শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনায় বেতারের তিন দিনব্যাপি কর্মশালা শুরু


প্রেস বিজ্ঞপ্তি | প্রকাশিত: ০৪:৪০ পিএম, ০২ জুলাই ২০১৮, সোমবার
শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনায় বেতারের তিন দিনব্যাপি কর্মশালা শুরু

শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনায় বাংলাদেশ বেতার ঢাকা কেন্দ্রের আয়োজনে তিন দিনব্যাপি কর্মশালা শুরু হয়েছে। ২ জুলাই সোমবার সকালে বেতার মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং বিশিষ্ট সঙ্গীত ব্যক্তিত্ব আজাদ রহমান। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক জনাব নারায়ণ চন্দ্র শীল।

লিয়াকত আলী লাকী প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, বাংলাদেশ বেতারের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। ভাষা আন্দোলন, গণআন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করেই এগিয়ে চলেছে। কন্ঠের সুন্দর শৈলির পাশাপাশি সঙ্গীত চর্চায় সুর ও ছন্দের বিষয়টিও শিল্পীর মনোজগতে থাকবে। শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনায় প্রতিটি শিল্পীকে সচেতন থাকা দরকার। সুর ও ছন্দবিহীন কোন মানুষের কল্যাণ হতে পারে না। এই বাংলাদেশের অপসংস্কৃতি রোধ করবে বাংলাদেশের প্রতিটি সংস্কৃতি কর্মী।

বিশেষ অতিথির বক্তেব্যে সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ আজাদ রহমান বলেন, একজন সঙ্গীত শিল্পী হতে চাইলে অনুশীলন, গবেষণা ও চর্চার কোনো বিকল্প নেই। আমার জীবনে যা কিছু প্রাপ্তি তার পেছনে বেতারের একটি বিশাল ভূমিকা রয়েছে। ছোট বেলা থেকেই আমি সময় সুযোগ পেলেই বেতারে প্রচারিত গান শুনেছি। মুক্তিযুদ্ধের গানের ভিতর থেকে আমরা সবাই উজ্জ্বীবিত হয়েছি। নবীন শিল্পীদের তিনি সঙ্গীত কর্মের মাধ্যমে বিশ্ব জয় করার আহবান জানান।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনার জন্য বাংলাদেশ বেতারের এই প্রথম উদ্যোগের মধ্য দিয়ে শিল্পীরা লোক সঙ্গীতের ভান্ডার, নজরুল সঙ্গীতের বিশ্বায়ন ও গবেষণা এবং সঙ্গীত বিষয়ে যে তত্ত্বগত জ্ঞান অর্জন করবে সেটি আগামীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব পাবে।

স্বাগত বক্তেব্যে বাংলাদেশ বেতারের আ লিক পরিচালক সায়েদ মোস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ বেতার তাঁর ১২টি কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে সব ধরনের শ্রোতার কথা বিবেচনা করে মান সম্পূর্ণ গান প্রচার করে থাকে। গানের প্রতিটি শাখায় যে সমস্ত শিল্পীবৃন্দ অংশ নেন তারা প্রত্যেকেই স্ব স্ব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ। তারপরেও নানা বিবেচনায় এবং অগ্রজ শিল্পীদের মতামতের উপর আমরা এই কর্মশালার আয়োজন করেছি। কর্মশালায় শুদ্ধ সঙ্গীত পরিবেশনার পাশাপাশি সঙ্গীতের ইতিবৃত্ত, সুর ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার, আধুনিক গানের সেকাল-একাল এবং আধুনিক গানের বিকাশে বেতারের ভূমিকা পাশাপাশি লোক সঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, যন্ত্রসঙ্গীত, উচ্চচাঙ্গ ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিষয়ে সঙ্গীত বিষেজ্ঞরা প্রশিক্ষণ দান করবেন।

তিন দিনব্যাপি এই কর্মশালায় ১০০ জন নবীন শিল্পীরা অংশগ্রহণ করছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
-->
newsnarayanganj24_address
সাহিত্য-সংস্কৃতি এর সর্বশেষ খবর
আজকের সবখবর