৯ ফাল্গুন ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ , ৯:১২ পূর্বাহ্ণ

primer_vocational_sm

বক্তাবলীতে হাসপাতাল চাই


অতিথি লেখক এফএম আতাউর রহমান || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৬:১৭ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার | আপডেট: ১২:১৭ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ শনিবার


 বক্তাবলীতে হাসপাতাল চাই

আজ মহান বিজয় দিবস, কয়েক লাখ শহীদের রক্ত ও কয়েক লক্ষ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই বিজয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীর অবদানও কম নয়। ১৯৭১ সালে ২৯ নভেম্বর পাক হানাদার বাহিনী  ১৩৯টি তাজা প্রান কেড়ে নেয় একদিনেই,বক্তাবলীর মাটি সেদিন শহীদদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিলো, সেই সাথে শতশত ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়ে মানুষকে রাস্তায় নামিয়েছিলো হায়েনাররা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একদিনেই এতোগুলো প্রাণ কেড়ে  নেওয়ার নজীর নেই।

বক্তাবলীবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের নানানভাবে সহযোগীতা করা সহ সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহন করেছিলো বলেই তাদের এ করুন পরিনতি ভোগ করতে হয়েছিলো। অথচ স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরেও বক্তাবলীবাসী  গৌরব করার মতো কিছু বলতে পারেনা। আজও পায়নি শহীদরা রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি ও শহীদ পরিবাররা সরকারী ভাবে এখনো পাচ্ছে না কোন সহযোগিতা। স্বয়ং সম্পূর্ণ বলতে যা বুঝায় বক্তাবলী আজও তা নয়।

ধলেশ্বরী নদী বেষ্টিত চরাঞ্চল বলে প্রকৃত উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি বক্তাবলীতে। শিল্পায়ণ গড়ে উঠেনি বলে মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবা থেকেও বঞ্চিত বক্তাবলীবাসী। বক্তাবলীবাসীর সূদীর্ঘ লালিত স্বপ্ন একটি হাসপাতাল আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। একটি হাসপাতালের অভাবে মানুষকে অকালে ঝড়ে যেতে হয়। প্রেগন্যান্টের রোগী, হার্টের রোগী সহ নানাবিধ রোগীদের নদী পার করে পঞ্চবটির মতো যানজটের রাস্তা পার হয়ে সদর হাসপাতালে যেতে যেতে অনেক রোগীকেই মৃত্যুবরণ করতে হয়। যেখানে চিকিৎসার অভাবের কারনে বেচে থাকার নিশ্চয়তা নেই সেখানে মানুষ কি করে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা নিয়ে পরিপূর্ণ জীবনযাপন করবে! তাই বক্তাবলীবাসীর জন্য সবচেয়ে জরুরী হলো একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল।  যেটা এই মূহূর্তে বক্তাবলীবাসীর প্রাণের দাবি। তা না হলে বক্তাবলীকে পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংসম্পূর্ণ  এলাকা হিসেবে ঘোষনা দেয়া যায়না।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

স্বাস্থ্য -এর সর্বশেষ