ইমামকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে জহিরুলের যাবজ্জীবন


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:২৭ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
ইমামকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে জহিরুলের যাবজ্জীবন

নারায়ণগঞ্জে রূপগঞ্জ উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর মাঝিপাড়া মসজিদের ইমাম আব্দুল মজিদ মুন্সীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে জহিরুল ইসলামকে (৪২) যাবজ্জীবন কারাদন্ড, সঙ্গে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৬ মাস কারাভোগের আদেশ দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ মামলায় প্রত্যক্ষদর্শী ও ছুরিকাঘাতে আহত হাবিবুরসহ ৬জন আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন।

দন্ডপ্রাপ্ত জহিরুল ইসলাম উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর মাঝিপাড়া এলাকার মৃত সাফর উদ্দিনের ছেলে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, ২০১৭ সালের ২৬ মে মসজিদে এশার নামাজ পড়ানোর সময় মসজিদের ভেতর ঢুকে ইমাম আব্দুল মজিদ মুন্সীকে কুপিয়ে জখম করে জহিরুল। এসময় হাবিবুর মিয়া নামে এক মুসল্লিও গুরুত্বর জখম হয়। হাসপাতালে নেয়ার আগেই ইমাম আব্দুল মজিদ মুন্সী নিহত হন। ওই মামলায় আদালত গ্রেফতারকৃত জহিরুলকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করেছেন।

জানা গেছে, আসামী জহিরুল মাদক সেবনের জন্য মসজিদের টাকা চুরি করতো। মসজিদের ইমাম আব্দুল মজিদ তা দেখে এলাকাবাসীকে জানিয়ে দিবে বলায় আসামী জহিরুল এশার নামাজের সময় পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে কাঞ্চন সেতু এলাকা থেকে জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। নেশার প্রতিবাদ ও মেন্টেল বলার ক্ষোভেই মসজিদের ইমাম আব্দুল মজিদ মুন্সীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে জহিরুল ইসলাম। হত্যাকান্ডের ঘটনায় আব্দুল মজিদ মুন্সীর ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এলাকাবাসী জানায়, গত ১০ বছর আগে জহিরুল ইসলাম তার স্ত্রীকেও হত্যা করেছিলো।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর