rabbhaban

নারায়ণগঞ্জে ঈদকে টার্গেট করে চড়া মসলার বাজার


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৩০ পিএম, ১০ আগস্ট ২০১৯, শনিবার
নারায়ণগঞ্জে ঈদকে টার্গেট করে চড়া মসলার বাজার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যেই দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের পাইকারি ও খুচরা মসলা বিক্রেতারা। অনেক মসলাই স্বাভাবিক মূল্যের দিগুন দামেও বিক্রি করছেন তারা। আর কারণ হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন বন্যা ও ডেঙ্গুর আতঙ্কের কারণে নাকি সরবরাহ তেমন নেই।

নারায়ণগঞ্জের কালিরবাজার ও ২ নং রেলগেট এলাকায় পাইকারি মসলার বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক থেকে দেড় মাস আগে যে এলাচ প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৮শ টাকা দরে তা এখন পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার  ৮০০ টাকায়। আর এলাকার খুচরা বিক্রেতারা নিম্নমানের এলাচ বিক্রি করছেন ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায়। তবে শুধু এলাচ নয়, এভাবে বেড়েছে মসলা জাতীয় সব পণ্যের দাম।

বাজারে থাইল্যান্ড ও বার্মার আদা ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেও আদা বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা করে। এটিও দুই সপ্তাহ আগে ২১০ থেকে ২২০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে। রসুন দেশি ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা, ভারতীয় রসুন ১৬০ টাকা ২০০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেও এগুলো ১০০ থেকে ১১০ এবং ভারতীয় রসুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

লবঙ্গের কেজি পাইকারি বাজারে ৮শ থেকে ৯শ টাকা, দারুচিনির কেজি পাইকারি পর্যায়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, গোল মরিচ পাইকারি বাজারে ৪৫০ থেকে ৫২০ টাকায়, জিরা ৩৪০ থেকে ৩৯০ টাকা পর্যন্ত, আলু বোখারা পাইকারি বাজারে ৪০০ টাকা, কাঠ বাদাম ৮০০ টাকা কেজি প্রতি, কাজু বাদাম ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া তেজপাতা পাইকারিতে ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। প্রতিটি পণ্যের দাম ৫০ থেকে ১শ ও ২শ টাকা কেজিপ্রতি বেড়েছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে কোরবানিতে মসলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না বলা হলেও বাজারের চিত্র ভিন্ন।

ব্যবসায়ীরা জানান, বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনে এনেছেন তারা। তাই কিছু করার নেই, তাই বেশি দাম বিক্রি করতে হচ্ছে।

ক্রেতারা তাদের কাছ থেকে দিগুন মূল্য আদায় করছে জানিয়ে দ্রুত সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর