলা এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে শিমুল আজাদ (২৬), বর্তমানে রাজধানীর মুগদা মান্ডা এলাকার হাজীর বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং তাদের বন্ধু ও ব্যবসায়ীক অংশিদার রাজধানীর বনানী মহাখালী দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত শহিদুল্লাহর ছেলে সোহাগ ভূইয়া (৩৪)। তারা ৩ জনই মুগদা এলাকায় অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে গার্মেন্ট পণ্যের ব্যবসা করতেন। এদের মধ্যে নিহত শিমুলের প্যান্টের পকেট থেকে নেশাজাত ৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত প্রত্যককেই মাথায় বুকেসহ একাধিকস্থানে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

আড়াইহাজার উপজেলায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা চারজনের পরিচয় মিলেছে। পরিবার ও স্বজনেরা এসে লাশ শনাক্ত করেন। তাদের বাড়ি পাবনা জেলাতে। পরিবারের অভিযোগ লাশ পাওয়ার কয়েকদিন আগে ডিবি পরিচয়ে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় এর পর থেকেই তারা নিখোঁজ ছিল।

২১ অক্টোবর ভোরে ৪ জনের লাশ উদ্ধারের পর গাড়ি চালকের লুৎফর রহমানের পরিচয় শনাক্ত হয়। শনাক্ত হওয়া অপর তিনজন হলেন পাবনা জেলার সদর আতাইকুল থানা ধর্মগ্রাম এলাকার লোকমান হোসেনের ছেলে জহিরুল (৩০), একই গ্রামের জামালউদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে ফারুক প্রামানিক (৩৫) ও খায়রুল সরদারের ছেলে সবুজ সরদার (২০)। তাদের চারজনের মধ্যে তিনজনকে শটগানের গুলি করে হত্যা করা হয় উঠে এসে ময়না তদন্ত রিপোর্টে। আর একজনকে ভারী কোন বস্তু দিয়ে মাথা ও মুখমন্ডল থেতলে দেয়া হয়েছে।


বিভাগ : ফিচার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও