৭ কার্তিক ১৪২৫, মঙ্গলবার ২৩ অক্টোবর ২০১৮ , ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

UMo

মা ও গর্ভের সন্তানের মৃত্যুতে ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা


সিটি করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত : ০৮:৫৫ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ রবিবার


মা ও গর্ভের সন্তানের মৃত্যুতে ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পাগলায় নিউ পপুলার জেনারেল নামে বেসরকারী হাসপাতালে মা ও তার গর্ভের ৫ মাসের সন্তান মৃত্যুর ঘটনায় ডাক্তার, নার্সসহ ৩জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কর্তব্য কর্মে অবহেলা জনিত কারনে মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগ এনে ৩০ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে মামলাটি দায়ের করেন নিহত শিল্পী বেগমের স্বামী আলমগীর হোসেন। নিহত শিল্পী বেগম (৩২) ও তার স্বামী আলমগীর হোসেন ফতুল্লার পূর্ব দেলপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মামলায় আসামী করা হয়েছে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের গাইনী বিভাগে কর্মরত ডাক্তার জেসিকা রিজভী তামান্না, ডাক্তার রাহাত আলী ও নার্স সুরমা বেগম। এদের মধ্যে সুরমা বেগমকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

আগের দিন শনিবার সকালে ঘটনার সময় বিক্ষুদ্ধ জনতা হাসপাতালে ভাংচুর চালায়। এসময় বিক্ষুদ্ধদের শান্ত রাখতে পুলিশ হাসপাতালের চার মালিক ডা. মজিবুর রহমান, মাসুম আহমেদ, আহম্মদ আলী খান, কামরুন্নাহার, মেডিকেল অফিসার ডা. জামিল আহমেদ ও নার্স সুরমা বেগম আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুরমা বেগমকে গ্রেফতার দেখিয়ে চার মালিক ও এক ডাক্তারকে ছেড়ে দেয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি শাহ মোহাম্মদ মঞ্জুর কাদের জানান, যারা ওই রোগীর দায়িত্বে ছিলেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন তারাই কর্তব্যে অবহেলা করেছে। এজন্য নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এতে হাসপতালের চার মালিক ও এক ডাক্তারকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

নিহতের স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, “তার স্ত্রী শিল্পি বেগম ৫ মাসের অন্তঃসত্বা ছিল। হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে নিউ পপুলার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে ডা. জেসিকা রিজভী তামান্না পরীক্ষা করে জানান ‘গর্ভে বাচ্চা নরমাল আছে তবে পানি ভাঙছে। কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি রাখতে হবে। পরে তার পরামর্শে বৃহস্পতিবার বিকেলে আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করি। শুক্রবার দুপুর থেকেই হাসপাতালের লোকজন বলছে অপারেশন করতে হবে। তখন আমি জানতে চাই ‘গর্ভের সন্তান নরমাল থাকলে অপারেশন কেন।’ তারা বললো দ্রুত রক্ত নিয়ে আসেন। আমি রক্ত আনতে যাই। এরমধ্যে আমার স্ত্রীকে কোনো অনুমতি ছাড়াই অপারেশন করে সন্তান বের করে।”

আলমগীর অভিযোগ করেন, ডাক্তারের বলে দেয়া মতো রক্ত নিয়ে এসে দেখি শিশুটির গলাকাটা এবং স্ত্রী নিথর দেহ পড়ে আছে। তখন জানতে চাইলে নার্স ও ডাক্তাররা জানায় ‘আপনার স্ত্রীকে ঢাকা মেডিকেলে নিতে হবে।’ তখন তারাই অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে দেয়। এতে আমার সন্দেহ হয়। এরপর তাদের লোকজনই জানায় সে মারা গেছে। আমি এর বিচার চাই।

rabbhaban

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

স্বাস্থ্য -এর সর্বশেষ