rabbhaban

বাড়ছে শিশুশ্রম, বাড়ছে শিশু নির্যাতন!


মাহবুব আলম জয় | প্রকাশিত: ০৪:২৮ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার
বাড়ছে শিশুশ্রম, বাড়ছে শিশু নির্যাতন!

দেশে ভয়ংকার পেশার নাম শিশু শ্রম। সারা দেশে দিনে দিনে এই শ্রমের শ্রমিকের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। যে বয়সে তাদের খাতা কলম নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা সেই বয়সে তারা ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে। এদের সোনালী ভবিষ্যত অন্ধকারে নিমজ্জিত হচ্ছে।

সম্প্রতি শিশুশ্রম ও শিশুশ্রম আমাদের হৃদয়ে দাগ কেটে গেছে। সুনামগঞ্জে নির্মম ভাবে পিতা ও চাচার হাতে শিশু খুন হওয়ার ঘটনা আমাদের নাড়িয়ে গেছে। শহর অঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে শিশু শ্রমের প্রবণতা অনেক বেশি। চারপাশে বিভিন্ন এলাকায় শিশুদেরকে শ্রম দিতে দেখা যাচ্ছে। দারিদ্রতা এর অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

শিশু নির্যাতন ও শিশুশ্রম বন্ধে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এদিকে শিশুদের এসব ঝুঁকিপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে মোটর ওয়ার্কসপে কাজ করা, ওয়েল্ডিং, গ্যাস কারখানা, বেলুন কারখানা, লেদ মেশিন, রিকশা চালানো, মাদক বাহক, বিড়ি শ্রমিক, বাস-ট্রাকের হেলপার, লেগুনার হেলপার, নির্মাণ শ্রমিক, গৃহ শিশু শ্রমিক, এমব্রয়ডারি, হোটেল শ্রমিক এবং কাঁঠ মিস্ত্রিসহ আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ।

শিশুর বয়স নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। কত বছর বয়স পর্যন্ত শিশু হিসেবে ধরা হবে তা সুনির্দিষ্ট একটি আইনে বলা নেই।

এদিকে প্রতিনিয়ত শিশু অধিকার ব্যাহত হওয়ার মধ্য দিয়ে অনেকে শিশুই বঞ্চিত হচ্ছে শিশু সুরক্ষা হতে। জড়িয়ে যাচ্ছে শিশুশ্রমে। অন্যদিকে অনেকে শিশু শ্রম করতে এসে জড়িয়ে যাচ্ছে নানান অপরাধে, অপবাদ হিসেবে চুরির ঘটনায় ঘটছে অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা(আইএলও) শিশু আইনের বিভিন্ন ধারায় কাজের ধরনের ক্ষেত্রে শিশুর বয়স নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ১৬ থেকে ১৮ বছরের শিশুরা এই কাজ করতে পারবে। ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সের শিশুরা হালকা পরিশ্রমের কাজ করতে পারবে।

এদিকে শিশু শ্রম আইন থাকলেও মানছে না অনেকে। শিশু সুরক্ষা প্রদান করে শিশু শ্রম, শিশু নির্যাতন বন্ধে বিভিন্ন এনজিও কাজ করে গেলেও শুভংকরের ফাঁকির মতই অনেকটা। নিশ্চিত হোক শিশু অধিকার,কাটুক সকল অন্ধকার। আসুন আগামীর আলোকিত ভবিষ্যত শিশুদের গড়ে তুলি, শিশু শ্রম ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর