শামীম ওসমানের সিদ্ধান্ত শিরোধার্য : ইব্রাহিম মোল্লা

স্পেশাল করেসপনডেন্ট || নিউজ নারায়ণগঞ্জ ০৯:০০ পিএম, ২ ডিসেম্বর ২০১৯ সোমবার

শামীম ওসমানের সিদ্ধান্ত শিরোধার্য : ইব্রাহিম মোল্লা

ইব্রাহিম মোল্লা একজন মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। যার পরিবারের তিন সদস্যই ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারা হলেন ইব্রাহিম মোল্লার পিতা সিরাজুল হক মোল্লা ও তার দুই চাচা মফিজুল ইসলাম মোল্লা, আলী হোসেন মোল্লা। মুক্তিযোদ্ধা বাবা আর চাচাদের উৎসাহ ও বর্তমান সাংসদ শামীম ওসমানকে দেখেই রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি।

তিনি বলেন, ১৯৮১ সাল থেকে আমার নেতা শামীম ওসমানকে সময় দিয়েছি। ওনার মিটিং মিছিলসহ বেশির ভাগ প্রোগ্রামে আমি লোকজন নিয়ে উপস্থিত হয়েছি। ব্যবসার কারণে অনেক সময় অনেক প্রোগ্রামে যেতে পারি নাই। এজন্য একটু পিছিয়ে আছি। বর্তমানে আমি যুবলীগের রাজনীতিতে আছি। এখন আমি নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। এ প্রার্থী হওয়ার কারণে আমি বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছি। এ প্রচারণা আমাকে অনেক জায়গায় পৌছে দিয়েছে। আমার নেতা শামীম ওসমান আমাকে বলেছে ‘ইব্রাহিম তুমি দলের জন্য যেভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছো, তোমার ভবিষ্যৎ উজ্জল, তুমি এগিয়ে যাও, আমি তোমার সাথে আছি।’

তিনি বলেন, এখন আমার নেতা শামীম ওসমান আগে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, আমি মাথা পেতে নিয়েছিলাম এখনো তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি তা মাথা পেতে নেবো। তিনি আমরা রাজনৈতিক গুরু, আমি তারে মনেপ্রাণে ভালোবাসি। এ থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন অবহেলিত ছিলো। আমি প্রার্থী হওয়ার পর থেকে এ থানাটি সকলের মাঝে ফুটিয়ে তুলেছিলো। এখন সবাই জানে আল্লাহ্র রহমতে এ থানাটা এখন উজ্জীবিত।

ইব্রাহিম মোল্লা বলেন, আমার বাবা সিরাজুল হক মোল্লা, আমরা চাচা মফিজুল ইসলাম মোল্লা, আলী হোসেন মোল্লা। এরা তিনজনই মুক্তিযোদ্ধা। আমার চাচারা মারা গেলেও আমার বাবা এখনো জীবিত। এদের উৎসাহ ও আমার প্রাণপ্রিয় নেতা শামীম ওসমানের অনুপ্রেরণায়ই আমি রাজনীতিতে আসি। নেতার পরিচ্ছন্ন রাজনীতি দেখে আমরা ভালো লাগছে, তাই তার রাজনীতি দেখে আমরা মনে প্রথমে উৎসাহ অনুপ্রেরণা জাগে রাজনীতিতে আসার। সেই থেকেই রাজনীতিতে আমার অগ্রসর হওয়া।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য হলো, আগে যারা এ থানায় সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ছিলেন যেমন সাহাবুদ্দিন মন্ডল সাহেব, হায়দার সাহেব। ওনারা খুব ভালো মানুষ ছিল। ওনারা যেভাবে শুরু করেছিলেন, এরপর থানাটা সেভাবে উঠে আসতে পারেনি। নারায়ণগঞ্জের ৫টা থানার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ সদর থানা। এ থানাটা দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলিত। আমি যদি সভাপতি হতে পারি, তাহলে এ থানাটাকে সবার উপরে উঠিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবো। এ থানাটাকে এক নাম্বার থানায় পরিণত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করবো এবং কর্মীদের পাশে থাকবো।

তিনি বলেন, আমার সদর থানা আলীরটেক ও গোগনগর এই দুইটা ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আমার দৃষ্টিতে ওই নেতারা ভালোই ছিলো। তবে তবুও কেন জানি মনে, তারা আর্থিকভাবেই হোক আর নেতৃত্বে কারণেই হোক থানাটাকে সেইভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনাই।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নিজের যোগ্যতা নিয়ে কিছু বলার নাই। তবে এ বলতে তৃণমূল। তারা যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন কিংবা আমি যোগ্য প্রার্থী হই, তাহলে অবশ্যই তারা আমাকে সভাপতির দায়িত্ব দিবে। যে সকল হাইব্রিড নেতারা এ দলে এসে সন্ত্রাসী ভূমিদস্যুতা করে, যারা চাঁদাবাজী করে, যারা বালু সন্ত্রাসী করবে এবং এ দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা গরিবদের রক্ত চুষে খেতে চায় তাদের বিরুদ্ধে সব সময়ই আমার অবস্থান ছিলো আছে এবং থাকবে। এ নেতাদের রুখতে আমি সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের প্রতিরোধ গড়ে তুলবো ইনশাল্লাহ্।


বিভাগ : সাক্ষাৎকার


নিউজ নারায়ণগঞ্জ এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আরো খবর
এই বিভাগের আরও