rabbhaban

নিজের চেয়ে ভালো প্রার্থী খুঁজছেন শামীম ওসমান


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১২:৩৮ এএম, ১১ আগস্ট ২০১৮, শনিবার
নিজের চেয়ে ভালো প্রার্থী খুঁজছেন শামীম ওসমান

জাতীয় নির্বাচনের পরিস্থিতি নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ভাবনা বিষয়ে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির ‘ইলেকশন এক্সপ্রেস : নারায়ণগঞ্জ-৪’ পর্বের অনুষ্ঠানে এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, ‘নারায়ণগঞ্জ এমনিতেই একটা রাজনৈতিক সূতিকাগার। আর এখান থেকেই আওয়ামীলীগের জন্ম হয়েছে। এখানে আওয়ামীলীগ বরাবরই শক্তিশালী ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আর আমরা নির্বাচন কেন্দ্রিক কাজ করি না। আমরা রাজনীতিটা করি মানুষের জন্য। তো যদিও রাজনীতিটা মানুষের জন্যই করি। আওয়ামীলীগের যারা আমরা আছি আমরা কোন সময় জনগণ থেকে বিচ্ছন্ন হইনি। বহুভাবে চেষ্টা করা হয়েছে, ক্ষত-বিক্ষত করা হয়েছে, বোমা মেরে হত্যা করা হয়েছে। তারপরেও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়নি।’

১০ আগস্ট শুক্রবার রাতে ওই সাক্ষাৎকরা সরাসরি প্রচার করা হয়।

তিনি বলেন, আমি প্রথমেই ডিবিসিকে ধন্যবাদ জানাই যে একটা বিশেষ শক্তি চেষ্টা করছে দেশকে গণতন্ত্র বিমুখ করে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে সেখানে গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানোর জন্য আপনারা মাঠ পর্যায়ে যে সংবাদ নিয়ে দেশের মানুষকে নির্বাচনমুখী এবং কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। বেসিকেলি বিষয়টা হচ্ছে যে আমাদের নারায়ণগঞ্জে আমরা মোটামোটিভাবে পলিটিক্যালি খুবই ভাল অবস্থায় আছি এবং সংগঠনও খুবই শক্তিশালী আছে।

মনোনয়ন কেন্দ্রিক কোন দ্বন্দ্ব আছে কিনা, দ্বন্দ্ব থাকলে আগামী নির্বাচনে কোন প্রভাব ফেলবে কিনা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একচুয়েলি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনটাতে খুব একটা মনোনয়ন কেন্দ্রিক ঝামেলা নেই। তবে ঝামেলাটা হচ্ছি আমি নিজেই। আমি নিজে ঝামেলাটা একারণে আমি খুজঁছি আমার চেয়ে বেটার কেউ আছেন কিনা। আমি মনে করি আমার চেয়ে বেটার অন্য কোন দলেও থাকে তাকে দেয়া উচিত। বেসিকেলি রাজনীতি সিজনাল ব্যবসা না। রাজনীতিটা হচ্ছে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা একটা ইবাদত। ইবাদত বলতে এই কারণে মানুষের সেবা করাটা যদি রাজনীতি হয়ে থাকে যেটা আমরা শেখ হাসিনা থেকে শিখেছি, আমরা সেই কাজটাই করতে যাচ্ছি। এবং জাতির জনকের যে আদর্শ সে আদর্শটাকে বাস্তবায়ন হচ্ছে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো। যেমন গত বছর যখন আমি ৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলাম তখন আল্লাহর হুকুমে শেখ হাসিনা উছিলায় আমি ২৬’শ কোটি টাকার কাজ করতে পেরেছিলাম। এখনো আমি কমপ্লিট করেনি আমার হিসাব কিন্তু এবার আল্লাহর হুকুমে সবার দোয়ায় এলাকার মানুষের সহযোগিতায় এবং বিশেষ করে আমার নেত্রী শেখ হাসিনার উছিলায় আমি প্রায় ৭ হাজার একশ কোটি টাকা কাজ করেছি। অলরেডি ডান। মনে হয় আরও ৪/৫’শ কোটি বাড়বে এটা। আমার মনে হয় মানুষ খুশি। আর মনোনয়নের ব্যাপারটা আমরা একটা জিনিস বুঝি যেটা হলো আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা উনি যেটা ডিশিসন দিবেন সেটার ব্যাপারে সবাই একমত থাকবে। ব্যাপারটা হলো যে দ্বন্দ্ব তো সব জায়গায় থাকবে, বড় পরিবারে বড় ঝামেলা থাকবে। গত সিটি করপোরেশেন নির্বাচনেও অনেক কিছুর পরেও কিন্তু নারায়ণগঞ্জে যেভাবে আওয়ামীলীগ এক হয়ে টোটাল আওয়ামীলীগ একদিকে ছিল মানে একজনের বিরুদ্ধে ছিল যখন নেত্রী বলে টোটাল আওয়ামীলীগ এক দিকে হয়ে কাজ করেছে। এখানে আওয়ামীলীগের কর্মীরা অনেক বেশি কনসাস। তারা শেখ হাসিনার বাইকে কিছু চিনে না এবং চিনতেও চাই না।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
rabbhaban
আজকের সবখবর