rabbhaban

৬৫ তে তৈমূর


স্পেশাল করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৯:১৪ পিএম, ১৮ অক্টোবর ২০১৭, বুধবার
৬৫ তে তৈমূর

৬৪ বছর শেষ করে ৬৫তে পা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার। বৃহস্পতিবার ১৯ অক্টোবর জন্মদিন উপলক্ষ্যে নিউজ নারায়ণগঞ্জকে দেওয়া প্রতিক্রিয়াতে বলেছেন, সর্ব অবস্থায় আল্লাহর রহমত চাই, জনগণের পাশে থাকতে চাই। আল্লাহর রহমত কামনা করি। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রত্যাশা করছি।

প্রসঙ্গত ১৯৫৩ সালের ১৯ অক্টোবর জন্ম নেন শাহআলম খন্দকার ও রোকেয়া খন্দকারের পরিবারে জন্ম দেন তৈমুর। ইতোমধ্যে বাবা ও মা চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ভাই বোনদের মধ্যে তৈমূর আলম খন্দকার সবার বড় ছেলে।

তৈমুরের বাবা শাহআলম খন্দকার ছিলেন বিলুপ্ত গ্রীন্ডলেজ ব্যাংক এর বাংলাদেশ ও নারায়ণগঞ্জ শাখার ম্যানেজার। ইস্ট পাকিস্তান গ্রীন্ডলেজ ব্যাংকের ম্যানেজার ছিলেন। শাহআলমের বাবা তোরাব আলী খন্দকার ছিলেন নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসী এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তির একজন।

তৈমুরের শৈশব কেটেছে নারায়ণগঞ্জ ও রূপসীতে। শহরের গলাচিপা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রূপসী খন্দকার বাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন প্রাইমারী পর্যন্ত।

২০০৩ সালে তৈমুরকে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক করা হয়। ২০০৭ সালে ওয়ান এলেভেনের পর বিএনপির বর্তমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলে প্রথমবারের মত তার আইনজীবি হিসেবে আইনী লড়াই চালিয়েযান তৈমুর। পরে ওই বছরের ১৮ এপ্রিল যৌথবাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে ৮টি মামলা করে যার মধ্যে একটি মামলায় ১২ বছরের জেল হয়।

২০০৯ সালের মে মাসে মুক্তি পান তৈমুর। ওই বছরের জুন মাসে তৈমুরকে আহবায়ক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। বছরের শেষের দিকে ২৫ নভেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে তৈমুর হন জেলা বিএনপির সভাপতি। একই সঙ্গে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ১৮দলীয় ঐক্য জোটের আহবায়ক করা হয়। এখন তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।

২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হয়েছিলেন তৈমুর। বিএনপি প্রথম দিকে তাকে সমর্থন দিলেও ভোটের মাত্র ৭ ঘণ্টা আগে দলীয় চেয়ারপারসনের নির্দেশে তিনি নির্বাচন থেকে সরে আসেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
rabbhaban
আজকের সবখবর