rabbhaban

ঝুট ব্যবসায়ী হত্যার মূল ঘাতকের জবানবন্দী : টাকার জন্যই হত্যা


সিটি করেসপন্ডেন্ট | প্রকাশিত: ১২:০৫ এএম, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, শুক্রবার
ঝুট ব্যবসায়ী হত্যার মূল ঘাতকের জবানবন্দী : টাকার জন্যই হত্যা

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরী (৫২) হত্যাকান্ডের মূলহোতা মোহাম্মদ আলী হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে।

১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেল হতে সন্ধা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টনের আদালতে জবানবন্দি প্রদান করে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরী হত্যাকান্ডের মূলহোতা মোহাম্মদ আলীর জবানবন্দি দায়েরের বিষয় সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

এর আগে মোহাম্মদ আলী ও সোলয়মানকে তিনদিন করে রিমান্ডে আনা হয়। রিমান্ড শেষে সোলয়মানকে আদালতে প্রেরণ করা হলে পরে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে আদালত। মূলহোতা মোহাম্মদ আলী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।

জবানবন্দিতে মোহাম্মদ আলী আদালতকে বলে, ব্যবসায়ীভাবে চারদিকে চারদিকে দেনায় জর্জরিত হয়ে পাগল প্রায় ছিলেন। এসময়ের মধ্যে সেলিম চৌধুরীর পাওনা দুই লাখ টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। টাকা দিতে না পারায় সেলিম চৌধুরীকে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়। পরে ফয়সালসহ আরো কয়েকজন মিলে সেলিম চৌধুরীকে হত্যা করে লাশ করার উদ্দেশে নিজের ঝুটের গোডাউনে মাটি খুড়ে মাটিতে লাশ পুতে ফেলা হয়।

মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মামুন আল আবেদ জানান, ফয়সালের পর সেলিম হত্যাকান্ডের মূলহোতা মোহাম্মদ আলী ব্যবসায়ী সেলিম চৌধুরী হত্যাকান্ডের দায়স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ধারা জবানবন্দি দিয়েছে। শুধুমাত্র পাওনা দুই লাখ টাকা আত্মসাতের জন্য পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশে মাটি খুড়ে লাশ পুতে রাখে। তবে মোহাম্মদ আলীর পরিকল্পনায় সেলিম চৌধুরীকে ফয়সালসহ আরো কয়েকজন মিলে রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে বস্তায়বন্দি করে লাশ গুম করতে মাটিতে পুতে রাখে। হত্যার পর কেউ যেন তাকে সন্দেহ না করে সেজন্য গোডাউনে ফয়সাল সব সময় ঘুমিয়ে থাকে। লাশ মাটির সাথে মিশে যাওয়ার আগপর্যন্ত ফয়সালকে রাতে গোডাউনে ঘুমানোর জন্য বলে মোহাম্মদ আলী।

এর আগে ১২ এপ্রিল শুক্রবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালতে ফয়সালের জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

প্রসঙ্গত নিখোঁজের ১০দিন পর ১০ এপ্রিল বুধবার বিকেলে ভোলাইলে মোহাম্মদ আলীর ঝুটের গোডাউনে মাটি খুড়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই ঝুটের গোডাউন মালিক মোহাম্মদ আলী, দুইজন কর্মচারী ফয়সাল ও ইউনুসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কামরুজ্জামান সেলিমের বাড়ি ফতুল্লার বক্তাবলী কানাইনগর এলাকার মৃত সামছুল হুদা চৌধুরীর ছেলে। সে পরিবার নিয়ে শিবু মার্কেট এলাকায় বসবাস করতেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন:
newsnarayanganj-video
আজকের সবখবর