rabbhaban

পুলিশ এখন আসামীদের বান্ধব দাবি নিহত নয়নের পরিবার


সিটি করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৬:০২ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
পুলিশ এখন আসামীদের বান্ধব দাবি নিহত নয়নের পরিবার

‘‘পুলিশ দাবি করে জনগণই তাদের বান্ধব। এখন দেখি পুলিশ এখন আসামীদের বান্ধব। তা না হলে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অনীহা কেন? হত্যার বদলে অপমৃত্যু মামলা করার জানতে চাওয়ায় আড়াইহাজার থানা ওসির ধমক ও গালিও হজম করতে হয়েছে। পুলিশ কিছু করতে পারবে না বলে আসামীরা প্রকাশ্যে নিহত নয়নের পরিবারের সদস্যদের হত্যা ও গুম করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এখন আমরা সকলে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’’

২৫ সেপ্টেম্বর ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে ২৫ মে আড়াইহাজার উপজেলার বিশনন্দী এলাকায় নয়ন হত্যা মামলার তদন্ত রিপোর্ট প্রতিবেদন না দেয়ায় সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন নিহতের বোন ও বাদী নিপা আক্তার। এ সময় নিহতের বাবা তাইজউদ্দিন, মাতা নূর জাহান বেগম, ভাই হারুনুর রশিদ ও জামাত মুসা খান অভি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করে বলেন, নয়ন এয়ারপোর্টের শ্রমিক ছিলেন। এলাকার সিরাজের মেয়ে তানিয়া আক্তারের প্রেমে পড়ে। তানিয়া ইতোমধ্যে দুটি বিয়ে করেছে। কিন্তু পারিবারিক কারণে দুটি বিয়ে থেকে তালাকপ্রাপ্ত হয়। প্রেম করার কারণে আমান (নয়নের আপন চাচাতো ভাই) প্রায়শই নয়নকে চাপ দিয়ে আসছিল। কিন্তু নয়ন তানিয়া দুটি বিয়ের কারণে অনিহা করে থাকে। পরে ২৫ মে তানিয়া ও আমানের পরিকল্পিতভাবে নয়নকে বাসা ডেকে নেয়। পর থেকে নয়ন নিখোঁজ ছিল। পরের দিন ২৬ মে বিশন্দী কবরস্থানের আবু সিদ্দিকের আম ও লেবু বাগানের পশ্চিম পাশে রশি দিয়ে বাঁধায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। থানায় সিরাজের মেয়ে তানিয়া আক্তার, আব্দুর রশিদের ছেলে মো. আমান, মোঃ আউয়ালের ছেলে সুলতান, শইরা মেয়ে হাওয়া বেগম, আওয়াল শইরা মেয়ে কামিনী, সিরাজের মেয়ে শিরিন ও আব্দুল হোসেনের ছেলে ফয়জুল্লাহ সহ অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনের নামে এজাহার দেয়া হয়। কিন্তু থানা ওসি তখন মামলা রুজু না করে বরং পরের দিন নয়নের বড় ভাইকে না জানিয়ে তাকে বাদি বানিয়ে অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

বাদী নিপা আক্তার আরো বলেন, নয়নকে বেদম অত্যাচার করে হত্যা করা হয়েছে। তারা আসামী সুলতানকে দিয়ে আড়াই লাখ টাকা অফার দিয়েছিল। যেন আর আমরা মামলা নিয়ে নাড়াচাড়া না দেই। কিন্তু ভাইকে যেভাবে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি আদেশ না হওয়া পর্যন্ত আমরা সকলের সহযোগিতায় লড়ে যাবো। ওসি আমাকে গালিগাজ করেছে, মামলা তদন্তে পিবিআই, সিআইডি বা ডিবি হস্তান্তরের জন্য হৈ চৈ করে। সেসব কথাগুলো রেকর্ডিং রয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই রাকিব মামলা তদন্তে ইচ্ছা প্রকাশ করলেও ওসি জন্য তিনি কাজ করতে পারছে না।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর