৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, শুক্রবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭ , ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

এমপি মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন আড়াইহাজারের প্রার্থীরা


বিল্লাল হোসেন রবিন || স্টাফ রিপোর্টার - দৈনিক মানবজমিন।

প্রকাশিত : ০৫:০৯ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৭ সোমবার | আপডেট: ১১:১৫ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০১৭ বুধবার


এমপি মনোনয়ন নিয়ে যা বললেন আড়াইহাজারের প্রার্থীরা

অভ্যন্তরীণ কোন্দল আর দ্বন্দ্বের মধ্যেই আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে তৎপর নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে আওয়ামী লীগ আসনটি ধরে রাখার মিশনে আর বিএনপি পুনরুদ্ধারে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টি সুযোগের অপেক্ষায়। আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান এমপি নজরুল ইসলাম বাবু ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের তথ্য ও যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকবাল পারভেজ, আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এমদাদুল হক ভুঁইয়া ও ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন।

অপরদিকে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন, বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ এম বদরুজ্জামান খসরু, তার ছোটভাই  সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ।

অন্যদিকে গত ১১আগস্ট জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আড়াইহাজারে একটি অনুষ্ঠানে এসে আগামী নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের নাম ঘোষণা করেন। জেলার আড়াইহাজার উপজেলাকে নিয়ে এ আসনটি গঠিত।

এদিকে দুবারের এমপি নজরুল ইসলাম বাবু এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। বিএনপির অনেককে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়েছেন। কিন্তু আগামী নির্বাচন ঘিরে নিজ দলের ভেতরই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন তিনি। দলের বড় একটি অংশ বাবুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, দলীয় এমপি ও তার লোকজনের দ্বারা দলের সাবেক এমপি এমদাদুল হক ভুঁইয়া লাঞ্ছিতসহ দলের অনেক নেতাকর্মী, হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। নব্য আওয়ামী লীগারদের দাপটে প্রকৃত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কোণঠাসা। তবে আড়াইহাজারে বর্তমান সরকারের আমলে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি নজরুল ইসলাম বাবু আগামী নির্বাচনে নিজেকে দলের একক প্রার্থী দাবি করলেও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা ইকবাল পারভেজের তৎপরতায় নেতাকর্মীরা নতুন করে হিসাব কষতে শুরু করেছেন। এছাড়া মমতাজ হোসেন ও এমদাদুল হক ভুঁইয়াও ক্লিন ইমেজের রাজনৈতিক হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

অপরদিকে বিএনপিতে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনজনের মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ।

কর্মীদের অভিযোগ, আতাউর রহমান খান আঙ্গুর এমপি থাকাকালে নিজের অনুগত বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজস্ব বলয় গড়ে তুলেছিলেন। ফলে বিএনপির একটি অংশ সুবিধাবঞ্চিত ছিল। বঞ্চিত অংশটিকে পুঁজি করে ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন বদরুজ্জামান খসরু এবং নিজেই আরেকটি বলয় তৈরি করেন।

ওদিকে নজরুল ইসলাম আজাদের নেতৃত্বে বিএনপির আরেকটি বলয় তৈরি হয়। তিনধারায় বিভক্ত হয় এখানকার বিএনপি।

এই বিরোধের আগুনে ঘি ঢালে আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি নজরুল ইসলাম বাবু। মামলা-হামলার ভয়ে অনেকে বিএনপি ছেড়ে বাবুর হাত ধরে নৌকায় উঠেছেন। আবার কেউ কেউ নজরুল ইসলাম বাবুর সঙ্গে আঁতাত করে আড়াইহাজারে বিএনপির ফটোশেসন মার্কা দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্যও করছে। তবে আড়াইহাজারে বিএনপির একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। যা বিগত সংসদ নির্বাচনগুলোয় দেখা গেছে। এখনো বিএনপি নিজেদের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামলে আগামী নির্বাচনে এর সুফল পাবে। এমনটাই মনে করছেন, আড়াইহাজার বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে গত ১১আগস্ট জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আড়াইহাজারে একটি অনুষ্ঠানে এসে আগামী নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের নাম ঘোষণা করেন। কিন্তু মহাজোটের বাইরে এখানে জাতীয় পার্টির অবস্থান শক্তিশালী না হলেও পারিবারিকভাবে লোটনের পরিবারের একটি ঐতিহ্য রয়েছে।

বারোটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-২ আসন। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৬টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে তিনবার বিএনপি ও তিনবার আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের মনোনীত মমতাজ হোসেনকে পরাজিত করে বিএনপির আতাউর রহমান খান আঙ্গুর এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বড় ভাই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রোকন উদ্দিন মোল্লাকে পরাজিত করে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন ছোট ভাই আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। তবে ১৯৯৬ সালের জুনের নির্বাচনে আতাউর রহমান খান আঙ্গুর পরাজিত হন আওয়ামী লীগের আলহাজ এমদাদুল হক ভুঁইয়ার কাছে। ২০০১ সালে এমদাদুল হক ভুঁইয়াকে পরাজিত করে পুনরায় এমপি নির্বাচিত হন বিএনপির আতাউর রহমান খান আঙ্গুর।

বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হন আঙ্গুর। মনোনয়ন পেলেও আওয়ামী লীগের তরুণ প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুর কাছে পরাজিত হন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও আড়াইহাজার বিএনপির প্রবীণ নেতা বদরুজ্জামান খসরু। ২০১৪ সালের ৫জানুয়ারির নির্বাচনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নজরুল ইসলাম বাবু পুনরায় এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে বিএনপির বদরুজ্জামান খসরু ও তার ভাই আতাউর রহমান খান আঙ্গুরের বিরোধের সুবিধা নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই দুই ভাইয়ের বিরোধে স্থানীয় বিএনপির মধ্যে অন্তঃকোন্দল নিরসন না হলে আগামী নির্বাচনে আবারো সুবিধা নিতে পারে আওয়ামী লীগ।

সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, ৮৬, ৯১, ১৯৯৬, ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোটের হিসাব আর ২০০৮ ও ২০১৪ সালের ভোটের হিসাব দেখলেই বোঝা যাবে আমি আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগের কত ভোট বাড়িয়েছি। এবার আমি দলের মনোনয়ন পেলে আগের চেয়ে আরো বেশি ভোটে বিজয়ী হবো। অনেক উন্নয়ন করেছি। দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মূল্যায়িত হয়েছে। স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদরাসা, ডাকবাংলো, রাস্তা-ঘাট কোনো কিছু বাকি রাখিনি। উন্নয়নের পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছি। তাই দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী আমার সঙ্গেই আছে। তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সমালোচনা করে বলেন, আমার দলের যারা এখন মনোনয়ন প্রত্যাশী, দলীয় কর্মকান্ডে তাদের কোনো অবদান নেই। শুধু মমতাজ হোসেন ছাড়া। বাকি যারা আছেন, তাদের কোনো ভিত্তি  নেই। কবে কখন তারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ করেছে আমি জানি না। এলাকায়ও তাদের কোনো অস্তিত্ব নেই।

নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট ইকবাল পারভেজ বলেন, আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ শুরু করেছি, অনেক আগেই। যেখানে যাচ্ছি সেখানেই নেতাকর্মীদের ঢল নামছে। নিজ উদ্যোগে যথাসাধ্য এলাকার উন্নয়নেও ভূমিকা রেখেছি। আগামী দিনে এলাকার মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে চাই। দলের পরীক্ষিত ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের প্রতি সব সময় আন্তরিক থেকেছি। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা সঠিকভাবে মূল্যায়িত হয়নি। বরং অনেক নেতাকর্মী দলীয় এমপির লোকজন দ্বারা নির্যাতিত হয়েছে। তাই তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখ থেকে আওয়াজ উঠেছে আমি যেন আগামী নির্বাচনে দলের প্রার্থী হই। আমি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় নির্বাচন করবো। আর যদি অন্য কাউকে দেয় তাহলেও নেত্রীর নির্দেশে আমি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবো।

সাবেক রাষ্ট্রদূত মমতাজ হোসেন বলেন, প্রতি সপ্তাহেই আমি এলাকায় যাই। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলি। ১৯৭৫ সালের পর আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগের কোনো নাম-গন্ধ ছিল না। আমিই এখানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুরু করলাম। এরপর তো অনেক সময় পার হলো। বর্তমানে আড়াইহাজারে আওয়ামী লীগের অনেক লস হয়ে গেছে। ইমেজ সংকটে পড়েছে। এটা পুনরুদ্ধার করতে হলে ভালো ইমেজ, সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য এবং সাধারণ মানুষ যাকে ভালো জানে এমন যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে হবে। মোট কথা, নেত্রী যদি চায় আসনটি আমাদের ধরে রাখতে হবে তাহলে যোগ্য প্রার্থীর বিকল্প নাই। আমি ইলেকশন করলে দলমত নির্বিশেষে সবাই আমার পক্ষে নামবে- এটা আমার বিশ্বাস। তবে নেত্রী না বলা পর্যন্ত আমি কিছু করবো না।

আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এমদাদুল হক ভুঁইয়া বলেন, আমি একবার উপজেলা চেয়ারম্যান ও একবার এমপি ছিলাম। এতে ব্যক্তিগত একটা ইমেজ আছে। আমার এলাকাটা হচ্ছে পূর্বাঞ্চল। ওইটা একটা বিরাট এলাকা। পূর্ব এলাকায় আমার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। ওই এলাকার নব্বই ভাগ ভোটই আমার থাকবে। পশ্চিম এলাকার ভোট ইনশাল্লাহ ফিফটি পার্সেন্ট পাবো। আগামী নির্বাচনে আমি নেত্রীর কাছে মনোনয়ন চাইবো। যেন শেষ বয়সে আমাকে আরেকটা সুযোগ দেয়া হয়। যদি মনোনয়ন পাই অবশ্যই ইলেকশন করবো।

বিএনপির সাবেক দুবারের এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর বলেন, নির্বাচন করার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। সপ্তাহে ৫ দিন এলাকায় যাই। নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করি। এলাকার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিচ্ছি। নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমও শেষ হয়েছে। দুবার এমপি থাকায় অবস্থায় এলাকায় যথেষ্ট উন্নয়ন করেছি। আমি দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। তবে শেষ পর্যন্ত দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেবো।

বিএনপির প্রবীণ নেতা বদরুজ্জামান খান খসরু বলেন, নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে এলাকায় তো কাজ করতে পারি না। ক্ষমতাসীন দলের লোকজন একদিকে হামলা করে, আবার নিরীহ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেয়। দু-তিনজন কর্মী নিয়ে বের হলেও হামলা করে। মারামারি করে। দলের চেয়ারপারসন লন্ডন থেকে যেদিন দেশে আসলেন, সেদিন আমরা স্বাগত জানাতে ঢাকায় যাওয়ার পথে আমাদের নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হয়েছে। মারধর করে টাকা-পয়সা রেখে বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছে। এভাবে হলে কীভাবে চলবে? তবে আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন অবশ্যই চাইবো। না পেলে দল যাকে দেবে তার পক্ষে কাজ করবো।

কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে দুটা বড় আন্দোলন গেল। এখন যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী দলের ক্রাইসেস মুহূর্তে তাদের মাঠে পাওয়া যায়নি। ওই সময়ে দলের যারা ছিলেন তাদের নিয়ে আমিই মাঠে ছিলাম। আড়াইহাজারে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সাড়ে ৩ শ’র কম-বেশি মামলা রয়েছে। নেতাকর্মীদের পাশে থেকে যতটুকু করা যায়, আমি চেষ্টা করছি। এখন দলের হাইকমান্ড আছে, উনারা যেটা ভালো মনে করবেন, তাই করবেন। আমি আশাকরি আড়াইহাজারে বিএনপি থেকে আমিই মনোনয়ন পাবো।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আলমগীর সিকদার লিটন জানান, নির্বাচন করার জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নেয়ার দরকার সেভাবেই নিচ্ছি। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা-সমাবেশ ছাড়াও এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রেখেছি। আড়াইহাজারে সাংগঠনিকভাবে জাতীয় পার্টি অত্যন্ত শক্তিশালী। পারিবারিক ঐতিহ্য ও আমার ব্যক্তি পরিচিতি আছে। আমার বাবা সাদত আলী সিকদার আওয়ামী লীগ থেকে পার্লামেন্টের মেম্বার ছিলেন। বর্তমানে গোপালদী পৌরসভার মেয়র আমার ভাই। দুলাভাই তিনবার চেয়ারম্যান ছিলেন। মোটকথা, রাজনৈতিক ঘরের মানুষ আমরা। আশা রাখি জনগণ ভোট দিলে আমি কামিয়াব হবো। আর ভোট না দিলে তো কামিয়াব হবো না। তবে শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকবো।

নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
Shirt Piece

সাক্ষাৎকার -এর সর্বশেষ