rabbhaban

ঐতিহ্যবাহী দেড়শ বছরের জমিদার বাড়ি ভেঙ্গে প্লট আকারে বিক্রি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৫৭ পিএম, ১৭ জুলাই ২০১৯, বুধবার
ঐতিহ্যবাহী দেড়শ বছরের জমিদার বাড়ি ভেঙ্গে প্লট আকারে বিক্রি

যে কোন প্রত্নতাত্ত্বিক ও প্রাচীন ঢিবি, স্তূপ সমাধিস্থল, গুরুত্বপূর্ণ স্থান, প্রাচীন বাগান, প্রাচীন কাঠামো, ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক চিত্রকর্ম সংবলিত শিলালিপি ও ভাস্কর্য, কষ্টি পাথরের মূর্তি হচ্ছে স্থাবর প্রত্ন সম্পদ। বর্তমান সরকারের প্রনীত আইন অনুযায়ী কোন প্রত্ন সম্পদ ভেঙ্গে ফেলাতো দূরের কথা এক কিলোমিটারের মধ্যে সকল ধরনের স্থাপনা নির্মাণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।

এছাড়া স্থাবর সকল প্রত্ন সম্পদের চার ধারে একশ’ মিটারকে সর্বোচ্চ সুরক্ষিত এলাকা (কোর জোন) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সংরক্ষিত প্রত্ন সম্পদের মালিকানা (প্রত্ন সম্পদ হিসেবে ঘোষিত হওয়ার আগে ওই সম্পদের একক বা যৌথ উত্তরাধিকারী) যারই থাক কোন কিছুই নষ্ট করা যাবে না। তবে সরকারের এসব নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের হরিহরপাড়া এলাকায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী দেড়শ বছরের পুরনো জমিদার বাড়িটি ভেঙ্গে প্লট আকারে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েবপোর্টালে এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে জমিদার বাড়িটিকে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকার প্রত্ন সম্পদের স্থাবর সম্পদের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে একশ’ বছরের পূর্ববর্তী যে কোন সময়ের ভূমি, ভূমির নিচে পানির নিচে প্রাচীন সম্পদ ও নিদর্শন। স্থাবর প্রত্ন সম্পদ বলতে বোঝানো হয়েছে: যে কোন প্রত্নতাত্ত্বিক ও প্রাচীন ঢিবি, স্তূপ সমাধিস্থল, গুরুত্বপূর্ণ স্থান, প্রাচীন বাগান, প্রাচীন কাঠামো, ঐতিহাসিক ও বৈজ্ঞানিক চিত্রকর্ম সংবলিত শিলালিপি ও ভাস্কর্য, কষ্টি পাথরের মূর্তি।

এই আইনে অস্থাবর প্রত্ন সম্পদের সময়সীমা ৭৫ বছরের পূর্বের যে কোন সময় অথবা ওই সময়ের মধ্যে বহনযোগ্য সম্পদকে বোঝানো হয়েছে। যার মধ্যে পড়েছে ঐতিহাসিক বই, আসবাবপত্র, মুদ্রা, পোশাক অস্ত্র ইত্যাদি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমান সরকার কর্তৃক প্রত্ন সম্পদের চারধারে ২শ’ ৫০ মিটার এলাকাকে বিশেষ সংরক্ষিত এলাকা (বাফার জোন) বিবেচনা করে এর বাইরেরও এক কিলোমিটারের মধ্যে সকল ধরনের স্থাপনা নির্মাণের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আইনের স্থাবর সকল প্রত্ন সম্পদের চার ধারে একশ’ মিটারকে সর্বোচ্চ সুরক্ষিত এলাকা (কোর জোন) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষ সংরক্ষিত এলাকায় বা বাফার জোনে কোন বহুতল ভবন নির্মাণে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এছাড়াও ওই এলাকার মধ্যে কলকারখানা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, শোরুম, রাস্তাঘাট, ইটভাঁটি ও এ ধরনের কোন স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। কোন ধরনের খনন কাজ করা যাবে না। বাফার জোন ও কোর জোন ছাড়াও এর বাইরে এক কিলোমিটার জায়গাকেও সংরক্ষণ করা হয়েছে। নতুন আইনে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ঘোষিত প্রত্ন সম্পদ ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন পরিবর্ধন এবং নানাভাবে ত্রুটি করলে কারাদন্ড, অর্থদন্ড এবং এক সঙ্গে উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।


স্থাবর ও অস্থাবর যে কোন প্রত্ন সম্পদের অনুলিপি, রেপ্লিকা, প্রতিকৃতি প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। সংরক্ষিত প্রত্ন সম্পদের মালিকানা (প্রত্ন সম্পদ হিসেবে ঘোষিত হওয়ার আগে ওই সম্পদের একক বা যৌথ উত্তরাধিকারী) যারই থাক সম্পদের ওপর খোদাই করা লেখা, লিপি অঙ্কন, কোন কিছুই নষ্ট করা যাবে না। কিছু লিখা বা অঙ্কনও করা যাবে না।

এদিকে প্রত্ন সম্পদ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের হরিহরপাড়া এলাকায় প্রায় দেড়শ বছরের পুরানো একটি জমিদার ভেঙে জমি প্লট আকারে বিক্রি করা হচ্ছে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের ফতুল্লার পঞ্চবটি থেকে কয়েকশ’ গজ দূরে হরিহরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন জমিদারবাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল দেড়শ বছর পূর্বে। নারায়ণ চন্দ্র সাহার পূর্ব পুরুষরা বাড়িটি তৈরী করেন। তারা তৎকালীন সময়ে এখানকার জমিদার ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নারায়ণ চন্দ্র সাহা তাদের কর্মচারী ১০টি হিন্দু পরিবারকে এই বাড়িতে রেখে ভারতে চলে যায়। এরপর তারা আর এখানে আসেনি।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টালে দেখা গেছে জমিদারবাড়িটিকে এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টালে জমিদার বাড়িটির ছবিও রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৪ জুন ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটিতে বসবাসরত ২৫টি পরিবারের শতাধিক মানুষকে উচ্ছেদ করে আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুল্লাহ ও ফতুল্লা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদসহ তাদের ক্যাডার বাহিনী। তৎকালে তারা জমিদার বাড়ির ৫টি কক্ষ গুড়িয়ে দিয়েছিল।

উচ্ছেদের শিকার ৯০ বছর বয়সের কানন বালা মন্ডল তৎকালে জানিয়েছিলেন, দেড়শ বছর পূর্বে নারায়ণ চন্দ্র সাহার পূর্ব পুরুষরা বাড়িটি তৈরী করেন। তারা তৎকালীন সময়ে এখানকার জমিদার ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নারায়ণ চন্দ্র সাহা তাদের কর্মচারী ১০টি হিন্দু পরিবারকে এই বাড়িতে রেখে ভারতে চলে যায়। এরপর তারা আর এখানে আসেনি।

যুদ্ধের পর ওই ১০ পরিবারের সাথে আরো কয়েকটি মুসলিম পরিবার এখানে বসবাস করতে শুরু করেন। ৯০ সালের পর থেকে স্থানীয় প্রভাবশালী শহিদুল্লাহ মেম্বার এই বাড়িতে আসা যাওয়া শুরু করেন। এক পর্যায়ে আমাদের হুমকি ধমকি দিয়ে তিনি একটি বাড়ির তৃতীয় তলা দখল করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কয়েক বছর বসবাস করেন। পরে অন্যত্রে চলে যায়। শহিদুল্লাহ মেম্বার ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি হওয়ায় তার সামনে দাড়িয়ে কেউ কথাও বলতে সাহস পায়না। তিনি কথায় কথায় হুমকি ধমকি দিয়ে ভয় দেখান। তিনি আরো জানান, ১৫ বছর পূর্বে বাড়ির ভিতরে একটি লোকনাথ মন্দির নির্মান করা হয়। তখন আমরা এখানে ১৫টি হিন্দু পরিবার ছিলাম। তখন শহিদুল্লাহ মেম্বারকে আমন্ত্রন করে তাকে দিয়ে মন্দিরটি উদ্ভোধন করা হয়। আজ সেই মন্দির শহিদুল্লাহ মেম্বার তার লোকজন দিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছে।

এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে কয়েকশ’ গজ দূরেই জমিদারবাড়িটি অবস্থিত। তৎকালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও শিল্পপতি মোহাম্মদ আলীর ভাতিজা হাবিবুর রহমান লিটন।

তৎকালে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শহিদুল্লাহ মেম্বার জানিয়েছিলেন, ১৯৭৫ সালে নারায়ণ চন্দ্র সাহার কাছ থেকে মান্নান নামে এক ব্যক্তি ২০ শতাংশ জমি ৪ হাজার টাকায় ক্রয় করেন। এরপর মান্নানের কাছ থেকে ১৯৭৮ সালে ২৫ হাজার টাকায় ঐ জমি আমি ক্রয় করি। এছাড়া নারায়ণ চন্দ্র সাহার কাছ থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের (সোনারগাঁও) সাবেক সংসদ সদস্য কায়সার হাসনাতের পিতা আবুল হাসনাত পৃথক ভাবে ৭ বিঘা জমি ক্রয় করেন। জমি দখল নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শহিদুল্লাহ মেম্বার জানিয়েছিলেন, এখন আমার প্রয়োজন তাই আমি জমি দখলে নিব। আমার জমির পাশে আরো ৮ জন জমি ক্রয় করেছে। এখন আমরা ৯ জনে মিলে এখানে প্লট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ফতুল্লা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ জানিয়েছিলেন, তারা ৪টি একতলা ঘর ভেঙ্গেছেন। ওই ৪টি ঘরে ৪টি পরিবার থাকতো। ২৫ টি পরিবারের বিষয়টি আদৌ সত্য নয়। তিনি, শহীদুল্লাহ মেম্বার, জহির, তাহের, রমজান মিলে সাবেক এমপি কায়সার হাসনাতের পরিবার থেকে জমিটি ক্রয় করেছেন।



ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দেখতে ওই বছরের ১৭ জুন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের সভাপতি অ্যাডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষসহ সংগঠনের কয়েকজন সদস্য। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ জেলা প্রশাসনের একটি টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তৎকালে সদর এসিল্যান্ড নুরুজ্জামান জানিয়েছিলেন, জমিদারবাড়িটি আমাদের ঐতিহ্য। এই শত বছরের পুরনো বাড়িগুলো ভেঙ্গে ফেলাটা অন্যায় হয়েছে। প্রাথমিকভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিএস পর্চা অনুযায়ী ওই জমিদারবাড়িটি উপেন্দ্র চন্দ্র সাহা ও রাধারানীর নামে রয়েছে। দখলের চেষ্টাকারীরা নিজেদের স্বপক্ষে কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছে যা যাচাই বাছাই চলছে। উচ্ছেদকৃত স্থানে নতুন কোন স্থাপনা করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যে অবস্থায় রয়েছে ঠিক সে অবস্থাতেই থাকবে।

এদিকে ওই ঘটনার ৪ দিন পর জমিদার বাড়িতে অবস্থিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দিরের সেবায়েত পঙ্কজ চন্দ্র মন্ডল বাদি হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১৫ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার আসামীরা ছিলেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি শহীদুল্লাহ মেম্বার, ফতুল্লা থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ, রমজান, আবু তাহের।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ফতুল্লার হরিহরপাড়া হাই স্কুল সংলগ্ন জমিদারবাড়িতে ২০১৪ সালের ১৪ জুন সকালে আসামীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ১ম দফায় বসতবাড়ি ও শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দির ভাংচুর করে। এতে অন্তত দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় ১৫ জুন দুপুর ৩টার দিকে তারা বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কানন বালা, শিমু রানী মন্ডল, কাকলী রানী, শিল্পী রানী মন্ডল, সবিতা রানী মন্ডল, মিনা রানী মন্ডল, স্বরস্বতী মন্ডল, কাজল মন্ডলের ঘরে ঢুকে তাদেরকে শ্লীলতাহানি করে ও স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী লুটপাট করে এবং বসতঘর ভাংচুর। এতে আনুমানিক ৯ লাখ ২৬ হাজার ৩শ’ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
 
ওই মামলা দায়েরের পর আসামীরা কিছুদিন পলাতক থাকলেও পরবর্তীতে জামিনে এসে জমিদার বাড়িটি নিজেদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়।

এদিকে সম্প্রতি ওই জমিদার বাড়িটি ভেঙ্গে সেখানে বাউন্ডারী দেয়াল নির্মাণ করতে দেখা গেছে। জমিদার বাড়ির প্রবেশ পথে নতুন বাউন্ডারী দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। সামনের কিছু অংশে দোকানপাট ও বাড়িঘর তোলা হয়েছে।

এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, তিনি হরিহরপাড়া হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। তিনি ছোটবেলা থেকেই জমিদারবাড়িটি দেখে আসছেন। জমিদার বাড়িটি শত বছরের পুরনো এমনটিই তারা জানতেন। তবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বেই জমিদার বাড়িটি স্থানীয় কিছু লোকজন পূর্ববর্তী বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে তাদের দখলে নেয়। বর্তমানে জমিদার বাড়িটি প্লট আকারে বিক্রি করা হচ্ছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। ইতিমধ্যে অনেকখানি জায়গা প্লট আকারে বিক্রির পাশাপাশি দখলও করে ফেলা হয়েছে।

সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক নিউজ নারায়ণগঞ্জকে জানান, জমিদার বাড়িটি দেড়শ বছরের পুরনো হলে সেটা সরকারের প্রত্ন সম্পদ বিভাগের অধীনে থাকার কথা। জমিদারবাড়িটির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে তিনি শীঘ্রই এ বিষয়ে খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ সেলিম রেজা জানান, জমিদার বাড়ি ভেঙ্গে প্লট আকারে বিক্রির বিষয়টি তার জানা নেই। তবে তিনি খোঁজ খবর নিবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর