rabbhaban

রকমারি ইফতারের বাজারে ক্রেতাদের ভীড়


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:১৯ পিএম, ১০ মে ২০১৯, শুক্রবার
রকমারি ইফতারের বাজারে ক্রেতাদের ভীড় ফাইল ফটো

পবিত্র মাহে রমজানের সারাদিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা সিয়াম পালনের পর সন্ধ্যায় মাগরিবের আযানের সাথে সাথে আহার গ্রহণের মধ্য দিয়ে রমজানের পূর্নতা গ্রহণ করে। এই ইফতারের জন্য কেউ কেউ বাসায় তৈরী করে নানা আয়োজনের খাবার কেউ কেউ করে ইফতারের বাজার থেকে ক্রয় করে নিয়ে আসেন মুখরোচক খাবার।

১০ মে শুক্রবার রমজানের প্রথম জুমআর দিনে ইফতারের আগে তাই শহরের খাবারের দোকানগুলোর বিশেষ ইফতারের আয়োজনে দেখা যায় উপচে পড়া ভীড়।

দুপুরের পর থেকেই পসরা সাজানো শুরু হয় খাবার দোকানগুলোর বিশেষ ইফতারের টেবিলে। সেখান থেকে ক্রেতাদের করা হয় হাঁকডাক। ক্রেতারাও দেখেশুনে নিজের পছন্দ অনুযায়ী রকমারি খাবার কিনতে আগ্রহী হয়ে পছন্দদের খাবার কিনে নিচ্ছেন নিজের ও নিজেদের পরিবার পরিজনদের জন্য। প্রথম দিনের রোজার একটি বেশীই আকর্ষণ থাকে আর তাই এদিন খাবারে একটু ভিন্নতা আনতে বেশীরভাগ মানুষই ইফতারের বাজারে এসে নিজের পছন্দের খাবারের খোঁজে ঢু মারছেন বিভিন্ন দোকানে দোকানে।

দুপুরের পর থেকেই দেখা গেছে শহরের সুগন্ধা প্লাস, বৈশাখী, প্যারিস বাগেট, ঘরোয়া, মুভএনপিক, আনন্দ, মেলা ফুড ভিলেজ, হয়াইট হাউজসহ বিভিন্ন খাবারের দোকানগুলোতে খাবারের বিভিন্ন আয়োজনে নিজেদের দোকানের বাইরে টেবিল নিয়ে সাজিয়ে ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষা করতে। আর বিকেল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতারাও হাজির হয়েছেন ইফতার সামগ্রী কিনতে। ক্রেতাদেরকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতেও তাই চেষ্টার কমতি ছিলনা বিক্রেতাদের।

খাবারের দোকানগুলোর পাশাপাশি একই অবস্থা ও ভীড় লক্ষ করা গেছে ফলের দোকানগুলোতে। সেই সাথে ইফতারের অন্যতম আকর্ষণ খেজুর বিক্রিও বেড়েছে বহুগুণে। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে খেজুর, আম, মালটা, আপেল ও নাশপাতি। তরমুজের চাহিদাও রয়েছে অনেক।

এছাড়া খাবারের সাধারণ দোকানগুলোর পাশাপাশি রয়েছে অস্থায়ী ইফতারের দোকান। এসব দোকান আলুর চপ, বেগুনি, পেয়াজি, ছোলা, সবজি বড়া, ডিম চপ সহ নানা আয়োজন করা হয়। প্রায় প্রতিটি পাড়া মহল্লায়ই এরকম অস্থায়ী দোকান দেখা গেছে। এসব দোকানের ইফতারের উপর প্রতিটি পাড়া মহল্লার বেশীরভাগ মানষের চাহিদা থাকে। তারা এসব দোকানগুলো থেকে ইফতার সামগ্রী ক্রয় করে থাকেন। তবে ক্রেতারা বরাবরের মতই খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন যদি ভ্রাম্যমাণ আদালত সব সময় তাদের ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখে তাহলে ক্রেতা হিসেবে তারা স্বস্তিতে ও নির্ভয়ে খাবার কিনতে পারেন এতে করে তাদের মনে কোন ভয় ও আতংক কাজ করবেনা।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর