rabbhaban

উৎসব বাস নিয়ে কামাল মৃধার অনুগামীকে অপহরণ করে মারধর


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৩:৩৭ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার
উৎসব বাস নিয়ে কামাল মৃধার অনুগামীকে অপহরণ করে মারধর বা থেকে শহীদউল্লাহ, কামাল মৃধা, উৎসব বাস ও ডালু মুন্সী।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচল করা উৎসব পরিবহনের বাস নিয়ে এবার হামলার অভিযোগ উঠেছে। পরিবহনের চেয়ারম্যানের দাবী তার গ্রুপের কয়েকজনকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে উৎসব ট্রান্সপোর্ট কোম্পানীর লোকজন ওই হামলা করে একজনকে অপহরণ করে মারধর ও টাকা লুটে নেয়।

১৯ অক্টোবর শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকাতে ওই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতদের মধ্যে একজনকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে উৎসবের বাস বন্ধ করে দেয়। পরে উৎসব পরিবহনের সকল বাস উৎসব ট্রান্সপোর্টের নামে চলাচল শুরু করে। এ নিয়ে উৎসব পরিবহনের চেয়ারম্যান কামাল মৃধার অভিযোগের প্রেক্ষিতে উৎসব ট্রান্সপোর্টের সকল বাস গত ১৬ অক্টোবর বন্ধ করে দেয়া হয়।

উৎসব পরিবহনের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা কামাল মৃধা নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘১৬ অক্টোবর থেকে উৎসবের বাস বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ উৎসব পরিবহনের চেয়ারম্যান আমি। কিন্তু একটি পক্ষ পরিবহনের নাম বদলে ট্রান্সপোর্ট নামকরণে করে বাস চালাচ্ছিল। গত ১৬ অক্টোবর সেটা বন্ধের পর থেকে আমাদের লোকজন নিয়মিত কাউন্টারে গিয়ে বসছিল। শনিবার সকালে রাসেল, ঢালু মুন্সী সহ আরো কয়েকজন বসেছিল। সকাল সোয়া ১০টায় উৎসব ট্রান্সপোর্টের শহীদউল্লাহর ছোট ভাই আহসানউল্লাহ সহ আরো কয়েকজন মিলে রাসেলকে মারধর করে ঢালু মুন্সীকে অপহরণ করে বন্দরের নবীগঞ্জে নিয়ে যায়। সেখানে মারধর করে ১৭শ টাকা লুটে নেয়। পরে পুলিশ তৎপর হলে অপহরণকারীরা ঢালু মুন্সীকে ছেড়ে দেয়।

কামাল মৃধা আরো জানান, ‘উৎসব পরিবহনের প্রকৃত মালিক আমি। কিন্তু এত বছর আমার নামে বাস চালিয়ে কোটি কোটি লোপাট করা হয়েছে। এর মধ্যে উৎসব ট্রান্সপোর্টের নামেও আমার বাস চালিয়েছে। এখন পুলিশ সেটা বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন করে আমরা বাস নামানোর পরিকল্পনা করছি। ভাড়া হবে ৩০ টাকা। আর সে কারণেই পরিবহনের লোকজন ওই হামলাটি করেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, হামলা সংক্রান্ত খবর শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কামাল মৃধা উৎসব প্রসঙ্গে বলেন, ‘এখন অনেক এগিয়ে গেছি আমরা। তাই বর্তমান উৎসবকে ঢেলে সাজাতে হবে। সিট, কালার এবং ডিজাইন আপগ্রেড করা হবে। ১৭ বছর হয়ে গেছে গাড়িগুলোর। বিআরটিএর অনুমতি নিয়েই সব কিছু করা হবে। তবে সামনে ইলেক্ট্রিক গাড়ি নামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আমার সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়।’

কামাল মৃধার দাবী করেন, এই ১৪ বছরে ৬০ কোটি টাকা লোপাট হয়েছে উৎসব থেকে। ওই সময়টাতে শহীদুল্লাহ ও কাজল সহ অন্যরা মিলে এ টাকাগুলো লোপাট করেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর