ফুটপাত দখল করে জীবাণুনাশক টানেল নির্মাণ, ফুটপাতে গাদাগাদি


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:০৫ পিএম, ১৬ মে ২০২০, শনিবার
ফুটপাত দখল করে জীবাণুনাশক টানেল নির্মাণ, ফুটপাতে গাদাগাদি

বেশ কিছু শর্ত দিয়ে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সারা দেশের মত নারায়ণগঞ্জেরও সকল মার্কেট, বিপনী বিতান খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। যে শর্তগুলোর প্রথমেই আছে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা এবং জীবাণুনাশক টানেলের ব্যবহার। সেই নির্দেশনা মেনে নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ মার্কেট টানেল বসালেও অধিকাংশ মার্কেৃৃৃৃৃটে টানেল বসানো হয়েছে ফুটপাতের দখল করে। ফলে ফুটপাতের পথচারীদের গাদাগাদি করেই চলাচল করতে হচ্ছে।

১৬ মে শনিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়া থেকে শুরু করে ডিআইটি পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায় এমন চিত্র। চাষাঢ়াস্থ পানোরামা প্লাজা, লুৎফা টাওয়ারের মত জনপ্রিয় মার্কেট সহ বঙ্গবন্ধু সড়কের উভয় পাশের অধিকাংশ মার্কেট কর্তৃপক্ষ ফুটপাতের উপর বসিয়েছে জীবাণুনাশক টানেল। একই সাথে অধিকাংশ মার্কেট কর্তৃপক্ষ হাত ধোয়ার ব্যবস্থাও করেছে ফুটপাতের উপরে। এতে করে ফুটপাত সরু হয়ে গেছে। যে কারণে সরু ফুটপাতে গাদাগাদি করে ফুটপাতে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। ফলে ফুটপাতে চলাচলকারী পথচারীদের মাঝে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।

ফুটপাত দখল প্রসঙ্গে পথচারী সাইফুল ইসলাম নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘ফুটপাতে হকার বসতে না দেওয়ার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে ফুটপাত দখলমুক্ত নাই। মার্কেট কর্তৃপক্ষ ফুটপাত দখল করে জীবাণুনাশক টানেল বসিয়েছে। যে কারণে হকার বসলে যেমন ফুটপাতগুলো সরু গলির মতো হতো এখন তেমনি হয়ে গেছে।’

চাকরিজীবী কর্মী মোস্তফা করিম নিউজ নারায়ণগঞ্জকে বলেন, ‘টানেল বসানোর নির্দেশ দিয়েছে মার্কেটে। তাঁরা চাইলে গেইটে বসাতে পারে। অধিকাংশ মানুষকে দেখালাম ফুটপাতের উপরে টানেল বসিয়েছে। যে কারণে আমরা যারা চাকরির জন্য শহরে আসি আমাদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে। আগে ফুটপাতে চলাচল করতে পারতাম না হকারের জন্য এখন মার্কেটের সামনে টানেল বসানোর জন্য চলাচল করতে পারি না। প্রশাযসনের উচিৎ এ বিষয়ে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’

তবে চাষাঢ়া মোড় থেকে ডিআইটি পর্যন্ত সরেজমিনে ঘুরে বেশ কিছু মার্কেটে অভিনব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা গেছে। তাঁরা মার্কেটের সামনে সম্পূর্ণ ফুটপাতে জীবাণুনাশক টানেল বসিয়েছেন। যে কারণে ফুটপাত দিয় যারা চলাচল করছেন তাঁদের শরীরেই জীবাণুনাশক স্প্রে হচ্ছে। তাঁদের এমন কার্যক্রমে পথচারীরা তাঁদের প্রশংসা করেছেন। তবে এমন পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন এমন সংখ্যা একেবারে কম।

এ প্রসঙ্গে কথা বলার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল আমিন ও সদর উপজেলার এসিল্যান্ড হাসান বিন মুহাম্মদ আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাঁরা কেউ ফোন ধরেননি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর