rabbhaban

ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই চলছে নারায়ণগঞ্জের ৬০০ ফার্মেসী


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৪:৪০ পিএম, ১৮ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার
ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগ লাইসেন্স ছাড়াই চলছে নারায়ণগঞ্জের ৬০০ ফার্মেসী

নারায়ণগঞ্জে প্রায় ৬শতাধিক ফার্মেসী পরিচালিত হচ্ছে ফার্মাসিস্ট ছাড়াই। বেশীরভাগ ফার্মেসীতেই তাৎক্ষনিকভাবে একজন রোগীর প্রেসার কিংবা ডায়াবেটিক চেক আপের কোন সরঞ্জাম নেই। আইন অনুযায়ী ড্রাগ লাইসেন্স প্রাপ্ত সকল ফার্মেসীতে ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব ফার্মেসীগুলোতে ফার্মাসিস্ট ছাড়াই ওষুধ বিক্রয় করে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা গেছে, অধিকাংশ ফার্মেসিতেও নেই ড্রাগ লাইসেন্স। শহরের কালিরবাজার, চাষাঢ়া সহ বিভিন্ন ফার্মেসীগুলোতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে অবৈধভাবে বাজারজাত করা বিদেশী ওষুধ। ক্রেতাদের কাছ থেকে বিদেশী ওষুধ বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

১৭ এপ্রিল বুধবার সকালে কালিরবাজারের একটি ফার্মেসীতে ওষুধ কিনতে আসা ইমরান হোসেন জানান, তার বাবা ব্যাংক কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার নিয়মিত ভাবে এ ফার্মেসীতে ওষুধ কেনেন। বুধবার সকালে তার বাবা ওষুধ কিনতে আসার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে তাকে মাটির মধ্যেই ফেলে রাখা হয়। পরে তারা খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গেলে দেখতে পায় প্রায় ৫০মিনিট যাবত মাটিতে পড়ে আছে তার বাবা। এসময় তিনি ফার্মেসীর লোকজনকে তার প্রেসার মাপার জন্য অনুরোধ করলে সে জানায় তার এখানে প্রেসার মাপার কোন সরঞ্জাম নাই। তখন ডায়াবেটিক মাপার কথা বললে সেটাও তার কাছে নাই। অথচ সে ফার্মেসীতে ডায়াবেটিকের সকল ওষুধ বিক্রি হয় বলে সাইনবোর্ড লাগানো আছে। এ ব্যাপারে সে ফার্মেসীর মালিককে জিজ্ঞাসা করে জানাতে পারে তার এখানে কোন ফার্মাসিস্ট নাই। একই অবস্থা শহরের অন্য ওষুধের দোকানগুলোতে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিভিল সার্জন অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, এখন ওষুধ প্রশাসন আলাদা ভাবে ফার্মেসীগুলো দেখাশোনা করছে। অনেকেই মনে করেন সিভিল সার্জন এগুলো নিয়ন্ত্রন করে। অনেকে অভিযোগ তাদের কাছে করলেও এদের কিছু করার নেই।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া জানান, ওষুধ প্রশাসনের দায়িত্ব ফার্মেসীগুলো দেখাশোনা করা। ওষুধ প্রশাসনের সাথে কথা বলে মোবাইল কোর্ট চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর