৩ কোচিং সেন্টারে তালা ঝুলালো ভ্রাম্যমাণ আদালত


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৫:৩৬ পিএম, ১৯ মার্চ ২০২০, বৃহস্পতিবার
৩ কোচিং সেন্টারে তালা ঝুলালো ভ্রাম্যমাণ আদালত

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারী নির্দেশনায় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা না থাকলেও সেটা অমান্য করায় নারায়ণগঞ্জ শহরের কলেজ রোডে তিনটি কোচি সেন্টারকে অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিকের নেতৃত্বে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই অভিযান চালায়। পরে ওই তিনটি সেন্টারে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে পড়ার ঘর নামের একটি কোচিং সেন্টারের মালিক শিপন, পাশের একটি কক্ষে নারায়ণগঞ্জ কলেজের হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও ইউনাইটেড আইটি ট্রেনিং সেন্টাররে শ্যামল চন্দ্রকে পৃথককে ২শ টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়। একই সঙ্গে সকলের কাছ থেকে মুচলেকা আদায় করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, আমি গত ১৭মার্চ জাতীয় শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে কলেজে শিক্ষদের সাথে কথা বলে তাদেরকে একাধিকবার কোচিং করানো থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছি। তাদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছি প্রয়োজনে আপনারা কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ রাখবেন। সরকার সকল প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাদেরকে সরকারী নির্দেশ মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। সেই সাথে যাতে করে এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার ক্ষতি না হয় প্রয়োজনে অনলাইন পদ্ধতি ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছি। ইচ্ছা করলে উনারা ক্লাসের পাঠগুলো নিজেরা ভিডিও ধারণ করে ইউটিউব, ফেসবুক বা ক্যাবল চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। যারা সরকারী নির্দেশ অমান্য করছেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত যাদেরকে ধরেছে তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি কলেজ থেকেও তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৬ মার্চ দুপুরে সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ১৮ মার্চ ধেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এসময় দেশের সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, করোনার সংক্রমণ যাতে না ছড়ায়, তাই এ সিদ্ধান্ত। এখনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়নি, তারপরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

গত ১৬ মার্চ দুপুরে সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ১৮ মার্চ ধেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। এসময় দেশের সকল কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সচিবালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, করোনার সংক্রমণ যাতে না ছড়ায়, তাই এ সিদ্ধান্ত। এখনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো পরিস্থিতি হয়নি, তারপরও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তবে করোনাভাইরাস ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতার জন্য দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা মানছেন না নারায়ণগঞ্জের কোচিং সেন্টারগুলো।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর