জল্লারপাড়ের আলিফ হত্যার রায় বৃহস্পতিবার, মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৩৪ পিএম, ১৬ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার
জল্লারপাড়ের আলিফ হত্যার রায় বৃহস্পতিবার, মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা নিহত আলিফের সঙ্গে আসামি ওহিদ।

নারায়ণগঞ্জ শহরের জল্লারপাড় এলাকার ৪ বছরের শিশু আলিফ হত্যা মামলায় আসামীপক্ষের যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন আসামী অহিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আসামীপক্ষ। আসামীপক্ষের যুক্ততর্ক উপস্থাপন শেষে আগামী ১৮ জুলাই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারন করে আদালত।

পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, আসামী ওহিদ তার সকল দোষ স্বীকার করেছে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী থেকে শুরু করে তার বিরুদ্ধে যেসকল সাক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়েছে তাও সে স্বীকার করেছে। একই সাথে ফাহিম নামে এক শিশু ঘটনার সময় আলিফকে চকলেটের প্রলোভনের কথা সবাইকে জানিয়ে দিয়ে ওহিদকে আটক করতে সক্ষম করেছে এটি গুরুত্বের সাথে বিবেচিত হয়েছে। আমরা মনে করি ওহিদকে আলিফ হত্যার দায়ে সর্বোচ্চ সাজা দিতে আমরা সক্ষম হবো।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৬ আগষ্ট শহরের জল্লারপাড় আমহাট্টা এলাকার নান্নু মিয়ার বাড়ির অহিদ ও রিপন নামের দুইজনের ভাড়া ঘর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশু আলিফের লাশটি উদ্ধার করা হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টা থেকেই নিখোঁজ ছিল আলিফ। চারপাশে সকল বাড়িতে খোঁজ নেওয়ার পরেও যখন তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিলো না তখনই দুপুরের পর থেকে পাশের ঘরের ভাড়াটিয়া পিংকীর ছোট ছেলে সাকিব জানায়, সকালে একসাথে সাকিব ও আশপাশের কয়েকটি ঘরের আরও কিছু বাচ্চাদের সাথে খেলছিলো আলিফ। এমন সময় ঐ ঘরের ভাড়াটিয়া অহিদ এসে চকলেট দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গেছে তাকে।

ঐ দিন বিকেলে আলিফের লাশ উদ্ধার করা হয়। আলিফকে হত্যার পর হাত পা বেঁধে লাশ ভরে রাখা হয় বস্তার ভেতরে। শুধু বস্তাবন্দী নয়, প্রথমে পলিথিন ব্যাগে ভরে লাশটিকে একটি বস্তায় ঢুকানে হয়। সেই বস্তার উপরে দেয়া ছিলো কংক্রিটের টুকরো। এ ঘটনায় নিহতের বাবা সৌদি প্রবাসী আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে পরদিন ১৭ আগস্ট সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর