rabbhaban

দুই হাসপাতাল পরিদর্শনে ডেঙ্গু প্রতিরোধক ব্যবস্থা অপ্রতুলে ক্ষোভ


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৩৬ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার
দুই হাসপাতাল পরিদর্শনে ডেঙ্গু প্রতিরোধক ব্যবস্থা অপ্রতুলে ক্ষোভ

নারায়ণগঞ্জে এখনও কমেনি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। প্রতিদিনই শহরের প্রধান দুটি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা। তবে দুটি হাসপাতালের একটিতে ভর্তি হলেও ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন সহ ওষুধ দিতে পারছে না। এর জন্য রোগীদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। আর হাসপাতালে স্যালাইন সহ ওষুধ সরবরাহ করার পরও রোগীরা না পাওয়ায় ডাক্তাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নেতারা।

৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে শহরের খানপুর এলাকার ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল পরিদর্শন গেলে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা বিএমএ নেতাদের উদ্দেশ্যে হাসপাতালে ওষুধ সহ পরীক্ষার সরঞ্জাম না থাকার অভিযোগ করেন। ওইসময় তিনি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আবু জাহের এ বিষয়ে কোন উত্তর দিতে পারেননি।

বিএমএর সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন রোগীদের চিকিৎসা সেবা সম্পর্কে জানতে চাইলে রোগীরা বলেন, স্যালাইন সহ ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। হাসপাতাল থেকে বিছানা ছাড়া কিছুই দেয় না। ডেঙ্গুর পরীক্ষাও বাইরে থেকে করাতে হয়েছে।

এদিকে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকার ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে রোগীদের কাছ থেকে স্যালাইন সহ বিভিন্ন পরীক্ষা হাসপাতাল থেকে দেওয়ার কথা শুনে বিএমএর প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, স্যালাইন সংকট হওয়ার কথা নয়। পর্যাপ্ত স্যালাইন সরবরাহ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ৩০০ শয্যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে। তারা দ্রুত ব্যবস্থ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এ বিষয়ে কোন সংকট নেই। রোগীরাও ভালো সেবা পাচ্ছে। তারা দ্রুত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

তিনি ডেঙ্গুর বিষয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ডেঙ্গু সেল গঠন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ চলছে। আমরা নারায়ণগঞ্জের দুটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কম। ডাক্তারের কোন সমস্যা নারায়ণগঞ্জের দুই হাসপাতালে নেই। যেহেতু নারায়ণগঞ্জ খুব কাছে ছিল প্রয়োজন হলে ঢাকা থেকে ডাক্তার পাঠানো সম্ভব। এছাড়াও হাসপাতালের অন্যান্য সমস্যাগুলো সম্পর্কে আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জানাবো। যাতে দ্রুত সমস্যা সামাধান করা হয়।

হাসপাতালের ডাক্তারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ বেশ কয়েকটি হাসপাতাল এখন খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। একটা কাগজের টুকরাও কেউ পাবে না। তেমনি হাসপাতাল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এছাড়াও ডাক্তার আছেন তারা পেশাগত দায়িত্ব পালন করবেন। এটা আপনার পেশা। এখানে কে কোন দল করে বা কোন দলের নেতা সেটা দেখবেন না। মানুষ হিসেবে সেবা দিয়ে যাবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর