লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য ডিসইনফেকশন টানেল


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৬:৪৩ পিএম, ০১ জুন ২০২০, সোমবার
লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের জন্য ডিসইনফেকশন টানেল

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ২ মাস ৭ দিন পরে ৩১ মে রোববার থেকে শুরু হয়েছে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল। স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারের নির্দেশনা মেনেই লঞ্চ চলাচলের পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বসানো হয়েছে ডিসইনফেকশন টানেল। এছাড়াও রয়েছে থার্মাল স্ক্যানার।

সোমবার ১ জুন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল ও বিআইডব্লিউটিএর কার্যালয়ে দু’টি ডিসইনফেকশন টানেল বসানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল, উপ পরিচালক মোবারক হোসেন, সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ, সহকারী পরিচালক নূর হোসেন প্রমুখ।

বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক মাসুদ কামাল জানান, লঞ্চে যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আমরা হ্যান্ড ওয়াশ ও থার্মাল স্ক্যানার চালু করেছি। এছাড়া লঞ্চ টার্মিনালে একটি এবং বিআইডব্লিউটিএ নদী বন্দর কার্যালয়ে একটি মোট দু’টি ডিসইনফেকশন টানেল বসানো হয়েছে। যাতে কোন আক্রান্ত রোগী লঞ্চ যোগে যেতে না পারে এবং তার জন্য যাতে অন্য কেউ আক্রান্ত হতে না পারে সেজন্যই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এছাড়া ৩১ মে রোববার নারায়ণগঞ্জে ৩টি রুটে লঞ্চ চলাচল চালু হয়েছে। এই রুটগুলো হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ থেকে মতলব-মাছুয়াখালী। যাত্রী ধারনক্ষমতার চেয়ে কম নিয়েই লঞ্চগুলো চলাচল করছে। এছাড়া ঈদ পরবর্তী সময়ে সাধারণত নারায়ণগঞ্জ থেকে যাত্রী কম যাতায়াত করে থাকে। যে কারণে যাত্রীদের তেমন চাপ নেই।

উল্লেখ্য করোনাভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে নারায়ণগগঞ্জ থেকে চলাচলকারী সব ধরনের যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল ২৪ মার্চ বেলা ১২টা থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৪ মার্চ মঙ্গলবার বিআইডব্লিউটিএ এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন মজুমদারের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জাননো হয়। পরবর্তি নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জেও দীর্ঘ ২ মাস ৭ দিন পরে ৩১ মে থেকে চালু হয়েছে লঞ্চ চলাচল। লঞ্চে যাত্রীদের ভাড়া না বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কমসংখ্যক যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চলাচলের নির্দেশনা রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে ৭টি রুটে ৭০টি লঞ্চ চলাচল করতো। নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জ রুটে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬-৭ টা পর্যন্ত ২০ মিনিট পর পর লঞ্চ ছেড়ে যায়। এই রুটে ২৫টি লঞ্চ চলাচল করে। নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুর রুটে ১৫টি, মতলব-মাছুয়াখালী রুটে ১৯টি, হোমনা-রামচন্দ্রপুর ১টি, ওয়াবদা, সুরেশ্বর-নরিয়া (শরিয়তপুর) কয়েকটি লঞ্চ চলাচল করে থাকে। তবে এসকল রুটের মধ্যে সন্ধ্যার পরে ২টি রুটে লঞ্চ চলাচল করে থাকে।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর