মাদক উদ্ধার অপরাধী গ্রেফতারে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় মঞ্জুর কাদেরের


স্টাফ করেসপনডেন্ট | প্রকাশিত: ০৭:২৩ পিএম, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার
মাদক উদ্ধার অপরাধী গ্রেফতারে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় মঞ্জুর কাদেরের

নারায়ণগঞ্জ জেলায় মাদক উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেফতারে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে চলেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের। গত দুই মাসে ৩৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকার মাদকসহ ১৭৩জনকে গ্রেফতার করে আলোচনায় এসেছেন মঞ্জুর কাদের। এর আগেও ২৪ মে মাদক উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেফতারে ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর ধারাবাহিতকায় একাধিকবার নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন মঞ্জুর কাদের।

ফতুল্লার দুটি আলোচিত হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী মা ছেলে ও স্বামী স্ত্রীসহ ৬জনকে গ্রেফতার করে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন মঞ্জুর কাদের।

জানাযায়, ফতুল্লার জামতলা এলাকায় নিজ ফ্ল্যাটে স্ত্রী সন্তানদের সামনে থেকে ১ সেপ্টেম্বর রাতে এজিবির সাবেক কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেনের (৬৫) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের শরীরে ও গলায় একাধিক রক্তাক্ত জখমের আঘাত দেখতে পেয়েছে পুলিশ। পুলিশের ধারনা শাহাদাৎ হোসেনকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এঘটনায় নিহতের ছোট ভাই বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এমামলার এজাহারভুক্ত আসামী নিহতের স্ত্রী বিলকিস বেগম ও তাদের একমাত্র ছেলে বিল্লাল হোসেন শাকিবকে তারপর দিনই গ্রেফতার করে পুলিশ। এ মামলায় তদন্তের অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে পুলিশের দাবী।

একই দিন ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে ফতুল্লার পশ্চিম মাসদাইর এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের দেয়া আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় একই এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে ঝুট ব্যবসায়ী সুমন মিয়া। মৃত্যুর পূর্বে সুমন হত্যাকারীদের নাম প্রকাশ করে যায়। পরিবারের লোকজন সেই জবানবন্দি ভিডিও রেকর্ড করে রাখেন। জবানবন্দিতে সুমন বলেছিলেন, পাশের বাড়ির বিপ্লবের স্ত্রী শায়লা বেগম, সোহেল মন্ডল ও খানকার মোড়ের মাসুদ আলী মিলে তাকে ধরে রাখে এবং বিপ্লক তার গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এঘটনার ৭ দিনের মাথায় ৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে বিপ্লব তার স্ত্রী শায়লা বেগম, সোহেল মন্ডল ও মাসুদ আলীকে বরিশাল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ওসি মঞ্জুর কাদের বলেন, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমানের দিক নির্দেশনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য সময়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রাখতে পেরেছি। ফতুল্লায় একজন মাদক ব্যবসায়ীও ছাড় পাবেনা। মাদক ব্যবসায়ীদের খুঁজে বের করতে পুলিশকে সার্বক্ষণিক ব্যস্ত রাখি।  গত জুলাই ও আগষ্ট মাসে ৩৮ লাখ ৬৩ হাজার টাকার মাদকসহ ১৭৩জনকে বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে ১৭৩টি মামলা দায়ের করেছি। জেলায় এতো মাদক ব্যবসায়ী কোথাও গ্রেফতার হয়নি।

তিনি আরো জানান, সম্প্রতি দুইটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এদুটি হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা হয়েছে এবং হত্যার রহস্যও পেয়েছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
-->
newsnarayanganj24_address
আইন আদালত এর সর্বশেষ খবর
আজকের সবখবর