নারায়ণগঞ্জের ২৭ বালুমহাল বিলুপ্তির পথে


সিটি করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৪৫ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
নারায়ণগঞ্জের ২৭ বালুমহাল বিলুপ্তির পথে

নারায়ণগঞ্জের ২৭টি বালু মহাল এখন বিলুপ্তির পথে। ৬টি সমস্যা উল্লেখ করে সম্প্রতি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে বালুমহালগুলো বিলুপ্তি ঘোষনার দাবীও জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া। জেলা প্রশাসকের দাবীর প্রেক্ষিতে বালুমহালগুলোর হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ, স্ক্যাচম্যাপ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন প্রেরনের নির্দেশ দেন বিভাগীয় কমিশনার।

১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে ১০ দিনের মধ্যে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ সম্পাদন ও হাইড্রোগ্রাফিক ম্যাপ তৈরী করে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রেরনের জন্য নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালককে এক পত্রে অনুরোধ করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জসীম উদ্দিন হায়দার।

নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক গুলজার আলী জানান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পত্র পাওয়ার পরপরই জরিপ কার্যক্রম শুরু করবো।

২৭টি বালুমহালের মধ্যে রয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদরের বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর ত্রিমুখী মোহনা, বন্দরের চর ধলেশ্বরী, মদনগঞ্জ, সোনারগায়ের দক্ষিণ নয়নপুর দক্ষিনবন্ধ, চর রমজান সোনাউল্লাহ (১), ঝগড়ার চর দক্ষিন নয়নপুর, নুনেরটেক, চর হোগলা, চর রমজান সোনাউল্লাহ (২), মীরের চর, ছোট দেওভোগ, চর রমজান সোনাউল্লাহ (৩), চর রমজান সোনাউল্লাহ (৪), চর কিশোরগঞ্জ (১), চর কিশোরগঞ্জ (২), রূপগঞ্জের শিবগঞ্জ ব্রাক্ষনগাও, বড়ালু পাড়াগাও, মিঠাব-লক্ষা-যাত্রাবাড়ি, মাঝিনা হরিনা, চরগন্ধবপুর, পিতলগঞ্জ ব্রাক্ষণখালী, কাঞ্চন আটলাশপুর, পূর্বগাও, জাহাঙ্গীর বিংরাব, আড়াইহাজারের কমলাপুর চরকমলাপুর নয়নাবাদ, ডেঙ্গুরকান্দি ও শম্ভুপুরা।

৬টি সমস্যার বিষয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি সূত্র জানান, বালু মহালে উত্তোলনযোগ্য বালু নেই, জনবসতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকায়, ব্রীজ সংলগ্ন হওয়ায় ব্রীজ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভবনা বিদ্যমান থাকায়, মেঘনা ব্রীজের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে হওয়ায় ও জনস্বার্থ বিঘিœত হওয়ার সম্ভবনা থাকায় ইজারা তালিকভুক্ত না করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের সুপারিশের প্রেক্ষিতে বিলুপ্তি ঘোষনা করার দাবী জানানো হয়েছে।

সূত্রটি আরো জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলায় মোট ৩১টি বালু মহাল রয়েছে। এরমধ্যে সোনারগায়ের চর লাউয়াদি চর রমজান সোনাউল্লাহ (৬) ২২ লাখ টাকায় ও আড়াইহাজারের ডিকচর বালু মহালটি ৮ লাখ টাকায় চলতি অর্থবছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে। এছাড়া সোনারগায়ের চর লাউয়াদি চর রমজান সোনাউল্লাহ (৫) ও আনন্দবাজার বালু মহালটি ইজারা দেয়ার জন্য পক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
-->
newsnarayanganj24_address
অর্থনীতি এর সর্বশেষ খবর
আজকের সবখবর