১০০ শয্যায় শিশু ওয়ার্ডের বেডের নিচে বিড়াল


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৮:৫০ পিএম, ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার
১০০ শয্যায় শিশু ওয়ার্ডের বেডের নিচে বিড়াল

নারায়ণগঞ্জের নি¤œবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষদের ভরসার অন্যতম চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত)। ১০০শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটি সরাসরি নারায়ণগঞ্জ স্থানীয় সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়। তবে হাসপাতালটিতে দেখা যায় বিড়ল কুকুরের আনাগোনা। কুকুর সচরাচর হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারলেও হাসপাতালটির জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলোতে দেখা যায় বিড়ালের অবাধ বিচরণ।

২২ ডিসেম্বর রোববার দুপুরে হাসপাতালটিতে প্রবেশ করে শিশু ওয়ার্ডের ভেতরে গিয়ে দেখা যায় শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত কারণে দুইটি শিশু ভর্তি আছে। এছাড়া হাসপাতালের পরিবেশ অপরিষ্কার মনে না হলেও ১নং বেডের নিচে চোখ যেতেই দেখা যায় ঘাপটি মেড়ে বিড়াল বসে আছে। এসময় সামনে যেতেই দরজা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায় বিড়ালটি। হাসপাতালটিকে এমন দৃশ্য নিয়মিতই দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন অনেক রোগী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগীর স্বজন নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, হাসপাতালের সব জায়গায় বিড়াল দেখতে পাবেন। বিড়ালের জন্য ভয়ে ভয়ে থাকতে হয় যে কখন কোথায় মুখ দিয়ে দেয়। জায়গায় জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ করে। এসব থেকে প্রচুর দুর্গন্ধ ছড়ায়। যেহেতু এটি একটি হাসপাতাল তাই বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়েই দেখা উচিত।

তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে সবাই চিকিৎসা নিতে আসে। যেহেতু এখানে আগত সবাই অসুস্থ থাকে তাই জীবাণু বা রোগ ছড়াতে পারে এমন জিনিস বা প্রাণী যাতে ঢুকতে না পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। নয়তো দেখা যাবে যে চিকিৎসা নিতে এসে উল্টো অন্য রোগ সাথে নিয়ে বাসায় যেতে হবে।

এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের আবাসীক মেডিকেল অফিসার আসাদুজ্জামানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে নিউজ নারায়ণগঞ্জকে তিনি বলেন, বিড়াল কখন আসে এটা সব সময় নজরদারি করা সম্ভব না। তবে প্রতিটি ওয়ার্ডের দরজা আছে। যদি দরজা লাগিয়ে রাখে তাহলে আর ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে না। তাই সব সময় দরজা লাগিয়ে রাখতে হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর