ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় নারায়ণগঞ্জে বড়দিন পালিত


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ০৪:৩৮ পিএম, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় নারায়ণগঞ্জে বড়দিন পালিত

নারায়ণগঞ্জে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে প্রভু যিশুর এ ধরায় আগমন ঘটেছিল।

২৫ ডিসেম্বর বুধবার সকাল ৯টায় শহরের চাষাঢ়ায় বঙ্গবন্ধু সড়কের পাশে সাধু পৌলের গীর্জা খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনার মধ্যে দিয়ে দিনটি উদযাপন শুরু হয়। প্রার্থনা শেষে ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়।

প্রার্থনা শেষে বেলা ১১টায় শিশু কিশোরদের নিয়ে প্রভু যিশুর জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। পরে শিশু সহ বিভিন্ন বয়সী নারী পুরুষের মধ্যে কেক, চকলেট ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পিন্টু পলিকাপ পিউরিফিকেশনস প্রমুখ।

সরেজমিনে দেখা যায়, বড়দিন উপলক্ষে নানা রঙের বাতিতে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি, তৈরি করা হয়েছে গোশালা ও আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এসব কিছু দেখতে সনাতন ও মুসলিম ধর্মের অনুসারীদেরও ভীড় করতে দেখা যায়।

এদিকে বড়দিন উপলক্ষে সকাল থেকেই গীর্জায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ভক্ত ও দর্শনার্থী সকলের ব্যাগ তল্লাশী ও মেটাল ডিকেক্টর দিয়ে দেহ তল্লাশি করে ঢুকতে দেওয়া হয়। গীর্জার প্রধান ফটকের সামনে ছিল র‌্যাব ও পুলিশের টহল টিম।

এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী প্রতিনিধিদের দিয়ে বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফুলের তোড়া পাঠান। এছাড়াও কেক, চকলেট ও মিষ্টি পাঠান। এসব কিছু মেয়র আইভীর ব্যক্তিগত সহকারী আবুল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আলমগীর হিরণ গীর্জার ফাদার ও সভাপতির হাতে তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী অর্ক ডিসুসা বলেন, আমরা সকাল থেকে প্রার্থনা ও কেক কাটার মধ্যে দিয়ে দিনটি উদযাপন করি। দুপুরে বিশেষ খাবার, বিকেলে ঢাকার বিভিন্ন গীর্জায় যাওয়া, আত্মীয় স্বজন ও বন্ধুদের বাড়িতে যাবো। সন্ধ্যায় আবারও প্রার্থনায় অংশগ্রহণ করবো।

নারায়ণগঞ্জ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পিন্টু পলিকাপ পিউরিফিকেশনস বলেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে প্রভু যিশুর এ ধরায় আগমন ঘটেছিল। শান্তি ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় যিশুখ্রিষ্টের শিক্ষা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর