গরুর হাটে বৃষ্টিতে দুর্ভোগ, ক্রেতাশূন্যতায় মন্দাভাব


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:২০ পিএম, ০৮ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার
গরুর হাটে বৃষ্টিতে দুর্ভোগ, ক্রেতাশূন্যতায় মন্দাভাব

নারায়ণগঞ্জে আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানীর গরুর হাটে টানা বর্ষণে দুর্ভোগ দেখা দিয়েছেন। কখনো মুষলধারে কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বর্ষণের ফলে হাটের ভেতরে নানা ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে বৃষ্টির কারণে হাটগুলো ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে। এতে করে গরুর বেপারীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার ৮ আগস্ট সকাল থেকে দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ার ফলে গরুর হাটগুলোতে জলাবদ্ধতা, কাঁদায় চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুর থেকে টানা বর্ষণের ফলে সেই ভোগান্তি আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়। যেকারণে সকাল থেকে হাটগুলোতে ক্রেতা দেখা গেলেও দুপুর হতেই ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়ে।

জানা গেছে, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে শহরের বিভিন্ন স্থানের গরুর হাট বসেছে। আর ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে হাটে ক্রেতাদের ভিড় তত বাড়তে শুরু করেছে। আর দূর দূরান্ত থেকে গরুর বেপারীরাও বিভিন্ন হাটে বিভিন্ন আকৃতির গরু নিয়ে আসছে। তবে এবার বৃষ্টি যেন গরুর বেপারীদের জন্য এক বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কারণ প্রতিদিন দফায় দফায় বৃষ্টির হানা পশুর হাটে বেচাঁ বিক্রিতে বাধা সৃষ্টি করছে। আর গরুর ক্রেতারা এসব দুর্ভোগের কারণে ভাল আবহাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

হাট কর্তৃপক্ষ বলছে, গরুর হাটে খন্ড খন্ডভাবে সামিয়ানা টানানো হয়েছে। যেকারণে গরুর ও গরু বেপারীদের কোন সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে বিভিন্ন স্থান উচু নিচু হওয়ার কারণে বৃষ্টির পানিতে অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা ও কাঁদা সৃষ্টি হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানেও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করছি হাটে কোন সমস্যা হবেনা।

গরুর বেপারীরা বলছেন, বৃষ্টির কারণে হাটে নানা ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। এতে করে গরুর খাবার সহ নানা সংকট দেখা দিচ্ছে। আর টানা বৃষ্টির কারণে গরুগুলো নানা রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তাছাড়া হাট একেবারে ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে। এভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে সব গরু বিক্রি করা দুষ্কর হয়ে পড়বে।

আলীরটেক হাটে আসা বেপারী রহিম মিয়া বলেন, আমি ১৪টি গরু নিয়ে এসেছি। এখন পর্যন্ত ৪টি বিক্রি করতে পেরেছি। বৃষ্টির কারণে বিক্রি একেবারে মন্দা যাচ্ছে। টানা বৃষ্টির কারণে হাটে ক্রেতা আসছেনা। আর যেসব ক্রেতারা হাটে ভিড় করছে বৃষ্টি দেখলেই গরু ক্রয় না করে বাসায় ফেরত চলে যাচ্ছে। এতে করে গরুর বেপারীরা চরম বিপাকে পড়েছে।

ক্রেতা জামাল মিয়া বলছেন, আমি প্রত্যেক বছর ২টা গরু কোরবানি করে থাকি। এ বছর প্রথম দিকেই ১ টা গরু পছন্দ হওয়ায় সেটা ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় কিনেছি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে আরেকটা কিনতে পারছিনা। এখন আবহাওয়া ভাল হলেই আরেকটি গরু কিনবো।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর