জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ নাসিকের বড় চ্যালেঞ্জ


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:৩২ পিএম, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার
জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ নাসিকের বড় চ্যালেঞ্জ

‘জনস্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, খাদ্য বর্জ্য হ্রাসকরণ ও ব্যবস্থাপনা ও নিম্ন আয়ের মানুষের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করণ’ এই তিনটি বিষয় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সব থেকে বড় সমস্যা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ঢাকার খাদ্য ব্যবস্থাপনার মডেলিং, সহায়তা এবং উন্নতিতে সহায়তা শীর্ষক পরিচিতি কর্মশালায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

১৭ নভেম্বর রোববার সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সভা কক্ষে জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও) ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বিষয়গুলো উঠে আসে।

উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি ব্যবস্থাপনার চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার জন টেইলর, নাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম এহতেশামূল হক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. কামরুল আহসান, পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক ম্যামল পাল, জাতিসংঘের জিআইএস স্পেশালিস্ট সৈয়দ রেজওয়ানুল ইসলাম, ন্যাশনাল ভ্যালু চেইন এ্যানালাইসিস স্পেশালিস্ট কুলসুম বেগম চৌধুরী, জেন্ডার স্পেশালিস্ট জ্যানেট নাব্দো প্রমুখ।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ। বিশ্বের উন্নত দেশে একেবারে স্ট্রিটফুড থেকে শুরু করে বড় হোটেল রেস্তোঁরা সব জায়গায় খাবার বিক্রির জন্য সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের থেকে অনুমতিপত্র নিতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সেই অনুমতি নাই। বড় রেস্তোঁরাগুলোতে কিছু নিয়ম থাকলেও ছোট রেস্টুরেন্ট বা ফুটপাতের দোকানগুলোতে একেবারেই কোনো নিয়ম নেই।

বক্তারা আরো বলেন, পরিবহন সমস্যার জন্য যেমন নিয়মিত বিপুল পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হচ্ছে। তেমনি সংরক্ষাণাগার না থাকায় আরোও বিপুল পরিমাণ খাদ্যদ্রব্য নষ্ট হচ্ছে। এসব নষ্ট খাদ্য থেকে তৈরী বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও ত্রুটি রয়েছে। যে কারণে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ খাদ্য ঝুঁকিতে আছে। এস থেকে বের হওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন সহ সকল দপ্তরের সমন্বয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে নিরাপদ খাদ্য যেমন নিশ্চিত হবে তেমনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনাতেও পরিবর্তন আসবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর