বুলবুলের প্রভাবে পেয়াজের ঝাঁজের সঙ্গে বেড়েছে সকল পন্যের দাম


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৪৮ পিএম, ১১ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার
বুলবুলের প্রভাবে পেয়াজের ঝাঁজের সঙ্গে বেড়েছে সকল পন্যের দাম

তান্ডব চালিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বিদায়ে নিলেও প্রভাব পড়তে শুরু করেছে নারায়ণগঞ্জের কাঁচা বাজারে। ঘূর্ণিঝড় বুলবলের প্রভাবে গেল তিনদিন থেকে নিয়মিত বাড়ছে সব ধরনের সবজির দাম। দুই দিনের ব্যবধানে আবারো বেড়েছে পেঁয়াজের দাম।

১১ নভেম্বর সোমবার নারায়ণগঞ্জের সব থেকে বড় পাইকারী কাঁচা বাজার দিগুবাবুর রাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

তিনদিনের ব্যবধানে পাইকারী বাজারে ২০-৩০ টাকা বেড়ে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০টাকা কেজি দরে। সীম, রবরটি, করল্লা, পটল, ফুলকপি, বাঁধাকপি সহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১৫টাকা।

এছাড়া সব ধরনের শাকের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০টাকা। সরবরাহ না থাকলে দাম আরো বাড়বে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

দিগুবাবুর বাজারে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০টাকা কেজি দরে, সীম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০টাকা কেজি দরে, ফুলকপি জোড়া ৮০-১০০টাকা, বাধাকপি ৬০-৭০টাকা, বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে এবং গোল বেগুন ৭০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আকার অনুযায়ী লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০টাকা প্রতি পিস, পেপে ২০-৩০ টাকা কেজি দরে, কাঁচাকলা প্রতি হালি ২০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫টাকা কেজি দরে, ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫টাকা কেজি দরে, জালি কুমড়া আকার অনুযায়ী ৩০-৪৫টাকা প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে।

বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০টাকা কেজি দরে, করল্লা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০টাকা কেজি দরে। কাঁচামরিচ ৩০ ও জলপাই বিক্রি হচ্ছে ২৫টাকা কেজি দরে। এছাড়া লালশাক ও মুলা শাক বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ৩০টাকা কেজি দরে, পালং শাক বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কেজি দরে।

ব্যবসায়ী ইমরান নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, গত দুইদিন ধরে বাজারে সবজি আসে না। যে কারণে সব কিছুর দাম একটু বাড়তির দিকে। বাজারে সরবরাহ অনেক কম। খোঁজ নিয়ে জেনেছি ঘূর্ণিঝড়ের কারণে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। যে কারণে অনেক জায়গায় গাড়ি আটকে আছে। এছাড়া অনেক জায়গায় নাকি সবজি নষ্ট গয়ে গেছে। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে তাহলে দাম আরো বাড়বে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর