বন্দরে জালনোট ব্যবসায়ী ও পকেটমারদের উৎপাত


বন্দর করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:০৭ পিএম, ২৬ জুলাই ২০২০, রবিবার
বন্দরে জালনোট ব্যবসায়ী ও পকেটমারদের উৎপাত

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা পালনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বন্দরে সিটি কর্পোরেশনের ২টি পশুর হাট ও উপজেলা কর্তৃক একটি পশুর হাটগুলোতে জালনোট সরবরাহকারি ও পকেটমারের আনাগোনা ততই বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন কথা জানিয়েছে পশুর হাটে আগত ক্রেতা বিক্রেতারা।

ফুলহর পশুর হাটে আশা এক পশু ক্রেতা হুমায়ূন জানান, ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বন্দরে ফুলহরসহ বিভিন্ন পশু হাটে ক্রেতা সাধারণের পদচারণা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন পশুরহাটে পশু বেচাকেনা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ওই সুযোগে জালনোট সরবারাহকারী একটি চক্র প্রচুর জাল নোট নিয়ে বিভিন্ন পশুর হাটসহ এমনকি বিপনী বিতানগুলোতে অবস্থান করছে।

পশু ক্রেতা বিক্রেতাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে জালনোট ধরিয়ে দিয়ে আসল টাকা নিয়ে চম্পট হচ্ছে জালনোট সরবারাহকারি একটি চক্র। পশুর হাট ছাড়াও বন্দর উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে ঈদ উপলক্ষে কেনাকেটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বন্দর সুরুজ্জামাল টাওয়ারের এক দোকানী নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানায়, প্রচুর ভীড়ের মধ্যে ক্রেতাদের সাথে দর দাম নিয়ে কথা বলার সুযোগে জালনোট সরবরাহকারীরা ক্রেতা সেজে আমাদের মার্কেট সহ বন্দর ১নং খেয়াঘাটস্থ চাঁদনী মার্কেট, বন্দর বাজার, নবীগঞ্জ বাজার, ধামগড় বাজার, সাবদী বাজার, লাঙ্গলবন্ধ বাজার, ফুলহর মার্কেট, মদনপুর ইসলামীয়া সুপার মার্কেট, একতা সুপার মার্কেট, কবি বাতেন বাহার মার্কেটসহ আশেপাশের মার্কেটগুলোর ভিতরে প্রবেশ করে জালনোট ধরিয়ে দিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে। সে সাথে রয়েছে পকেটমারের উৎপাত।

বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বন্দরবাসীর নিরাপত্তার জন্য আমাদের থানার পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর