পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেন সাখাওয়াত


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ১০:৫৬ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার
পরিবারকে না জানিয়ে বিয়ে করেন সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তাঁর স্ত্রী শামীমা আক্তারও একজন আইনজীবী। নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে অধ্যয়নকালেই দুজনের প্রেম প্রণয় ঘটে।

১৯৯০সালে নারায়ণগঞ্জ আইন কলেজে ভর্তি হওয়ার পর লেখাপড়ার সুবাদে পরিচয় হয় শামীমা আক্তারের সঙ্গে। লেখাপড়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে ঘনিষ্টতা সৃষ্টি হয়। দুজনের মধ্যে ভাল পরিচয় থেকে এক পর্যায়ে দুজনের অজান্তেই মন দেয়া নেয়া হয়ে যায়। যদিও প্রথম প্রপোজটা করেছিলেন সাখাওয়াত হোসেন খান নিজেই। কারণ তিনি আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলেন শামীমা আক্তারও তার প্রেমে পড়ে গেছেন। যে কারণে সাখাওয়াত হোসেন খান “ভালোবাসি” শব্দটা বলার পর খুব সহজেই মেয়ে নিয়েছিলেন শামীমা আক্তার। চলতে থাকে দীর্ঘ আড়াই বছর প্রেম। তাদের প্রেমের বিষয়টি প্রথমে জানতে পারে শামীমা আক্তারের পরিবার। শামীমা আক্তারকে ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করে তার পরিবার। তাদের প্রেমের বিষয়টির বিরুদ্ধে কঠোর বিরোধীতা করেছিল শামীমা আক্তারের পরিবার। কিন্তু সেই বাধার কারণেই তাদের প্রেম আরো শক্ত ও মজবুত হয়। প্রেমে যখন প্রচন্ড বাধা সৃষ্টি হয় তখনি তারা উভয় পরিবারকে না জানিয়ে দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় এক কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করেন। যে বিয়েতে উকিল করা হয়েছিল মসজিদের এক ইমামকে। বিয়ের পর দুজনই দুজনের বাসায় চলে যান। পরবর্তীতে তাদের বিয়ের বিষয়টি উভয় পরিবার জানতে পারলে তাদের বিয়ে মেয়ে নেয় দুই পরিবার। পরে আনুুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শুরু হয় তাদের সংসার জীবন। পরবর্তীতে একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ কোর্টে প্র্যাকটিস শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ও ১৯৯৬ সালে অ্যাডভোকেট শামীমা আক্তার বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে সনদ পত্র লাভ করে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর